
রাশিয়ার কাছ থেকে যুদ্ধবিমান এবং স্থল থেকে আকাশে আঘাত হানতে সক্ষম মিসাইল কেনায় চীনের সেনাবাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, মস্কোর ওপর ওয়াশিংটনের বলবৎ থাকা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য চীনের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রসোবোরনএক্সপোর্ট-এর সঙ্গে ‘গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনের’ কারণে চীনের ইকুইপমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট (ইডিডি) এবং এর প্রধান লি স্যাংফু-র ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া ইডিডি এবং স্যাংফুকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনও সম্পদ থাকলে তা ফ্রিজ হবে এবং মার্কিনিদের তাদের সঙ্গে ‘সাধারণভাবে ব্যবসা করতে পারবেন না’।
এগুলোর সঙ্গে ইডিডি’র রপ্তানি লাইসেন্স বাতিল এবং মার্কিন অর্থ ব্যবস্থা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
চীনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া ছাড়াও রাশিয়ান সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে বৃহস্পতিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাশিয়া।
উল্লেখ্য, চীন সম্প্রতি রাশিয়ার কাছ থেকে ১০টি সুকহই সু-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং এস-৪০০ মিসাইল কিনেছে। এরই প্রেক্ষিতে মস্কোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের আগে থেকে খারাপ থাকা সম্পর্কের আরও অবনতি হয়।
২০১৪ সালে ক্রাইমিয়াকে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করায় মস্কো-ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্কে টানাপড়েন দেখা দেয়। ওই বছরই যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের পশ্চিমা মিত্র দেশগুলো মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কিন্তু তাতে সায় দেয়নি চীন।
এরমধ্যে ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ এবং সিরিয়ার চলমান গৃহযুদ্ধে মস্কোর ভূমিকায় উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরও পড়ুন :
এ/জেএইচ




