
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র সদস্যদের বহনকারী একটি বাসে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই অন্তত ২৭ সেনা শহীদ ও ১৩ জন আহত হন।
ওই দিনই পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-জুলুম নামের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। পার্সটুডে জানিয়েছে, এদের সঙ্গে উগ্র ওয়াহাবি ও সালাফি এবং সৌদি আরবের যোগাযোগ রয়েছে বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়।
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. আলী লারিজানি বলেছেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশে সাম্প্রতিক হামলার জন্য পাকিস্তানকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।
তিনি বলেন, ওই হামলার পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে পাকিস্তানের মাটি থেকে। আজ (রোববার) সংসদের অধিবেশনে ড. আলী লারিজানি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করা দরকার।
লারিজানি আরও বলেন, বর্তমান অবস্থায় পাকিস্তান দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিতে পারে না। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এ ধরনের আচরণ দুদেশের মধ্যকার সহযোগিতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে কাশ্মীরে হামলার জন্যও পাকিস্তানকে দায়ী করছে ভারত। সব মিলিয়ে পাকিস্তান তীব্র চাপের মুখে রয়েছে।
ডি/এমকে




