
থাইল্যান্ডের পুলিশ জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ১৫ জন স্বেচ্ছাসেবক কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।
ইয়ালা প্রদেশের একটি পুলিশ স্টেশনের একজন সুপারইনটেন্ডেন্ট পুলিশ কর্নেল থাউইসাক থংসংসি বলেছেন, মঙ্গলবার রাতে অজ্ঞাত সংখ্যক ব্যক্তি ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই হামলা চালায়। এতে আরও পাঁচজন স্বেচ্ছাসেবক কর্মকর্তা আহত হয়।
ব্যাংকক পোস্ট জানিয়েছে, ১১ জন ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অপর চার ব্যক্তি ইয়ালার একটি হাসপাতালে মারা যায়।
থাইল্যান্ডের ইয়ালা, পাত্তানি ও নারাথিয়াত প্রদেশে একটি মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপ সক্রিয়। ২০০৪ সাল থেকে ওই গ্রুপটির হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় সাত হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুলিশ, শিক্ষক ও অন্যান্য সরকারি প্রতিনিধিকে তারা টার্গেট করে থাকে।
থাউইসাক বুধবার বলেছেন, ওই এলাকায় আরও কয়েকটি হামলার খবর পেয়েছি আমরা। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দিতে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির কাছে একটি ছোট বিস্ফোরক ডিভাইস পাওয়া গেছে। এছাড়া ইয়ালা প্রদেশে ঢোকার জন্য একটি হাইওয়েতে তারকাটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়, যাতে গাড়ির চাকা অকেজো হয়ে যায়।
---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: মিশিগান হ্যামটরমিক সিটি নির্বাচনে দুই বাংলাদেশি জয়ী
---------------------------------------------------------------
এসময় একটি স্কুল থেকে কয়েকটি জ্বলন্ত টায়ারও পাওয়া যায়। ব্যাংকক পোস্ট বলছে, ওই হামলার সময় অন্তত তিনটি রেসকিউ ভেহিক্যাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি বন্দুকও নিয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে আব্দুল্লাহ এসরমুসর নামে ৩২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর নির্যাতনে আব্দুল্লাহ কোমায় চলে যান। পরে তিনি মারা যান। থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নির্যাতনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। মূলত ওই ঘটনার পরই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
এ




