ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রথম ভাসমান গ্যাস উত্তোলন প্ল্যাটফর্ম চালু করল তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কৃষ্ণসাগরে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন দ্বিগুণ করে ২০২৭ সালে দৈনিক ২ কোটি ঘনমিটারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে তুরস্ক। দেশটির প্রথম ভাসমান গ্যাস উত্তোলন প্ল্যাটফর্ম ‘ওসমান গাজি’ চালুর মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনে এগোচ্ছে আঙ্কারা।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ফিলিওস বন্দর থেকে প্ল্যাটফর্মটি কৃষ্ণসাগরে নির্ধারিত স্থানের উদ্দেশে যাত্রা করে। এ উপলক্ষে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, দেশের জ্বালানি ইতিহাসে এটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

‘ওসমান গাজি’তে গ্যাস প্রক্রিয়াজাত করার ২১টি ইউনিট রয়েছে। সাকারিয়া গ্যাসক্ষেত্রের কূপ থেকে উত্তোলিত গ্যাস এই প্ল্যাটফর্মে প্রক্রিয়াজাত করে সমুদ্রের তলদেশের পাইপলাইনের মাধ্যমে ফিলিওসে পাঠানো হবে।

তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী আলপারস্লান বায়রাকতার বলেন, এটি দেশটির প্রথম ভাসমান প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনা। চলতি বছরের শেষ নাগাদ সাকারিয়া গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস জ্বালানোর টাওয়ার চালুর লক্ষ্য রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৮ সালের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান তুর্কি পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের দৈনিক তেল উত্তোলন ১০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সূত্র: শাফাক নিউজ

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি-হুথি সংঘাত বন্ধে সহযোগিতায় প্রস্তুত ইরান
সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে চলমান উত্তেজনা রাজনৈতিকভাবে সমাধানকে ইরান সমর্থন করে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
সৌদি-হুথি সংঘাত বন্ধে সহযোগিতায় প্রস্তুত ইরান
পরিবারসহ ওমরাহ করতে গিয়ে রিয়াদে হুতিদের হামলায় নিহত ইউসুফ
মদিনাগামী ফ্লাইটের জন্য পরিবারের অন্য সদস্যরা অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় জুস কিনতে বড় ছেলেকে নিয়ে বাইরে গিয়েছিলেন ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউসুফ আলি।
পরিবারসহ ওমরাহ করতে গিয়ে রিয়াদে হুতিদের হামলায় নিহত ইউসুফ
হুতিদের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে জাতিসংঘের আহ্বান, সমর্থন সৌদি আরবের
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের অস্ত্র সংগ্রহ ঠেকাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।
হুতিদের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে জাতিসংঘের আহ্বান, সমর্থন সৌদি আরবের
সিরিয়ায় আসাদ আমলের আধাসামরিক বাহিনীর নেতা কায়ালি গ্রেপ্তার 
সিরিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সমর্থক এবং আধাসামরিক বাহিনীর নেতা আলী কায়ালিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রায় ২৫০ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যার ঘটনায় কায়ালি প্রধান সন্দেহভাজন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানায়, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আলী কায়ালিকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি মিহরাজ উরাল নামেও পরিচিত। ২০১৩ সালে বানিয়াসে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় তিনি প্রধান সন্দেহভাজন। সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’ তবে তিনি কোন দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের মে মাসে সিরিয়ার উপকূলীয় তারতুস প্রদেশের সুন্নি মুসলিম-অধ্যুষিত বায়দা ও বানিয়াস শহরে সরকারি বাহিনী এবং তাদের মিত্ররা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। এতে অন্তত ২৪৮ জন নিহত হন। তাদের অনেককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় সংস্থাটি হত্যাকাণ্ডগুলোকে সিরিয়ার ক্রমেই রক্তক্ষয়ী হয়ে ওঠা সংঘাতের অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছিল। কায়ালির গ্রেপ্তারের প্রতিক্রিয়ায় সিরিয়ার বিচারমন্ত্রী মাজহার আলওয়াইস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘এই গ্রেপ্তার একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—সিরিয়ায় অপরাধীদের দায়মুক্তির কোনো সুযোগ নেই। যত সময়ই পেরিয়ে যাক, ভুক্তভোগীদের অধিকার হারিয়ে যাবে না।’ ২০১১ সালে সিরিয়ায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়। সরকার কঠোরভাবে বিক্ষোভ দমন করলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। এতে আধাসামরিক বাহিনী, জিহাদিবাদী গোষ্ঠী এবং বিদেশি শক্তিগুলো জড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাসের দেশ সিরিয়ায় যুদ্ধ ক্রমে সাম্প্রদায়িক রূপ নেয়। বানিয়াস ও বায়দায় হত্যাকাণ্ডকে প্রায়ই সংঘাতের এই সাম্প্রদায়িক মোড় নেওয়ার শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২৪ সালে ইসলামপন্থী একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতৃত্বে দ্রুত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে আসাদ সরকারের পতন ঘটে। পরে ওই গোষ্ঠীই দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করে। এর মধ্য দিয়ে সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটে। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের হিসাব অনুযায়ী, বায়দা ও বানিয়াসে নিহত মানুষের মোট সংখ্যা প্রায় ৪০০। কায়ালি তুরস্কের নাগরিক। ১৯৮২ সালে নিজ দেশে কারাগার থেকে পালিয়ে তিনি সিরিয়ায় চলে যান। পরে সেখানে আসাদ সরকারের মিত্র একটি আধাসামরিক বাহিনী গঠন করেন। সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কয়েক ডজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিচার শুরু হয়েছে গত এপ্রিল মাসে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা আহমেদ জেইদান কায়ালির গ্রেপ্তারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি কায়ালিকে একজন অপরাধী হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, সিরিয়ার যুদ্ধের সময় বায়দা ও বানিয়াসের হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন গণহত্যায় তিনি জড়িত ছিলেন। জেইদান আরও বলেন, ‘প্রত্যেক খুনি অপরাধীকে খুঁজে বের করা হবে।’ আরটিভি/এসকে
সিরিয়ায় আসাদ আমলের আধাসামরিক বাহিনীর নেতা কায়ালি গ্রেপ্তার 
ইয়েমেনে এবার প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ঢুকে পড়ল ৫ ক্ষেপণাস্ত্র, বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেনে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে আঘাত হেনেছে হুতি বিদ্রোহীরা।
ইয়েমেনে এবার প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ঢুকে পড়ল ৫ ক্ষেপণাস্ত্র, বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
তুরস্কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন জামায়াত আমির
তুরস্কের স্পিকারের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার বৈঠক
তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান