ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

নির্বাচনে ভোট টানতে নেতানিয়াহুর নতুন অস্ত্র এআই, চলছে ভুয়া ভিডিও প্রচার 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু । ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের আসন্ন সাধারণ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন দুনিয়ায়। ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিচ্ছে জনমত জরিপ। ভোটারদের প্রভাবিত করতে দুই পক্ষই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিও, ভুয়া প্রচারচিত্র (ডিপফেক) ও স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট (বট) ব্যবহার করছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর) নির্বাচন সামনে রেখে দুই শিবিরের প্রচারে প্রতিপক্ষ ক্ষমতায় এলে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ হবে—এমন বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে। এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ও সম্পাদিত ভিডিওতে নেতানিয়াহুর অতীতের ব্যর্থতা তুলে ধরা হচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী নেতাদের আরব দলগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে দেখানোর চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ইসরায়েলের উদারপন্থী দৈনিক হারেৎজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান সরকারকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে তৈরি কয়েক ডজন স্বয়ংক্রিয় অনলাইন অ্যাকাউন্টকে নেতানিয়াহু ও তার দল লিকুদের পক্ষে প্রচার চালাতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব অ্যাকাউন্টে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সতর্কবার্তাও ছড়ানো হচ্ছে।

নেতানিয়াহু ও তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিও ছড়াচ্ছেন। কিছু ভিডিওতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হামলার আগে নেতানিয়াহুর ভূমিকা ও ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য কিছু ভিডিওতে বিরোধী নেতাদের আরব দলগুলোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। নির্বাচনে এসব দল প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরব-অধ্যুষিত যৌথ তালিকা জোটের হিব্রু ভাষার প্রচার বিভাগের পরিচালক মরিসিও লাপচিক বলেন, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর, বিশেষ করে লিকুদের, অর্থ ও প্রযুক্তিগত সামর্থ্য অনেক বেশি। প্রযুক্তির ব্যবহার নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় বৈষম্য আরও বাড়াচ্ছে। তবে তাদের কাছে প্রচারের মূল বার্তাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ভোটারদের নজরদারিতে নতুন প্রযুক্তি

নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আনতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ছে।

লিকুদ আগে ‘ইলেক্টর’ নামের একটি অ্যাপ ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছিল। অ্যাপটি ভোটের দিন ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তবে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি এর ব্যবহারে বিধিনিষেধ দেয়।

এর পরিবর্তে লিকুদ ‘ভিক্টরি ২’ নামের নতুন একটি অ্যাপ ব্যবহার করবে বলে হারেৎজ জানিয়েছে। এই অ্যাপে ভোটারদের পরিচয় সরাসরি দেখা যায় না। তবে কোন এলাকায় ভোটার উপস্থিতি কম, তা শনাক্ত করে সেখানে প্রচারকর্মীদের পাঠানো সম্ভব হবে। তারা ভোট দেওয়া ব্যক্তিদের নাম হাতে লিখে রাখতে পারবেন এবং যারা ভোট দেননি, তাদের ভোট দিতে উৎসাহিত করতে পারবেন।

অ্যালগরিদম, গণনাযোগ্যতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণারত সেবাস্তিয়ান বেন ড্যানিয়েল বলেন, ইলেক্টরের মতো কর্মসূচি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বর্তমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতার তুলনায় খুবই সাধারণ। তার মতে, এ ধরনের প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য ইসরায়েল একটি বিশেষ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আগে থেকেই নজরদারির আওতায় থাকায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে গোপনীয়তার উদ্বেগ রয়েছে।

কৃত্রিম ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিতর্কের জন্ম দেন। ভিডিওতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, একজন বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ থেকে সহিংসভাবে টেনে নিয়ে যেতে দেখা যায়। সরকারের বিচারিক নজরদারি কমানোর প্রচেষ্টার বিরোধিতা করায় তারা প্রায়ই কট্টর ডানপন্থীদের সমালোচনার লক্ষ্য হন।

এর আগে নেতানিয়াহুর শেয়ার করা আরেকটি কৃত্রিম ভিডিওতে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকোটকে এমন এক ব্যক্তির দিকে দৌড়ে যেতে দেখা যায়, যাকে অনেকে তার নিহত ছেলে গালের মতো মনে করেন। গাল গাজায় যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সময় নিহত হন। ভিডিওতে আইজেনকোট ওই ব্যক্তিকে পাশ কাটিয়ে আরব দল রা’আমের নেতা মানসুর আব্বাসকে আলিঙ্গন করেন। পরে নেতানিয়াহুর শিবির জানায়, ভিডিওর চরিত্রটি আইজেনকোটের ছেলেকে বোঝানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়নি। এরপর পুরুষ চরিত্রটির জায়গায় নারী চরিত্র বসানো হয়।

কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের শেয়ার করা আরেকটি ভিডিওতে গাজার মানুষকে গাধারূপে দেখানো হয় এবং তাদের প্যারিসের দিকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য তুলে ধরা হয়। বেন-গভির গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় অন্যত্র চলে যাওয়া’র নামে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

বাড়ছে রাজনৈতিক বিভাজন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু ও বেন-গভিরের প্রচারে স্বয়ংক্রিয় অনলাইন অ্যাকাউন্টের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্য। এসব প্রচারের মাধ্যমে সমর্থকদের আরও সংগঠিত করা এবং প্রতিপক্ষের সমর্থকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।

এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ভোটার আচরণবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রোই জুর বলেন, অনলাইন প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অ্যালগরিদম ও তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর করা হচ্ছে। এতে বিরোধী শিবিরের প্রতি মানুষের বিরূপ মনোভাব বাড়তে পারে।

তার মতে, ছোট দলগুলোর সাফল্য ও ভোটার উপস্থিতির ওপর নির্বাচনের ফল নির্ভর করতে পারে। তাই সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আনাও প্রচারের বড় লক্ষ্য।

জুর বলেন, তেল আবিব ও হাইফার মতো বড় ধর্মনিরপেক্ষ শহরে সাধারণত ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে জেরুজালেম ও বনি ব্রাকের মতো অতি-ধর্মীয় ইহুদি জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি—এমন এলাকায় উপস্থিতি প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ। ফলে ভোটারদের প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য বিপদের কথা তুলে ধরে ভোট দিতে উৎসাহিত করাও প্রচারের অংশ হয়ে উঠেছে।

নির্বাচনের আগে প্রযুক্তিনির্ভর প্রচার, ভুয়া ভিডিও ও ভোটারদের তথ্য ব্যবহারের এই প্রতিযোগিতা ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুই সপ্তাহ পর খুলছে রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর
হামলার কারণে প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে নতুন টার্মিনাল ব্যবস্থায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এএফপি খবর অনুযায়ী, এক্স পোস্টে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘২৫ অক্টোবর থেকে কিং খালেদ বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-১ এবং সৌদির এয়ারলাইন্স কর্তৃক পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-২ ব্যবহার করা হবে।’ ইয়েমেনের হুথিরা রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে গত দুই সপ্তাহে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। এতে এই বিমানবন্দরে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় আরও অন্তত পাঁচজনের প্রাণ গেছে। এমন পরিস্থিতিতেই রিয়াদ বিমানবন্দর চালু করতে যাচ্ছে দেশটি। এদিকে, ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামের মোট ১৪১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৩ জন। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে শুক্রবার ২৩ অক্টোবর রাত পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৬৬টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৭৫টি ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল। সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৯টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি  ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।  এসব যাত্রীদের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রানজিট নিয়ে রিয়াদ ও দাম্মাম যাওয়ার কথা ছিল। তবে স্ব স্ব দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ঢাকা থেকে কোনো যাত্রী বহন করেনি তারা। আরটিভি/টিআর
দুই সপ্তাহ পর খুলছে রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর
হঠাৎ বিক্ষোভে কাঁপছে নেতানিয়াহুর সরকার!
আগামী মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন। এর মাত্র তিনদিন বাকি থাকতে হোস্টেজেস স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন ইসরায়েলের বিরোধী দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতারাও।
হঠাৎ বিক্ষোভে কাঁপছে নেতানিয়াহুর সরকার!
ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
নতুন হুমকিতে ট্রাম্প বলেছেন, রোববার (২৫ অক্টোবর) ইরানের সঙ্গে ‘বড় চুক্তি’; নয়তো আবারও হামলা। 
ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
১২ বছরের অপেক্ষার পর অন্তঃসত্ত্বা, যমজ সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু
দীর্ঘ একযুগ অপেক্ষার পর যমজ সন্তানের মা হয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারওয়া আহমেদ আল আমিন বখিত। কিন্তু সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান ৩৬ বছর বয়সী এই নারী।  গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর আজমানের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মারওয়ার যমজ ছেলে ফাহদ ও ফাহেদের জন্ম হয়। প্রথম সন্তানকে কোলে নেওয়ার সুযোগ পেলেও দ্বিতীয় সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় জটিলতা দেখা দেয়। পরে হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাসহ গুরুতর শারীরিক জটিলতায় তার মৃত্যু হয়। মারওয়ার স্বামী ওসমান আহমেদ মোহাম্মদ আল মাক্কি জানান, সন্তান জন্মের আগে স্ত্রীকে সুস্থ মনে হয়েছিল। হঠাৎ তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে হারাতে হয়। মাকে হারানো দুই নবজাতকের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন অনিশ্চয়তা, তখন পাশে দাঁড়িয়েছে দুবাই পুলিশ। মৃত মারওয়ার স্বামী ও ছোট বোনকে চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি।  জন্মের পর দুই শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন তাদের খালা। আবুধাবিতে নিজের পাঁচ সন্তানের সঙ্গে এখন এই দুই নবজাতককেও লালনপালন করছেন তিনি। আজমানে থাকা বাবা কয়েক দিন পরপর সন্তানদের দেখতে যান। মারওয়ার পরিবার ও দুবাই পুলিশের সম্পর্ক প্রায় পাঁচ দশকের। ১৯৭৯ সালে তার বাবা পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে বাবার মৃত্যুর পর পরিবারকে সহায়তা করতে ১৯৯৩ সালে তার মাকেও চাকরি দেয় পুলিশ। পরে ক্যানসারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়।  ২০১৬ সালে মায়ের মৃত্যুর পর মারওয়া নিজেই দুবাই পুলিশের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগ দেন এবং পরিবারের প্রধান উপার্জনকারীতে পরিণত হন। এবার স্বামী ও ছোট বোনকে চাকরির প্রস্তাব দিয়ে পরিবারটির আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে দুবাই পুলিশ।  সংস্থাটির সদস্যরা হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা, দাফন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কাজেও সহায়তা করেছেন। মারওয়ার স্বামীর ভাষ্য, শোকের এই সময়ে দুবাই পুলিশের সহায়তা তাদের জন্য বড় ভরসা হয়ে উঠেছে। আরটিভি/এসআর  
১২ বছরের অপেক্ষার পর অন্তঃসত্ত্বা, যমজ সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু
জর্ডানে গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ৭
জর্ডানের মধ্যাঞ্চলে একটি গির্জায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন। 
জর্ডানে গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ৭
আরও পড়ুন
এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওবামার কড়া আক্রমণ
এআই দিয়ে লেখা বইয়ের জন্য নতুন সাহিত্য পুরস্কার চালু
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিলেন ট্রাম্প
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা