ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মালদ্বীপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২২, ০১:০৮ পিএম

মালদ্বীপের রাজধানী মালের মাফান্নু এলাকার একটি গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাংলাদেশিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সময় বুধবার (৯ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৯ জনই ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে।মালদ্বীপের সংবাদমাধ্যম সান এ তথ্য জানিয়েছে।

মালদ্বীপের ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (এমএনডিএফ) ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৯ জন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, মালে শহরের মাফান্নু এলাকার ইস্কান্দার মাগুতে অবস্থিত সেনরোজ নামের একটি বাসার গ্যারেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ভবনটিতে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার কর্মীরা থাকতেন। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। কয়েকঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বলা হচ্ছে হতাহতের হিসাবে এটি মালদ্বীপে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের একটি।

এদিকে ঘটনাস্থলসহ মালদ্বীপের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনের প্রথম সচিব মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ ও কল্যাণ সহকারী মামুন পাঠান।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন শি জিনপিং
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এক বার্তায় তিনি সবার প্রতি এ শুভেচ্ছা জানান। নিম্নে বার্তাটি হুবহু তুলে ধরা হলো। কমরেড, বন্ধুগণ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন। ২০২৩ সাল আসন্ন। আমি বেইজিং থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই। ২০২২ সালে আমরা সফলভাবে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) বিংশ জাতীয় কংগ্রেস আয়োজন করেছি, সার্বিক সমাজতান্ত্রিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমরা চীনা বৈশিষ্ট্যময় আধুনিক চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবন জোরদার করবো। এখন নতুন যুগে পরিশ্রমের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। চীন বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক সত্তা। চীনের অর্থনীতি স্থিতিশীলভাবে উন্নত হচ্ছে। এ বছর চীনের জিডিপি ১২০ ট্রিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের মুখে চীনের খাদ্যশস্য উত্পাদনের পরিমাণ টানা ১৯ বছর ধরে অটুট রয়েছে। চীনা মানুষের খাদ্যের নিশ্চয়তা রয়েছে। আমরা দারিদ্র্যমোচনের সাফল্য জোরদার করেছি এবং সার্বিকভাবে গ্রামীণ পুনরুত্থান পরিকল্পনা চালু করেছি। আমরা কর হ্রাসসহ ধারাবাহিক নানান ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা সমাধান করছি। বিশেষ করে, জনগণের জরুরি ও প্রত্যাশিত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।   কোভিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়লে চীন বরাবরই জনগণ ও জীবনের ওপর সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। আমরা বিজ্ঞানসম্মত ও মহামারি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়েছি এবং বাস্তব অবস্থা অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সমন্বয় করে সর্বাধিক মাত্রায় জনজীবন ও স্বাস্থ্য রক্ষা করেছি। অসংখ্য ক্যাডার ও নাগরিক, বিশেষ করে চিকিত্সক ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীরা সাহসের সঙ্গে অভূতপূর্ব কঠিন পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ প্রতিরোধ করেছে। যা সহজ কাজ ছিল না। বর্তমানে মহামারি প্রতিরোধের নতুন পর্যায়ে এসেছে। তবে আরও কঠিনতা দেখা যাচ্ছে। সবাইকে দৃঢ় পরিশ্রম করতে হবে। ভোর আমাদের সামনে। সবাই আরো পরিশ্রম করে, জোর দিয়ে সাফল্য অর্জন করবে। একতাই হলো সাফল্য। ২০২২ সালে কমরেড চিয়াং চ্য মিন আমাদের ছেড়ে গেছেন। আমরা গভীরভাবে তাঁর মহা সাফল্য ও মহান চেতনা স্মরণ করি। আমাদেরকে তাঁর অন্তিম ইচ্ছা লালন করতে হবে এবং নতুন যুগে চীনা বৈশিষ্ট্যময় সমাজতান্ত্রিক চেতনা সামনে এগিয়ে নিতে হবে। ইতিহাসের দীর্ঘ নদীর ঢেউ প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে চীনা মানুষের অব্যাহত পরিশ্রমের হাত ধরে বর্তমান চীন গড়ে উঠেছে।   আজকের চীন ধারাবাহিক স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছে। বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক গেমস ও প্রতিবন্ধী অলিম্পিক গেমস সফলভাবে আয়োজন করা হয়েছে। খেলোয়াড়রা গর্বিত সাফল্য অর্জন করেছে। শেনচৌ ১৩, ১৪, ১৫ নং মহাকাশযান মহাকাশে পৌঁছে গেছে। বিরাট চীনা মহাকাশ স্টেশন তৈরি হয়েছে। আমাদের মহাকাশের বাসস্থান গঠন করা হয়েছে। এ বছর চীনা মুক্তি ফৌজের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী। ব্যাপক সেনারা শক্তিশালী বাহিনী গঠনের জন্য পরিশ্রম করছেন। তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী চালু হয়েছে, প্রথম সি৯১৯ বড় বিমান হস্তান্তর হয়েছে, পাই হ্য থান জলবিদ্যুত কেন্দ্র সর্বোচ্চ উত্পাদন শুরু করেছে। এসব সাফল্য অসংখ্য চীনা মানুষের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে গড়ে উঠেছে। আর, কিছু কিছু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দিয়েই মশাল জ্বালানো যায়। এটাই হলো চীনা শক্তি।   আজকের চীন প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ চীন। বিভিন্ন অবাধ বাণিজ্যিক পরীক্ষামূলক এলাকা এবং হাইনান অবাধ বাণিজ্য বন্দর নির্মিত হয়েছে। উপকূলীয় এলাকা আলাদাভাবে উন্নত হচ্ছে। পশ্চিম-মধ্যাঞ্চলে উন্নয়ন দ্রুততর হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পুনরুজ্জীবন শুরু হয়েছে। সীমান্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবন আরো সমৃদ্ধ হয়েছে। চীনা অর্থনীতি অস্থিতিশীল, সুপ্তশক্তি বিরাট, চালিকাশক্তি প্রচুর, স্থায়ী উন্নয়নের পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তন হয় নি। আমাদের আস্থা জোরদার করে স্থিতিশীলভাবে উন্নত হতে হবে, এতে অবশ্যই নির্দিষ্ট লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা যাবে। এ বছর আমি হংকংয়ে গিয়েছিলাম। হংকংয়ের প্রশাসন থেকে সমৃদ্ধ পরিবর্তন দেখে আমি গভীর আনন্দিত। দৃঢ়ভাবে ‘এক দেশ, দুই সামাজিক ব্যবস্থা’ বাস্তবায়ন করলে হংকং ও ম্যাকাওয়ে অবশ্যই স্থায়ী সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা আসবে।   বর্তমান চীন জাতীয় চেতনা বজায় রাখা একটি দেশ। এ বছর সংঘটিত ভূমিকম্প, বন্যা, খরা, পাহাড়ে আগুনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও কিছু দুর্ঘটনা আমাদের কষ্ট দিয়েছে। তবে, অন্যকে বাঁচানোর জন্য নিজের জীবন বিসর্জন দেওয়ার বিষয় আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। বীরদেরকে আমরা আজীবন মনে রাখব। যখন নতুন বছর আসে, তখনই চীনা জাতির হাজার বছরের উত্তরাধিকারের চেতনা মনে পড়ে। যা আমাদেরকে সামনে অগ্রসরের সাহস দেয়।   আজকের চীন ঘনিষ্ঠভাবে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের চীন। এ বছর আমার বেইজিংয়ে অনেক নতুন ও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা করেছি এবং বিদেশ সফর করেছি। আমি নানা দেশে চীনা প্রস্তাব ব্যাখ্যা করেছি। শত বছরে পরিবর্তনের গতি দ্রুত হয়ে উঠছে। বিশ্ব এখন অশান্ত। আমরা বরাবরই শান্তি ও উন্নয়নকে মূল্যায়ন করি। আমরা বন্ধু ও অংশীদারদের মূল্যায়ন করি এবং দৃঢ়ভাবে ইতিহাসের সঠিক পথে ও মানবসভ্যতার অগ্রগতির দিকে থাকি। আমরা মানবজাতির শান্তি ও উন্নয়নের জন্য চীনা বুদ্ধি ও চীনা পরিকল্পনার যোগান দেই।   সিপিসি’র বিংশ জাতীয় কংগ্রেসের পর আমি বয়স্ক কমরেডদের সঙ্গে ইয়ান’আনে গিয়েছিলাম। সেখানে সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটি মানবজাতির দুর্লভ কঠিনতাকে পরাজিত করার ইতিহাস পুনরায় অনুভব করেছি এবং আগের প্রজন্মের সিপিসি’র সদস্যদের আত্মার শক্তি অনুভব করেছি। আমি সবসময় বলি, কঠিন ও চ্যালেঞ্জ আমাদেরকে গড়ে তুলেছে। সিপিসি শত বছরের সাহস দিয়ে পরিশ্রম করে চীনের আরো সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলেছে। আগামীকাল চীন পরিশ্রমের মাধ্যমে অবশ্যই বিস্ময় সৃষ্টি করবে। চীনের প্রাচীন বিখ্যাত কবি সু শি বলেছিলেন, সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ সমাধান করতে হবে এবং সবচেয়ে মহান লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হবে। কেবলমাত্র দীর্ঘ পথেই গন্তব্যে পৌঁছানো যায়। কেবলমাত্র কঠিন বিষয়েই সফলতা থাকে। আমাদেরকে সাহস ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিশ্রম করতে হবে। এক ধাপ এক ধাপ করে হাজার কিলোমিটার যাওয়া যায়। অবশ্যই মহান লক্ষ্য সুন্দর বাস্তবে পরিণত হবে।   আগামীকাল চীনের শক্তি একতা থেকে আসবে। বিশাল চীনে বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন চাহিদা আছে। একই ইস্যুতে বিভিন্ন মত রয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। যোগাযোগ ও পরামর্শের মাধ্যমে একমত হতে হবে। ১৪০ কোটি চীনা মানুষ একই লক্ষ্যে একসঙ্গে পরিশ্রম করলে অবশ্যই কঠিন পথ পার হওয়া যাবে। দু’তীরের বাসিন্দারা একই পরিবারের সদস্য। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, দু’তীরের স্বদেশীরা একসঙ্গে চীনা জাতির স্থায়ী সুখ গড়ে তুলবেন।   যুবকরা আগামী চীনের আশা। যুবকদের উত্থান হলে দেশ সমৃদ্ধ হবে। চীনের উন্নয়ন যুবকদের ওপর নির্ভর করে। যুবকরা প্রাণপ্রাচুর্যে পূর্ণ। যুবকদের বুক ভরা আশা আছে। অসংখ্য যুবকের প্রণয়বন্ধন ও পরিশ্রম যুগ ও সময়কে সফল করে তুলবে।   এখন আরো বেশি মানুষ তাদের কাজে ব্যস্ত। নতুন বছরের ঘণ্টা বাজাবে। চলুন, আমরা ভবিষ্যতের সুন্দর আশা দিয়ে একসঙ্গে ২০২৩ সালের প্রথম সূর্যকে স্বাগত জানাই। মাতৃভূমির সমৃদ্ধি ও স্বাচ্ছন্দ্য, দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা এবং বিশ্বের শান্তি, সৌন্দর্য, ও সুখ কামনা করি। সবাইকে আবারও নববর্ষের শুভেচ্ছা। সবার আশা পূরণ হোক। ধন্যবাদ।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন শি জিনপিং
জাপান সাগরে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
বছরের শেষ দিন জাপান সাগরে উত্তর কোরিয়া তিনটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয় বলে জানিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর আলজাজিরার।   এ বিষয়ে  জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সকাল ৮টার দিকে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এরপর সোয়া ৮টার দিকে একটি এবং এর কয়েক মিনিট পর আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। আগেই আশপাশে বিমান এবং জাহাজগুলোকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। যে কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।   উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের শহরতলী থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৬২ মাইল উচ্চতায় উঠে এগুলো ২১৭ মাইল উড়ে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জাপান সাগরে পড়লেও এর অবস্থান ছিল দেশটির অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে।  
জাপান সাগরে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
লাওসের নতুন প্রধানমন্ত্রী সোনেক্সে সিফানডোন
লাওসের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সোনেক্সে সিফানডোন। স্বাস্থ্যগত কারণে শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) ফানখাম বিফাভানের পদত্যাগের পর একই দিন লাওশিয়ান আইনপ্রণেতারা সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী সিফানডোনকে তাদের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভোটের মাধ্যমে বেছে নেয়।  প্রধানমন্ত্রী সোনেক্সে সিফানডোন জাতীয় সংসদে ১৫১টির মধ্যে ১৪৯টি ভোট পেয়ে কমিউনিস্ট এ দেশটির নেতৃত্বে এসেছেন। ক্ষমতা গ্রহণকালে সিফানডোন বলেন, আমি বিপ্লবী চেতনাকে উচ্চতর স্তরে উন্নীত করব।  গত বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির দায়িত্ব নিয়েছিলেন ফানখাম বিফাভান। কিন্তু স্বাস্থ্যগত কারণে শুক্রবার তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। 
লাওসের নতুন প্রধানমন্ত্রী সোনেক্সে সিফানডোন
কম্বোডিয়ায় ক্যাসিনোতে আগুন, নিহত ১০  
কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী শহর পোয়েপেটে একটি হোটেল-ক্যাসিনো ভবনে আগুন লেগে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।   এ ঘটনায় কম্বোডিয়ান পুলিশের একটি রিপোর্টের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, স্থানীয় সময় বুধবার আনুমানিক সাড়ে ১১টায় দেশটির থাইল্যান্ডের সঙ্গে লাগোয়া সীমান্তে পোয়েপেট শহরের গ্র্যান্ড ডায়মন্ড সিটি হোটেল-ক্যাসিনোতে আগুন লাগে। পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১০ জন মারা গেছে এবং ৩০ জন আহত হয়েছে। সংবাদমাধ্যম নম পেন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, পোয়েপেট নগর প্রশাসনের প্রধান এনহেম ফোয়েং বলেন, বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে। ক্যাসিনোতে বেশির ভাগ কম্বোডিয়ান ও থাই কর্মচারী মারা গেছে।   এ ছাড়া আহতদের থাইল্যান্ডের পার্শ্ববর্তী সা কাইও প্রদেশের অরণ্যপ্রথেত শহরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে থাইল্যান্ড থেকে অগ্নিনির্বাপক যান এবং জরুরি কর্মী পাঠানো হয়েছে। সূত্র : আলজাজিরা
কম্বোডিয়ায় ক্যাসিনোতে আগুন, নিহত ১০  
জাপানে ব্যাপক তুষারপাতে ১৭ জনের মৃত্যু
জাপানের উত্তরাঞ্চলসহ দেশটির বিস্তীর্ণ অংশে ব্যাপক তুষারপাতে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুষারপাতের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। খবর সিএনএন। গত সপ্তাহ থেকে জাপানের উত্তরাঞ্চলে ভারী তুষারপাত শুরু হয়। পরে যা দেশটির অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। তুষারপাতের কারণে মহাসড়কে শত শত যানবাহন আটকে পড়েছে। বিতরণ পরিষেবাগুলো বিলম্বিত হচ্ছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানত পশ্চিম উপকূল বরাবর অঞ্চলসহ জাপানের কিছু অংশ শক্তিশালী শীতকালীন আবহাওয়ার কারণে ভারী তুষারপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। জাপানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, বড়দিনের সপ্তাহে সোমবার সকাল পর্যন্ত এই তুষারপাতে ১৭ জন মারা গেছেন। আহতের সংখ্যা ৯৩-এ পৌঁছেছে। আহত ও নিহতদের মধ্যে অনেকেই ছাদ থেকে বরফ সরানোর সময় পড়ে গিয়েছিলেন। আবার অনেকে ছাদ থেকে পিছলে যাওয়া বরফের ঘন স্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন। ব্যাপক তুষারপাতে জাপানের উত্তরের প্রধান দ্বীপে বৈদ্যুতিক পাওয়ার ট্রান্সমিশন টাওয়ার ভেঙে পড়েছে। আর তাই ক্রিসমাসের সকালে প্রায় ২০ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন ছিল। যদিও জাপানের অর্থনীতি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বলছে, দিনের পরবর্তী সময়ে বেশির ভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়। জাপানের আবহাওয়া সংস্থা  জানায়, দেশের কিছু অংশে তুষারপাত গড় পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি স্তরে জমেছে। উত্তর-পূর্ব জাপানের অনেক অংশে মৌসুমের তিনগুণ বেশি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
জাপানে ব্যাপক তুষারপাতে ১৭ জনের মৃত্যু
আরও পড়ুন
যেভাবে কাটবে ভিকি-ক্যাটরিনার প্রথম বিবাহবার্ষিকী
কাতারে বিশ্বকাপ ফ্যান ভিলেজের কাছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
তাজরীন ট্র্যাজেডি মামলা, ১০ বছরেও শেষ হয়নি তদন্ত
গাজায় শরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ আগুন, শিশুসহ নিহত ২১