ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিবর্তন আসছে যুক্তরাজ্যের ৪শ বছরের রাজ মুকুটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১৪ পিএম

যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক আগামী বছরের ৬ মে অনুষ্ঠিত হবে। চার্লসের অভিষেকের আগে ১৭ শতকে তৈরি সেন্ট এডওয়ার্ড রাজ মুকুটটিতে পরিবর্তনের কাজ (মডিফাইয়িং ওয়ার্ক) করা হবে। খবর এএফপির।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) যুক্তরাজ্যের বাকিংহ্যাম প্যালেসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ৬ মে ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেকের আগে খাঁটি স্বর্ণ, রুবির আবরণযুক্ত, মণি, নীলকান্তমণি, পোখরাজ, টুম্যালিন খচিত মুকুটটিতে সামান্য পরিবর্তনের কাজ করা হবে।’

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বেঁচে থাকার সময় তার মাথায় ছিল অন্য আরেকটি মুকুট। সেটি ছিল রানির মুকুট। ওই সময় ১৭ শতকের রাজ্যাভিষেকের মুকুটটি লন্ডন টাওয়ারে সংরক্ষিত ছিল। দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা যাওয়ার পর এবং তৃতীয় চার্লস রাজা হওয়ার পর মুকুটটি লন্ডন ব্রিজ থেকে নিয়ে আসা হয়।

রাজা তৃতীয় চার্লস যে মুকুটটি পরিধান করবেন সেটির ওপরের অংশটি বেগুনি রঙের। এটির উচ্চতা (৩০ সেন্টি মিটার) এক ফুট। মুকুটটি বেশ ভারী। এর আগে সর্বশেষবার মুকুটটি পরেছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ১৯৫৩ সালে নিজের রাজ্যাভিষেকের দিন এটি মাথায় দিয়েছিলেন তিনি।

২০২৩ সালের ৬ মে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে স্ত্রী রানি কনসোর্ট ক্যামিলয়ারও রাজ্যাভিষেক হবে। ওই অনুষ্ঠানের পর ৮ মে যুক্তরাজ্যে সরকারি ছুটি থাকবে।

এদিকে এ মুকুটটি ১৬৬১ সালে রাজা দ্বিতীয় চার্লসের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। মধ্যযুগের রাজা এডওয়ার্ড দ্য কনফেসের আমলে থাকা মুকুটটি বদলে ফেলতে নতুন মুকুট তৈরি করা হয়।

১৬৬১ সালে তৈরিকৃত মুকুটটি পরবর্তী চারশ বছর শুধুমাত্র রাজ্যাভিষেকের সময় মাথায় পরিধান করেছেন রাজা এবং রানিরা। কারণ মুকুটটি অনেক ভারী ছিল। ১৯১১ সালে রাজা পঞ্চম জর্জের অভিষেকের আগে মুকুটটি হালকা করতে কিছু পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু তবুও এখনো এটির ওজন ২.২৩ কেজি।

রাজা তৃতীয় চার্লসও শুধুমাত্র অভিষেকের দিন এটি মাথায় দেবেন। এরপর তিনি অন্যান্য দিন ইম্পেরিয়াল স্টেট মুকুট পরিধান করবেন। দুই হাজার হিরার টুকরা খচিত এ মুকুটটি ১৯৩৭ সালে রাজা ষষ্ঠ চার্লসের রাজ্যাভিষেকের আগে তৈরি করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে ৯৬ বছর বয়সে মারা যান রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এর সঙ্গে সঙ্গেই যুক্তরাজ্যের নতুন রাজা হন তৎকালীন প্রিন্স চার্লস।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জার্মানিতে ডায়রিয়ার ওষুধ উধাও 
ডায়রিয়া প্রতিরোধের অন্যতম ওষুধ ইলোট্রান্স জার্মানির বাজার থেকে প্রায় উধাও। ফার্মাসিস্টরা বলছেন, হ্যাংওভার কাটাতে এই ওষুধ সবথেকে বেশি কাজ করে, সামাজিক মাধ্যমে এ ধরনের বার্তা ছড়িয়ে পড়ায় ইলোট্রান্স পাওয়া যাচ্ছে না। জার্মানির ফার্মাসিস্টদের সংগঠন ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্মান অ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড সদস্য স্টেফান ফিঙ্ক বলেন, বিপুল চাহিদার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ইলোট্রান্স বর্তমানে অনেক পাইকারের কাছ থেকে পাওয়া যায় না, যার মানে ওষুধের দোকানেও এর দেখা মেলে না। কিন্তু অনলাইনে দিব্যি এই ওষুধ পাওয়া যায়। জার্মান ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এসটিএডিএ জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুত করে বেশ নাম কামিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব টিকটক এবং ইনস্টাগ্রামে দাবি করেছে যে, ইলোট্রান্স হ্যাংওভার বা নেশা কাটানোর অন্যতম হাতিয়ার। ফিঙ্কের ধারণা, সত্যিই একটি বড়সড় যোগাযোগ আছে। সুনির্দিষ্টভাবে এই ওষুধটির ঘাটতি শুরু হয়েছিল চলতি বছরের গরমকালেই। ইলোট্রান্সের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এবং অনলাইন রিভিউতে অনেকে লেখেন, বড় কোনো পার্টি থাকলে তার আগে এই ওষুধটি খাওয়া যেতে পারে। কয়েক সপ্তাহ আগে, এই ওষুধের উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল এসটিএডিএ। ফিঙ্ক বলেন, হ্যাংওভার কাটাতে ওই ওষুধ খুঁজছেন সবাই। অনেকে কিনে রেখে দিচ্ছেন। ফলে শিশু এবং দূরের পর্যটকরা যারা পেটের সমস্যায় ভোগেন, তারা রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন।
জার্মানিতে ডায়রিয়ার ওষুধ উধাও 
মরক্কো-ফ্রান্স সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে বিশ্ব ফুটবলের আসরে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আফ্রিকান দেশ মরক্কো। এই জয়ের উদযাপনে মাতে পুরো বিশ্ব।  ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেও এই জয় উদযাপন করছিল মরক্কোর সমর্থকরা। ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত হলে তাদের সঙ্গে উদযাপনে যোগ দেয় ইংলিশদের হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নেওয়া ফরাসি সমর্থকরা। কিন্তু এই উদযাপন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কিছুক্ষণ পরে তাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এতে শুরু হয় ত্রিমুখী সংঘর্ষ। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে ফ্রান্সের বিখ্যাত প্যারিসিয়ান অ্যাভিনিউয়ের সামনে জয় উদযাপন করতে থাকেন। তাদের সতর্ক করে হুইসেল বাজায় পুলিশের সদস্যরা। কিন্তু সতর্কবার্তা এড়িয়ে ফ্রেঞ্চ ও মরক্কোর সমর্থকরা উদযাপন করতে থাকলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ত্রিমুখী সংঘর্ষ বাধে। এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ায় দুই দলের সমর্থকরা বিজয় উদযাপন করছিল। তারা পতাকা নেড়ে স্লোগান দিচ্ছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। একপর্যায় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। রয়টার্সের টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মরক্কো-ফ্রান্স সমর্থকরা দোকান ভাঙচুর করছে। পুলিশের সঙ্গে মারামারি করছে। চ্যাম্পস এলিসিসের কাছাকাছি অ্যাভিনিউ ডি ফ্রিডল্যান্ডে আগুনও দেখা যায়। সূত্র : রয়টার্স 
মরক্কো-ফ্রান্স সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ
পুতিনের সমালোচনাকারীরা পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার
এ বছর শান্তিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে বেলারুশের মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী বিয়ালিয়াৎস্কি এবং রুশ মানবাধিকার সংস্থা মেমোরিয়াল ও ইউক্রেনীয় মানবাধিকার সংস্থা সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিজ।   শনিবার (১০ ডিসেম্বর) নরওয়ের রাজধানী অসলোতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নোবেল পুরস্কার।  বেলারুশের বিয়ালিয়াৎস্কি কারাগারে থাকায় তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন এই মানবাধিকার কর্মীর স্ত্রী। নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্তরা ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য পুতিনের সমালোচনাকারী হিসেবে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেমোরিয়ালের পক্ষ থেকে রাচিনস্কি দাবি করেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের উন্মাদ ও অন্যায় যুদ্ধকে আদর্শিক ও ন্যায্যতার চাদর পরানো হচ্ছে।
পুতিনের সমালোচনাকারীরা পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার
পর্তুগালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
পর্তুগালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ আবু কায়েস (৩৮) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। দেশটির স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায়।  জানা গেছে, পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে একটি রাস্তার পাশ ধরে হাটছিলেন আবু কায়েস। ওই সময় একটি পিকআপ পেছন থেকে তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও একটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাক মৃত ঘোষণা করেন।  আরও জানা যায়, গত ১০ নভেম্বর কৃষি ভিসায় পর্তুগালে পাড়ি জমান মোহাম্মদ আবু কায়েস। দেশটিতে আসার এক মাসের মাথায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে হয়েছে তাকে। বাংলাদেশে স্ত্রী ছাড়াও কায়েসের ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে। তার অকাল মৃত্যুতে লিসবন, পোর্তো পুরো পর্তুগাল বাংলাদেশ কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পর্তুগালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
ফিনল্যান্ডের মৃতপ্রায় শহরে ফের আশার আলো
নৈরাশ্যবাদের মাধ্যমে ভালো কিছু করে দেখানো কি সম্ভব? ফিনল্যান্ডের এক শহরের কিছু মানুষ নিজস্ব অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নৈরাশ্যবাদ ও হাস্যরসের মাধ্যমে গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছেন। ফিনল্যান্ডের মাঝের অংশে মৃতপ্রায় ছোট শহর পুয়োলাংকা। এখনও প্রায় ২,৪০০ মানুষ সেখানে টিকে আছেন। বেশির ভাগের বয়স ষাটের ওপরে। তরুণরা সব চলে যাচ্ছে। কিছুকাল আগে শহরের একটি পানশালা বন্ধ হয়ে গেছে। একটি দোকানের শুধু দুটি চেয়ার অবশিষ্ট রয়েছে। তার ওপর শহরের বাইরে সতর্কতাবাণী জারি করা হয়েছে। বোর্ডে লেখা আছে, ‘আপনারা এবার পুয়োলাংকায় পৌঁছাচ্ছেন। চাইলে গাড়ি ঘুরিয়ে নিতে পারেন।’ শুধু এই দুজন ভিটেমাটির প্রতি আনুগত্য ত্যাগ করতে প্রস্তুত নন। ওস্কারি ও সান্তেরি স্থানীয় নৈরাশ্যবাদী সংঘের সদস্য। কারণ তাদের মতে, নৈরাশ্যের মধ্যেই নাকি নতুন সূচনার সুযোগ লুকিয়ে থাকে। পুয়োলাংকা পেসিমিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সান্তেরি রাকামা বলেন, পুয়োলংকার পুনর্জাগরণ যে আর ঘটবে না, আমরা সেই বাস্তব মেনে নিয়েছি। কিন্তু মৃতপ্রায় শহর নিয়ে আমাদের মনে মোটেই দুঃখ নেই। আমরা হাস্যরসের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সেটা দেখছি। আমরা চাই মানুষ সেটা নিয়ে হাসুক। সংঘের আর এক সদস্য ওস্কারি হাপালাইনেন মনে করেন, কে বলেছে, নৈরাশ্যবাদীদের সব সময়ে এমন দেখতে হবে! কোনো নৈরাশ্যবাদীর মুখে কেন হাসি ফুটবে না? এই নৈরাশ্যবাদীরাই কিন্তু পুয়োলাংকায় কিছুটা আশা ফিরিয়ে এনেছেন। শুধু তাদের ‘পেসিমিস্ট ক্যাফে’-তেই ভিড় হচ্ছে না, পাশের দোকানেও পর্যটকরা নৈরাশ্যবাদী বার্তা লেখা টি-শার্ট ও পিন কিনছেন। ওস্কারি ও তার বন্ধুরা আত্মপরিহাস ভরা মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমেও নিজেদের শহরের পরিচিতি ছড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে পুয়োলাংকা ফিনল্যান্ডে যাকে বলে ‘কাল্ট স্ট্যাটাস’ অর্জন করেছে। ফিনল্যান্ডের নিজস্ব হাস্যরস সম্পর্কে অনেকেই সন্তুষ্ট। এক ব্যক্তি দোকানের একটি টিশার্ট দেখিয়ে বলেন, এই টি-শার্টের ওপর লেখা আছে– আজ আমি রেগে আছি। সেটাই স্বাভাবিক। পেনশন দপ্তর আমাকে জানিয়েছে যে আমার অবসর ভাতা তিন শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ মাসে পুরো দুই ইউরো বেশি পাব। বাস্তব পরিস্থিতি শহরের ভবিষ্যতের জন্য একেবারেই ইতিবাচক নয়। ১৯৮০-র দশক থেকে জনসংখ্যা কমে প্রায় অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর আরও মানুষ চলে যাচ্ছেন। এখনও স্কুল, কিন্ডারগার্টেন ও এক বৃদ্ধাবাস টিকে রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কে ফিনল্যান্ডের জঙ্গলের গভীরে এমন এক জায়গায় বাস করতে প্রস্তুত? শহরের মেয়র হারি পেলটোলা অবশ্য মনে করেন, যে আশপাশের প্রকৃতি সত্যি খুব সুন্দর। নৈরাশ্যবাদীদের প্রচার অভিযান তার শহরের পরিচিতি বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে শহরের জনসংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করবে বলে তিনি নিশ্চিত। হারি বলেন, আরও বেশি মানুষ নির্মল প্রকৃতির টানে এমন এলাকায় বাস করতে চাইবেন, যেখানে জায়গারও অভাব নেই বলে আমার বিশ্বাস। আমাদের এখানে যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। ব্যক্তি প্রতি এক বর্গ কিলোমিটার। প্রতিবেশী নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। ওস্কারি ও সান্তেরির মতে, পুয়োলংকাবাসীরা সবচেয়ে সন্তুষ্ট মানুষদের অন্যতম। মনে রাখতে হবে, ফিনল্যান্ড কিন্তু পর পর পাঁচবার বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে। সান্তেরি মনে করেন, নৈরাশ্যবাদের সঙ্গে দিব্যি খাপ খেয়ে যায়। এখানকার মানুষের বেশি প্রত্যাশা নেই, অল্পেই খুশি। পুয়োলংকা পেসিমিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ওস্কারি হাপালাইনেন বলেন, সত্যি যদি আমাদের গুরুতর সমস্যা থাকতো, তাহলে আমরা নিশ্চয় নৈরাশ্যবাদ নিয়ে মস্করা করতাম না। তখন অন্য বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হতো। নৈরাশ্যবাদই শহরের ট্রেডমার্ক হয়ে উঠেছে। এভাবে পুয়োলাংকা শহরকে বিলুপ্তি থেকে রক্ষা করা যাবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তবে আশাবাদ ও হাস্যরস সম্বল করে বাসিন্দারা সেই চেষ্টা করে দেখিয়েছেন।
ফিনল্যান্ডের মৃতপ্রায় শহরে ফের আশার আলো
আরও পড়ুন
১৮ বছর পর দেখা মিলল সেই সোনিয়ার!
রোহিঙ্গাদের আরও সাড়ে ৪ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে যুক্তরাজ্য
যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় ৭০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান, নেই বাংলাদেশ
রাজা তৃতীয় চার্লসের ওপর ডিম নিক্ষেপ, যুবক আটক