ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

জার্মানিতে চাকরির বড় সুযোগ, আবেদন করতে পারবেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ইউরোপের অন্যতম দেশ জার্মানিতে তৈরি হয়েছে বিপুল পরিমানের কর্মসংস্থানের সুযোগ। দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য বর্তমানে দেশটিতে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ পদ শূন্য রয়েছে।

যারা বিদেশে ক্যারিয়ার গড়া এবং ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য জার্মানি একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় গন্তব্য হতে পারে। বিশ্বখ্যাত অভিবাসন ও শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ওয়াই-অ্যাক্সিসের পরিচালক ক্লিন্ট খান এ তথ্যের কথা জানিয়েছেন।

দুবাইয়ের দুসিত থানি হোটেলে আয়োজিত ‘গালফ নিউজ লেভেলআপ’ সম্মেলনের এক ফায়ারসাইড চ্যাটে অংশ নিয়ে ক্লিন্ট খান জানান, বর্তমানে পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) প্রায় ৩০ লাখ দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন। এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ বা সাড়ে ছয় লাখ পদই খালি রয়েছে জার্মানিতে। এটিই প্রমাণ করে যে দেশটিতে আন্তর্জাতিক দক্ষ কর্মীদের চাহিদা কতটা ব্যাপক।

জার্মানিতে চাকরির সন্ধানে যাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ‘অপরচুনিটি কার্ড’ বা ‘চান্সেনকার্টে’। এটি মূলত চাকরি খোঁজার এক ধরনের বিশেষ আবাসিক অনুমতিপত্র। ইইউ-বহির্ভূত দেশের নাগরিকেরা নিজ দেশ থেকে চাকরির কোনো আগাম চুক্তি বা অফার লেটার ছাড়াই এই কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১২ মাসের জন্য জার্মানিতে থাকার সুযোগ পান।

ক্লিন্ট খান বলেন, ‘অপরচুনিটি কার্ড নিয়ে জার্মানিতে গিয়ে প্রথম দিকে খণ্ডকালীন কাজ করার সুযোগ থাকে। পরবর্তীতে পূর্ণকালীন চাকরি নিশ্চিত হলে এবং নিয়োগকর্তা স্পনসর করতে রাজি থাকলে স্থায়ী ওয়ার্ক পারমিটে আবেদন করা যায়।’ পয়েন্টভিত্তিক পদ্ধতিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা, বয়স এবং ভাষাগত দক্ষতার মূল্যায়ন করে এই কার্ড দেওয়া হয়।

আবেদন করতে পারবেন যারা

উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবীদের জন্য জার্মানিতে রয়েছে ‘ইইউ ব্লু কার্ড’। যোগ্যতার স্বীকৃতি ও নির্দিষ্ট বেতনের চাকরির প্রস্তাব থাকলে এই কার্ড পাওয়া যায়। ব্লু কার্ডধারীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে ২৭ মাসের মধ্যেই স্থায়ীভাবে বসবাসের (পিআর) সুযোগ পান। তবে আবেদনকারীর জার্মানি ভাষায় বি১ স্তরের দক্ষতা থাকলে এই সময় কমে মাত্র ২১ মাসে নেমে আসে।

অনেক সময় শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যত পরিকল্পনা ছাড়া কেবল বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে পড়াশোনাকে বেছে নেন। এ প্রসঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে ক্লিন্ট খান বলেন, বিদেশে যাওয়ার আগে লক্ষ্য ঠিক করা জরুরি। অর্থাৎ উদ্দেশ্য কি শুধুই পড়াশোনা করা, নাকি সেখানে স্থায়ী হওয়া? যদি মূল লক্ষ্য স্থায়ী বসবাস হয়, তবে কোর্স শেষ করার পর স্থায়ী হওয়ার পথ খোলা আছে কি না, তা শুরুতেই যাচাই করা উচিত।

তিনি আরও জানান, কেবল জার্মানি নয়; যারা পড়াশোনার বাইরে দক্ষ অভিবাসন বা স্কিলড মাইগ্রেশনের পথ খুঁজছেন, তাদের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাতেও চমৎকার সুযোগ রয়েছে। তবে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেদের বাজেট, যোগ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার পরামর্শ দেন এই বিশেষজ্ঞ।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাঙ্গা ঠেকাতে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি
ফ্রান্সে কয়েক বছরের মধ্যে ভয়াবহ দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনার পর রাজধানী প্যারিসের দুটি এলাকায় রাতভর কারফিউ জারি করেছে পুলিশ। 
দাঙ্গা ঠেকাতে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি
দাঙ্গায় জ্বলছে ফ্রান্স, আগুনের পাশেই মদপানে মত্ত দম্পতি
ফ্রান্সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, সহিংসতা ও লুটপাটের মধ্যে এক দম্পতির মদপানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। চারপাশে আগুন জ্বললেও প্যারিসের একটি দোকানের বাইরের টেবিলে বসে ওই দম্পতিকে নির্বিকারভাবে গল্প করতে ও ধূমপান করতে দেখা যায়। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের আইকনিক স্থাপনা আর্ক দ্য ত্রিয়োম্ফের কাছাকাছি একটি দোকানের বাইরে বসে সময় কাটাচ্ছেন ওই দম্পতি। তাদের ঠিক পেছনেই দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল। তবে আশপাশের ভয়াবহ পরিস্থিতি তাদের মধ্যে দৃশ্যত কোনো উদ্বেগ তৈরি করেনি। এদিকে প্যারিসে ধারণ করা আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন একটি রাস্তা দিয়ে এক নারী দৌড়ে যাচ্ছেন। এ সময় রাস্তায় জ্বলন্ত ই-বাইকের স্তূপ ও বিক্ষোভকারীদের পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যান তিনি। ফ্রান্সের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু প্যারিসেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮৫৫ জনকে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে সহিংস গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিলাসবহুল দোকানপাটেও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। রোববার(১৮ অক্টোবর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সহিংসতার নিন্দা জানান। তিনি এ পরিস্থিতির জন্য উগ্র বামপন্থী গোষ্ঠী ও অপরাধী চক্রগুলোকে দায়ী করেন। তবে সোমবার(১৯ অক্টোবর) তিন দিনের সফরে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন ম্যাক্রোঁ। সমালোচকদের কেউ কেউ তাকে ‘বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন’ ও ‘অহংকারী’ বলে আখ্যা দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সোমবার ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু প্যারিসের কয়েকটি এলাকা এবং দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইসহ বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করেন। ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় দেশটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট আরটিভি/এসকে
দাঙ্গায় জ্বলছে ফ্রান্স, আগুনের পাশেই মদপানে মত্ত দম্পতি
জ্বালানির দামে ক্ষোভ, ইউরোপে বাড়ছে কট্টর ডানপন্থীদের সমর্থন
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।
জ্বালানির দামে ক্ষোভ, ইউরোপে বাড়ছে কট্টর ডানপন্থীদের সমর্থন
রাশিয়ার হুমকি, ১০ লাখ স্থলমাইন কিনতে চায় ফিনল্যান্ড
রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক হুমকি মোকাবিলায় ১০ লাখ স্থলমাইন কিনতে চায় ফিনল্যান্ড।
রাশিয়ার হুমকি, ১০ লাখ স্থলমাইন কিনতে চায় ফিনল্যান্ড
ফ্রান্সের বিক্ষোভে বাংলাদেশিদের দোকানে হরিলুট
ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। 
ফ্রান্সের বিক্ষোভে বাংলাদেশিদের দোকানে হরিলুট
আরও পড়ুন
মাদরাসা ও মানবিক বিভাগে পড়েও জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন ইবি শিক্ষার্থী জাহিদ
কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে রোবট জব্দ
নর্ড স্ট্রিম বিস্ফোরণ: জার্মানির আদালতে ইউক্রেনের সাবেক সেনা কর্মকর্তা
রোবট দিয়ে কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ