ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

এক ধাক্কায় ১৬ স্যাটেলাইট হারাল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশ মিশনে বড় হোঁচট খেয়েছে ভারত। দেশটির পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকলের (পিএসএলভি) ১৬টি স্যাটেলাইট বহনকারী মিশন সি-৬২ উৎক্ষেপণের পর অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। এতে এক ধাক্কায় ১৬ স্যাটেলাইট হারাল ভারত। এর মধ্যে ইওএস-এন১ এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) উন্নত একটি গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ‘অন্বেষা’ও ছিল।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) জানায়, রকেটের তৃতীয় ধাপে একটি বিচ্যুতি লক্ষ্য করা গেছে।

ইসরোর চেয়ারম্যান ড. ভি নারায়ণন বলেন, আমরা প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করছি। যত দ্রুত সম্ভব বিস্তারিত জানানো হবে। তবে মিশনটি সফল নাকি ব্যর্থ, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। পিএসএলভির ৬৪তম মিশন পিএসএলভি-সি৬২ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ইসরোর তথ্য অনুযায়ী, উৎক্ষেপণের পর প্রথম কয়েক মিনিট সব ঠিকঠাক ছিল। চার ধাপবিশিষ্ট পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকলের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ স্বাভাবিকভাবে কাজ করেছে। তবে তৃতীয় ধাপে সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় রকেটের গতিপথে একটি বিচ্যুতি লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত পিএসএলভির তৃতীয় ধাপে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা প্রায় সম্পূর্ণ মিশন ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পিএসএলভি-সি৬২-কে লঞ্চ ভেহিকলটির ‘কামব্যাক’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ২০২৫ সালে পিএসএলভির মাধ্যমে মাত্র একটি রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, সেটিও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। সেই ব্যর্থতাও রকেটের তৃতীয় ধাপেই ঘটেছিল বলে সে সময় জানিয়েছিল ইসরো। পিএসএলভি-সি৬২-তে মোট ১৬টি উপগ্রহ বহন করা হচ্ছিল।

আরটিভি/কেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পুলিশ সেজে ট্রেনে জরিমানা আদায়, টাকা না পেয়ে ট্রেন থেকে যাত্রীকে ধাক্কা
ভারতের বিহারে পুলিশ, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ) ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) কর্মকর্তা সেজে ট্রেনে যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে রোহিত তিওয়ারি নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সেজে ট্রেনে জরিমানা আদায়, টাকা না পেয়ে ট্রেন থেকে যাত্রীকে ধাক্কা
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
জুরিখ থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদ্যপ অবস্থায় থাকায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ সেপ্টেম্বরের জুরিখ-দিল্লি ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হয়। সুইজারল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএকে (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন) জানালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে জানা গেছে, জুরিখ বিমানবন্দরে ওই পাইলটের প্রাথমিক ব্রেথ অ্যানালাইজার পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এরপরই তাকে ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য তাকে পাঠানো হয় এবং সাধারণ যাত্রী হিসেবে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। চূড়ান্ত মেডিকেল প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাইলটটি সাময়িক বরখাস্ত থাকবেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এয়ার ইন্ডিয়ার ক্রুদের মদ্যপান ও মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার পর পাইলট ও ক্রুদের ওপর নজরদারি এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদের গন্ধ পাওয়ায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সম্প্রতি মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় আরেক পাইলটকে চাকরিচ্যুত করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। গত বছরের জুনে আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর পাইলটদের নিরাপত্তা বিধি ও পেশাগত আচরণ নিয়ে আরও কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। দায়িত্ব পালনের আগে অ্যালকোহল বা নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের বিরুদ্ধে সব পাইলটকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে সংস্থাটির ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগ। আরটিভি/এসকে
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
ভারতের দক্ষিণ দিল্লির আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ছুরি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্টে (এফআইআর)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এফআইআরের বরাতে জানা যায়, গত সোমবার জন্মদিনে বান্ধবীর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিলেন ওই কিশোরী। কালকাজি মন্দির ঘুরে বিকাল পৌনে ছয়টা নাগাদ তারা পাশেই ইসকন মন্দিরে যাওয়ার আগে আস্থা কুঞ্জ পার্কের একটি বেঞ্চে বসেন।  রাত সাতটার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি হঠাৎ তার বন্ধুকে ধরে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে এলাকাটি ফাঁকা করতে বলে। কিশোরীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের একজন বন্ধুকে পার্কের অন্য কোনায় সরিয়ে নিয়ে যায়। একা পেয়ে কিশোরীটি আকুতি জানিয়ে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে আসিফ নামের এক অভিযুক্তকে উদ্দেশ করে অন্য একজন বলে ওঠে, ‘আসিফ ভাই, বন্দুক বের করো।’ কিশোরী পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায়, সে আমাকে একটি কালো রঙের বন্দুক দেখিয়ে আবার পকেটে রেখে দেয়। তারপর দুজনই ছুরি বের করে আমাকে একটি অন্ধকার জায়গায় নিয়ে যায়। পার্কের বেঞ্চে আসিফ তার গলায় ছুরি ধরে প্রথমে ধর্ষণ করে এবং হেমু নামের অপর অভিযুক্তকে পাহারা দিতে বলে। এরপর তাকে পর্যায়ক্রমে হেমন্ত ও মুকেশ নামের অন্য দুই অভিযুক্তও ধর্ষণ করে। অভিযুক্তদের আসল নাম আসিফ, হেমন্ত (হেমু) ও মুকেশ (দিপু)। তাদের মধ্যে হেমন্ত ও মুকেশ দুই ভাই। ধর্ষণের পর কিশোরী ও তার বন্ধুকে হত্যার হুমকি দিয়ে মোবাইল ফোন ফেরত দেয়। এরপর তাকে পার্ক থেকে বের করে দেয় তারা। পার্ক থেকে বের হয়ে বন্ধুকে পুরো ঘটনা জানালে সে জরুরি সেবা নম্বরে (পিসিআর) কল করে এবং পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। ঘটনার পর আসিফ ওখলা সবজি বাজারে গিয়ে নিজের মোবাইল বন্ধ করে বাইকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মঙ্গলবার এক বন্দুকযুদ্ধের পর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  অন্যদিকে হেমন্ত ও মুকেশ প্রমাণ মেটাতে নিজেদের পোশাক ধুয়ে ফেলে এবং পরবর্তী সময়ে শ্রীনিবাসপুরীর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতে ‘জনাব’-এর মতো পুলিশি শব্দ ব্যবহার করেছিল। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরটিভি/এসআর
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
কাজীদের ক্ষমতা শেষ, ভারতে মুসলিমদের বিয়ে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত!
আসামে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির নিয়মে বড় পরিবর্তন আনল রাজ্য সরকার। এখন থেকে মুসলিমদের বিয়ে সরকারি রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হচ্ছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে আসাম মুসলিম বিবাহ নথিভুক্তি বাধ্যতামূলক বিধিমালা ২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির ক্ষেত্রে কাজীদের পুরোনো ভূমিকা পুরোপুরি শেষ হয়ে সরকারি ব্যবস্থার আওতায় আসছে পুরো প্রক্রিয়া।  মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, রাজ্যজুড়ে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির জন্য একই ধরনের সরকারি ব্যবস্থা চালু করা হবে। সরকারি রেজিস্ট্রাররাই এই দায়িত্ব পালন করবেন। বিয়ের নথিভুক্তির আবেদন বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও রেজিস্ট্রার নিয়োগ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।  আসাম সরকার ২০২৪ সালে মুসলিম বিবাহ ও বিচ্ছেদ বাধ্যতামূলক নথিভুক্তি আইন চালু করেছিল। সেই আইনের মাধ্যমে কাজীদের হাতে থাকা মুসলিম বিয়ে নথিভুক্ত করার ক্ষমতা তুলে নেওয়া হয়।  তবে নতুন করে দায়িত্ব কার হাতে থাকবে, সে বিষয়ে তখন বিস্তারিত ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়নি।  এবার ২০২৬ সালের বিধিমালা অনুমোদনের মাধ্যমে সেই দায়িত্ব সরকারি রেজিস্ট্রারদের হাতে দেওয়া হলো। নতুন ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য মুসলিম বিয়েকে সরকারি নথির আওতায় আনা এবং বাল্য বিয়ে বিবাহ করা। ২০২৪ সালের আইনে মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং ছেলেদের বয়স অন্তত ২১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিয়ে নথিভুক্তির সময় বয়স, পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি ছেলে ও মেয়ের স্বেচ্ছায় বিয়েতে সম্মতির ঘোষণাপত্রও প্রয়োজন হবে।     আসামে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির ইতিহাস অবশ্য আরও পুরোনো। ১৯৩৫ সালের আসাম মুসলিম বিবাহ ও বিচ্ছেদ নথিভুক্তি আইনে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল না। পরে ২০১০ সালে সেই আইনে পরিবর্তন এনে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে তখনও নথিভুক্তির দায়িত্ব কাজীদের হাতেই ছিল।  ২০২৪ সালের নতুন আইনে কাজীদের সেই ক্ষমতা তুলে নেওয়া হলেও সরকারি ব্যবস্থায় কীভাবে নথিভুক্তি হবে, তা নিয়ে একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। এবার মন্ত্রিসভার অনুমোদিত নতুন বিধিমালায় সেই ব্যবস্থাই স্পষ্ট করা হয়েছে।  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় মুসলিম বিয়ের সরকারি নথি আরও সুশৃঙ্খল হবে। একই সঙ্গে বয়স যাচাই এবং পরিচয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে নাবালিকা বিয়ে ঠেকাতেও প্রশাসনের পক্ষে নজরদারি সহজ হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে ধর্মীয়ভাবে প্রচলিত প্রথার পাশাপাশি সরকারি নথিভুক্তির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল।  বিয়ে নথিভুক্তির জন্য সরকারি রেজিস্ট্রারের কাছে আবেদন করতে হবে এবং নির্ধারিত নথি ও বয়সের শর্ত পূরণ করতে হবে। আসাম সরকারের নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর রাজ্যের মুসলিম সমাজে বিয়ে নথিভুক্তির পুরো প্রক্রিয়াই সরকারি প্রশাসনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে চলে যাবে। কাজীদের মাধ্যমে নথিভুক্তির পুরোনো ব্যবস্থা আর থাকবে না। আরটিভি/এসআর
কাজীদের ক্ষমতা শেষ, ভারতে মুসলিমদের বিয়ে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত!
আম্বানির ছেলেকে অধ্যাপক বানিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে যুক্তরাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয়
ভারতে বিতর্কিত ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা চালানো এবং কোটিপতি ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানিকে টেকসই উন্নয়নবিষয়ক অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটি।
আম্বানির ছেলেকে অধ্যাপক বানিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে যুক্তরাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয়
আরও পড়ুন
পুলিশ সেজে ট্রেনে জরিমানা আদায়, টাকা না পেয়ে ট্রেন থেকে যাত্রীকে ধাক্কা
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
কাজীদের ক্ষমতা শেষ, ভারতে মুসলিমদের বিয়ে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত!
আম্বানির ছেলেকে অধ্যাপক বানিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে যুক্তরাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয়