ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ‘ঘনিষ্ঠতা’ নিয়ে প্রশ্নে যা বলল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
ফাইল ছবি

জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই এক ধরনের টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ। অন্যদিকে গত প্রায় দেড় বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কে। পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান এই ঘনিষ্ঠতায় ব্যাপক উদ্বেগবোধ করছে নয়াদিল্লি।

এ অবস্থায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় আবারও আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশ নিয়ে। সেখানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। পরে সেই প্রশ্নগুলোর লিখিত উত্তর পাঠ করে শোনান দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। খবর এনডিটিভির।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোকসভায় প্রশ্ন তোলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ মুহূর্তে স্পর্শকাতর সম্পর্ক চলছে কিনা এবং পাকিস্তান এটির সুযোগ নিচ্ছে কিনা, যা তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

জবাবে কীর্তি বর্ধন বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত গভীর ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সম্পর্ক; এমনকি আমাদের সামাজিক বন্ধনও অভিন্ন। আমাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় নিয়মিত বিভিন্ন বৈঠক ও পারস্পরিক মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।

পাকিস্তান কোনো সুযোগ নিচ্ছে কিনা— এই প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অন্য দেশগুলোর থেকে স্বাধীন।

এছাড়া, বাংলাদেশের যেসব জায়গায় ভারতের জাতীয় স্বার্থ রয়েছে সেগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং স্বার্থগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সংসদে আরও এক প্রশ্ন রাখা হয়— বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে (কথিত) প্রকাশ্যে হত্যার ব্যাপারে ভারত সরকার কোনো আলোচনা করেছে কিনা।

জবাবে কীর্তি বর্ধন বলেন, ভারত ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকসহ সকল প্রাসঙ্গিক পরিবেশে উত্থাপন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই বিষয়টি তুলেছেন এবং গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বিষয়টি আলোচনা করেছেন।

ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে এরপর জিজ্ঞাসা করা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান জোটের বিষয়টি ভারত সরকার আমলে নিয়েছে কিনা। কারণ এই দেশগুলোর সঙ্গেই ভারতের সবচেয়ে বেশি সীমানা রয়েছে। যদি এটি আমলে নেওয়া হয়েও থাকে, তাহলে এ থেকে উদ্ভূত সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে সরকার কী করছে?

জবাবে কীর্তি বর্ধন বলেন, সরকার ভারতের নিরাপত্তা ও অর্থনীতি সংক্রান্ত স্বার্থের ওপর সার্বক্ষণিক নজর এবং এগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এর মধ্যে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর বিষয়ও আছে।

‘সবার আগে প্রতিবেশি’ এ নীতি অনুযায়ী ভারত সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া, নিজস্ব নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ভারত সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় ভারত, জানালেন জয়সওয়াল
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দুই দেশের বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত রয়েছে নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।  তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের সাধারণ অবস্থান হলো—ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখা। এ সম্পর্ককে ইতিবাচক দিকে এগিয়ে নেওয়াই ভারতের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে কোনো নতুন তথ্য থাকলে তা জানানো হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে মুখপাত্র আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মধ্যেই সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভারত প্রস্তুত। প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশের যোগাযোগ রয়েছে। ভারতের বহুপক্ষীয় বিমান মহড়া ‘তরঙ্গ শক্তি’তে বাংলাদেশের সি-১৩০জে পরিবহন বিমান অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গেও ভারতের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।  জবাবে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভারতের মূল অবস্থান অপরিবর্তিত—নয়াদিল্লি একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায়। আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় ভারত, জানালেন জয়সওয়াল
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের
নিজের সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ার অপরাধে নিজের জন্মদাতা মা-বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করার পরিকল্পনা করেছেন ২৭ বছর বয়সী এক ভারতীয় তরুণ।  মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী রাফায়েল স্যামুয়েল জানান, শিশুদের পৃথিবীতে নিয়ে আসা অনুচিত, কারণ পরবর্তীতে তাদের সারা জীবন ধরে বহু কষ্ট ও ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। রাফায়েল স্যামুয়েল বিষয়টি অনুধাবন করেন যে জন্মের আগে কারও সম্মতি নেওয়া বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব। তবে তার মতে, জন্ম নেওয়াটা তো আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ছিল না। তাই যেহেতু তিনি বা অন্য কেউ স্বেচ্ছায় জন্ম নিতে চায়নি, সেহেতু আজীবন বেঁচে থাকার সব ধরনের খরচ মা-বাবারই বহন করা উচিত বলে যুক্তি দেন তিনি। সাধারণ কোনো পরিবারে এমন অযৌক্তিক দাবি সম্পর্কের ইতি ঘটাতে পারত, তবে পেশায় আইনজীবী রাফায়েলের মা-বাবার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিপরীত। তারা বিষয়টিকে হাস্যরসাত্মক ও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।  রাফায়েলের মা কবিতা কার্নাড স্যামুয়েল এক বিবৃতিতে জানান, আমি আমার ছেলের সাহসের প্রশংসা করি যে মা-বাবা দুজনই আইনজীবী জেনেও সে আমাদের আদালতে নেওয়ার কথা ভাবছে। ও যদি কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারে যে আমরা কীভাবে জন্মের আগে তার সম্মতি নিতে পারতাম, তবে আমি আমার ভুল স্বীকার করে নেব। স্যামুয়েলের এই ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা মূলত ‘অ্যান্টি-ন্যাটালিজম’ বা ‘জন্মবিরোধিতা’ দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই দর্শনের অনুসারীদের মতে, মানবজীবন নানা দুঃখ-কষ্টে পূর্ণ; তাই মানুষের সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। এতে ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা সার্বিকভাবে এই গ্রহ এবং অন্যান্য পশুপাখির বেঁচে থাকার জন্য অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এক বছর আগে ‘নিহিলানন্দ’ (Nihilanand) নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে নিজের বেশ কিছু ডিজিটাল পোস্টার ছড়িয়ে দেন রাফায়েল। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একটি শিশুকে এই পৃথিবীতে আসতে বাধ্য করা এবং ক্যারিয়ার গড়তে চাপ দেওয়া কি অপহরণ বা দাসত্বের শামিল নয়? তবে মা-বাবার সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই বলে জানান স্যামুয়েল। তিনি জানান, তার জীবন বেশ ভালোই কাটছে এবং তিনি বিষণ্ণ নন। তবে তিনি মনে করেন, মানুষের অস্তিত্ব ছাড়া পৃথিবী আরও সুন্দর হতে পারত। যদিও কোনো বিচারক এই মামলা গ্রহণ করবেন না বলে তিনি জানেন, তবুও এই বিষয়ে বৈশ্বিক জনসচেতনতা ও আলোচনা তৈরির লক্ষ্যেই তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে চান বলে জানান। আরটিভি/এসআর  
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের
ভারতে ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ওপর হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ল বানর, অতঃপর...
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কোপ্পাল জেলায় বাড়ির সামনে বানরের হামলায় ৯১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।
ভারতে ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ওপর হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ল বানর, অতঃপর...
ভারতে মুসলিমদের নিয়ে বিজেপি নেতার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
সম্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের রাজধানী ভোপালে এক জনসভায় বিজেপি বিধায়ক রামেশ্বর শর্মা কথিত ‘লাভ জিহাদ’ (হিন্দু নারীদের ধর্মান্তরিত করার কাল্পনিক অভিযোগ) অজুহাতে বলেছেন, মুসলিম যুবকদের একা একা গরবা অনুষ্ঠানে আসা উচিত নয়। তারা যদি আসতেই চায়, তবে নিজেদের পরিবারের বোন ও মেয়েদেরও সঙ্গে নিয়ে আসুক। আমাদের ছেলেরাও প্রস্তুত রয়েছে। বিধায়কের এই কথার পরেই সভাস্থলে থাকা তার সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। বিজেপি বিধায়কের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভারতের রাজনৈতিক মহলে ঝড় উঠেছে।  ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এবং এআইএমআইএম এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে চরম ধর্মীয় মেরুকরণ সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি কুরুচিকর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিবাদের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ ও নেটিজেনরা বিধায়কের এই বক্তব্যকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন।  তাদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে নারীদের সম্মানকে কার্যত সামাজিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার এক কুরুচিকর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা চরম লিঙ্গবৈষম্যমূলক ও অবমাননাকর। ভোপাল সেন্ট্রালের কংগ্রেস বিধায়ক আরিফ মাসুদ অত্যন্ত কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রামেশ্বর শর্মার এই মন্তব্য অত্যন্ত নোংরা ও জঘন্য। আমি কেবল এটুকুই বলব—নিজের স্বভাব শুধরে নিন। মুখ থেকে এমন নোংরা কথা উগড়ানো বন্ধ করুন। প্রথমত, সাধারণ মুসলমানেরা গরবা অনুষ্ঠানে যায় না, গরবার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। যে ধরণের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা চরম আপত্তিকর। অন্যদিকে, এআইএমআইএম-এর মধ্যপ্রদেশ সভাপতি মহসিন আলী খান তীব্র আক্রমণ চালিয়ে বিধায়ককে দেশের সংবিধান পড়ার পরামর্শ দেন।  তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরণের উসকানিমূলক বক্তব্য দেশ ভাগ করার চক্রান্ত। রামেশ্বর শর্মা যদি মুসলমানদের নিজেদের বোন ও মেয়েদের গরবায় আনার কথা বলেন, তবে বিজেপির নিজস্ব মুসলিম নেতারা—যেমন শাহনেওয়াজ হোসেন বা সৈয়দ জাফর ইসলামরা কি তাদের নিজেদের বোন-মেয়েদের গরবা অনুষ্ঠানে নিয়ে যাবেন? আরটিভি/এসআর
ভারতে মুসলিমদের নিয়ে বিজেপি নেতার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
‘এটা কি আইফোন ১৮?’, জিজ্ঞেস করেই নারীর ফোন নিয়ে পালালো ছিনতাইকারী
ভারতের গ্রেটার নয়ডা ওয়েস্টে ই-রিকশায় চেপে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় এক নারীর হাত থেকে ৩ দিন আগে কেনা আইফোন ছিনতাই করেছে দুই ছিনতাইকারী।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে এনডিটিভি। ভুক্তভোগী শুভি ভান্ডারি ই-রিকশার ভাড়া অনলাইনে পরিশোধ করার জন্য ফোনটি হাতে বের করলে, হেলমেট পরা দুই বাইক আরোহী তার কাছে আসে। প্রথমে তারা রাস্তার দিক জানতে চায় এবং পরে ‘এটা কি নতুন আইফোন?’ বলে প্রশ্ন করে। শুভি ইতিবাচক উত্তর দেওয়ার পরপরই একজন তার হাত থেকে ফোনটি থাবা মেরে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। শুভির স্বামী সাকেত গুপ্ত জানান, আইফোন ১৮ প্রো মডেলের ফোনটি মাত্র ৩ দিন আগে কেনা হয়েছিল। ঘটনার পর পরিবারটি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে এবং সকালে প্রধান সড়কগুলোতে পুলিশি টহল কম থাকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। ভুক্তভোগীর বাবার আবেদনের ভিত্তিতে একটি অনলাইন এফআইআর নথিবদ্ধ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। বিসরাখ থানার ওসি রঞ্জিত সিং জানান, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
‘এটা কি আইফোন ১৮?’, জিজ্ঞেস করেই নারীর ফোন নিয়ে পালালো ছিনতাইকারী
আরও পড়ুন
১৮০ দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনার অগ্রগতি প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ
জামায়াতকে ইসলামাবাদ অভিমুখে 'লং মার্চ' স্থগিতের অনুরোধ শেহবাজের
প্রধানমন্ত্রীর মানবিক বাংলাদেশ গড়ার পাঠ
তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে পাকিস্তানি জামায়াতের ট্রেনমার্চ