ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

পশ্চিমবঙ্গে পুলিশের গাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেন ‘বাংলাদেশি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে পুলিশের গাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন দুই বাংলাদেশি। একজনকে ধরা গেলেও অন্যজন পালিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জে। পলাতক আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তর করে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন- আনারুল শেখ এবং মোহাম্মদ রুবেল শেখ। তারা বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা নাগাদ ওই দুইজনসহ মোট পাঁচ আসামিকে নিয়ে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতের উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে কিছু কাগজপত্রের জেরক্স করানোর জন্য এক পুলিশ সদস্য গাড়ি থেকে নামেন। সেই সুযোগেই দুই বাংলাদেশি আসামি পুলিশের গাড়ি থেকে চম্পট দেয়।

ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তল্লাশি। কিছুক্ষণের মধ্যেই এক পলাতক আসামিকে খুঁজে পায় পুলিশ। তবে মোহাম্মদ রুবেল শেখ খড়খড়ি নদী পার হয়ে গোপালনগর এলাকার একটি জঙ্গলে ঢুকে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরপর থেকেই জঙ্গল ঘিরে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে জঙ্গলের ভিতরে পলাতক বাংলাদেশি আসামির খোঁজ চলছে। একবার স্থানীয় বাসিন্দারাও জঙ্গলের মধ্যে রুবেলকে দেখতে পান বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ পৌঁছনোর আগেই ফের জঙ্গলের ভিতরে গা-ঢাকা দেয় সে।

কীভাবে দুই আসামি পুলিশের নিরাপত্তা এড়িয়ে গাড়ি থেকে পালাল, সেই ঘটনায় কোনো অবহেলা ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি পলাতক মোহাম্মদ রুবেল শেখকে ধরতে জঙ্গলের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালাচ্ছে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাচার সোনা চুরি করে গাড়ি কিনে উদ্বোধনে তাকেই ডাকলেন ভাতিজা
চাচার বাড়ি থেকে স্বর্ণের গহনা চুরি করে সেই টাকায় মাহিন্দ্রা থার গাড়ি কিনে সেই চাচাকেই নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন সমর চ্যাভান নামের ১৯ বছরের এক তরুণ। ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার এক গ্রামে এই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সমরের চাচা উমেশ মারুতি চ্যাভানের বাড়িতে নতুন গাড়ির পূজার প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় সিন্দুক খুলে দেখা যায়, উমেশের স্ত্রীর প্রায় ১৫০ গ্রাম স্বর্ণের গহনা নেই। পরিবারের সবাই অবাক। বাড়ির ভিতরের খবর বাইরের কেউ জানার কথা নয় বলে সন্দেহ ঘনীভূত হয় পরিচিতদের ওপর। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামেন উপপুলিশ সুপার শ্রীকান্ত ঠিকানে ও তার দল। তদন্তকালে পুলিশের নজরে আসে সমরের হঠাৎ করে দামি গাড়ি কেনার বিষয়টি। ১৯ বছরের এক যুবকের হাতে এত টাকা কোথা থেকে এল এই প্রশ্ন থেকেই সন্দেহের তীর সমরের দিকেই যায়। জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে সমর চুরির কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, চাচার বাড়ি থেকে স্বর্ণের গহনা চুরি করে বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ রুপি পেয়েছেন। সেই টাকায়ই নতুন গাড়ি কেনেন। গল্পের সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ হলো গাড়ির পূজা। যে চাচার স্বর্ণ চুরির অভিযোগ উঠেছে, সেই চাচাকেই নতুন গাড়ির পূজায় নিমন্ত্রণ করেছিলেন সমর। তবে আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তদন্ত শেষে পুলিশ সমরকে গ্রেফতার করেছে। চুরি করা স্বর্ণ কেনার অভিযোগে এক স্বর্ণকারকেও আটক করা হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসআর  
চাচার সোনা চুরি করে গাড়ি কিনে উদ্বোধনে তাকেই ডাকলেন ভাতিজা
বাংলাদেশিদের গুলি করে মারার হুমকি বিজেপি বিধায়কের
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এবং ভারতের কোচবিহারের মেখলীগঞ্জ সীমান্তের সানিয়াজান নদীতে পাথর ও বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটে, সেটাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন এবং গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বিজেপি স্থানীয় বিধায়ক দধিরাম রায়। জানা গেছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তে গুলি বা স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বিএসএফ সচেষ্ট রয়েছে। কোনো বাংলাদেশি জিহাদি হোক আর যে-ই হোক, ইন্ডিয়ার মাটিতে পা রাখলেই তাদের গুলি করে দেওয়া হবে। কালকে কিছুটা তার প্রমাণ দেওয়া হয়েছে এবং এরপর থেকে বিএসএফ আরও সতর্ক।’ এছাড়া, তিনি দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং জিরো পয়েন্টে কড়াকড়ি আরোপের কথাও জানান। ওই ঘটনাী স্থানীয় বাংলাদেশি গ্রামবাসীদের দাবি, তারা নিজেদের ভূখণ্ডের সীমানার ভেতরে থেকেই নদীতে কাজ করছিলেন। উল্টো বিএসএফ মাঝেমধ্যেই জিরো লাইন বা নো-ম্যানস ল্যান্ডের কাছাকাছি এসে অযাচিতভাবে শক্তি প্রদর্শন করে এবং সাধারণ বাংলাদেশিদের ওপর চড়াও হয়। এ ঘটনায় বিজিবি-এর পক্ষ থেকে সীমান্তে কড়া নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিজিবি সূত্র ও সীমান্ত এলাকার দায়িত্বশীলরা জানান, ভারতীয় বাহিনীর এ ধরনের আগ্রাসী আচরণ এবং বিজেপি নেতার ‘গুলি করে মারার’ মতো প্রকাশ্য হুমকির বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। বিজিবি স্পষ্ট জানিয়েছে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকার নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে সীমান্তে টহল ও সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশিদের গুলি করে মারার হুমকি বিজেপি বিধায়কের
‘স্কুলে বোমা আছে’ জানিয়ে হঠাৎ ছাত্রীর ইমেইল, অতঃপর... 
ভারতের দিল্লিতে একটি স্কুলে বোমা রাখার হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠানোর অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
‘স্কুলে বোমা আছে’ জানিয়ে হঠাৎ ছাত্রীর ইমেইল, অতঃপর... 
বিমানে শৌচাগারের আয়নায় লেখা ছিল ‘ভেতরে বোমা আছে’, অতঃপর...
থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে ভারতের কলকাতায় আসা একটি বিমানের শৌচাগারের আয়নায় ‘বিমানের ভেতরে বোমা আছে’ লেখা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কেবিন ক্রুরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণের পর এই ঘটনা ঘটে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ তল্লাশির পরও বিমানে সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, লেখাটি নজরে আসার পরই কেবিন ক্রুরা তাৎক্ষণিকভাবে পাইলট এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান। এরপর দ্রুত বিমানটিকে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয় এবং যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।  পরে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ), বম্ব স্কোয়াড ও বিমানবন্দর পুলিশের যৌথ দল বিমানে তল্লাশি চালায়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পরও ভেতর থেকে কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার হয়নি। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, কেবল আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই কেউ এই ভুয়া হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে বিমানের যাত্রী তালিকা ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে শুক্রবারও কলকাতা বিমানবন্দরের ২৩ নম্বর গেটের কাছে নারীদের শৌচাগারে বোমা রাখার হুমকির একটি চিরকুট পাওয়া গিয়েছিল। পরপর দুই দিন এমন বোমাতঙ্কের ঘটনায় ওই বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আরটিভি/এসআর
বিমানে শৌচাগারের আয়নায় লেখা ছিল ‘ভেতরে বোমা আছে’, অতঃপর...
বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা
ভারতের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ায় বন্ধুকে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যস্ত সড়কে  গাড়িচাপা দেওয়ার পর লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মাথা থেঁতলে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন এক তরুণ।
বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা