
২০২০ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহনের ফলে উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলায় কারাগারে থাকা শারজিল ইমাম সাত দিনের অন্তর্বর্তী জামিনে তিহার কারাগার থেকে বের হয়েছেন। দিল্লির একটি আদালত তাকে এই সাময়িক জামিন দিয়েছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন কার্যকর থাকবে। দিল্লি ও বিহারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তার দুই চাচাতো ভাইয়ের বিয়েতে অংশ নেওয়ার জন্য তাকে এই জামিন দেওয়া হয়েছে।
কারকারদুমা আদালত শারজিলকে ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় আবার কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়েই তাকে কারাগারে ফিরতে হবে।
উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় করা মামলায় শারজিলের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা চলছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট একই মামলায় শারজিল ইমামের নিয়মিত জামিনের আবেদন খারিজ করেন। একই সঙ্গে মামলার আরেক আসামি উমর খালিদের নিয়মিত জামিনের আবেদনও নাকচ করা হয়।
ফলে সাত দিনের এই অন্তর্বর্তী জামিন শারজিলের জন্য সাময়িক স্বস্তি হলেও মামলার আইনি কার্যক্রম চলমান থাকবে। ১০ অক্টোবর জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তাকে আবার তিহার কারাগারে ফিরতে হবে।
উল্লেখ্য, শারজিল ইমাম ভারতের একজন শিক্ষার্থী ও ছাত্র আন্দোলনকারী। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। শারজিল ইমাম ২০১৯ সালের শেষ দিকে শুরু হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বিশেষ করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ওই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র: মিল্লাত টাইমস
আরটিভি/জেএমএ


