ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জয়সওয়াল বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যাবাসন একটি আইনি বিষয়। আমরা আগেও বলেছি এক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষৎমুখী সম্পর্ক চাই এবং এর ভিত্তিতেই আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভারতের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভী আর নেই
ভারতের প্রখ্যাত আলেম, সাহিত্যিক ও দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা লখনৌর মুহতামিম মাওলানা ড. সাঈদুর রহমান আজমি নদভী ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতসহ উপমহাদেশের ধর্মীয় ও শিক্ষাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে দ্বীনি শিক্ষা, আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং ধর্মীয়-সাহিত্যিক সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভী দীর্ঘদিন দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামার শিক্ষা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাধারা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। আনুমানিক ১৯৩৫ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের মউ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন মাওলানা সাঈদুর রহমান। ১৯৫২ সালে দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় ভর্তি হন তিনি। সেখানে মাওলানা সাইয়্যিদ আবুল হাসান আলী হাসানি নদভী (রহ.)-সহ সে সময়ের খ্যাতিমান আলেমদের সান্নিধ্যে শিক্ষা লাভ করেন। আরবি ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান। শিক্ষকতা ও ধর্মীয় শিক্ষাদানের পাশাপাশি লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বক্তা হিসেবেও তিনি পরিচিতি লাভ করেন। নদওয়াতুল উলামার ঐতিহ্যবাহী আরবি মাসিক ‘আল-বায়সুল ইসলামী’ পত্রিকার সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। লেখালেখি ও সম্পাদনার মাধ্যমে আরবি ভাষা, ইসলামি জ্ঞান এবং নদওয়াতুল উলামার চিন্তাধারা পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষা ও দ্বীনি সেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি ভাষা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট. ডিগ্রি প্রদান করে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের মে মাসে দীর্ঘদিনের শিক্ষা, দ্বীনি ও সাহিত্যিক অবদানের জন্য জয়পুরের জামিয়া হিদায়া তাকে আজীবন সম্মাননা দেয়। তার ইন্তেকালে আলেম, শিক্ষক, লেখক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন অনেকে। একই সঙ্গে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন তারা। আরটিভি/এসকে  
ভারতের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভী আর নেই
আবারও রাহুল-প্রিয়াংকাকে টেনেহিঁচড়ে বাসে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ
ভারতে অন্যায্যভাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তুমুল পর্যায়ে পৌঁছেছে বিক্ষোভ। দ্বিতীয় দিনের মতো এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষ নেতারা। তবে, আগের দিনের মতো এবারও কংগ্রেসের নেতৃস্থানীয় এই দুই ভাই-বোনকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাহুল ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পাশাপাশি আন্দোলনরত আরও অনেকজনকে টেনেহিঁচড়ে অপেক্ষমাণ পুলিশ বাসে তুলে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। । এর আগে, গতকাল মঙ্গলবারও (৬ অক্টোবর) একই ইস্যুতে অবস্থান ধর্মঘটে বসার পর গান্ধী পরিবারের এই ভাই-বোনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। বুধবার (৭ অক্টোবর) দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের চেষ্টা করলে আবারও বাধা দেয় পুলিশ। পূর্বানুমতি না নেওয়ার অজুহাতে তাদের আটকে দেওয়া হয়। এদিন দিল্লির একটি রেস্তোরাঁয় কৌশল নির্ধারণী মধ্যাহ্নভোজ শেষ করে সংসদ সদস্যরা যন্তরমন্তরের দিকে রওনা হলে পুলিশ রাস্তা অবরোধ করে। শুরুতে রাহুল গান্ধীসহ শীর্ষ নেতাদের একটি বাসে নিয়ে বসানো হয়। কিন্তু পুলিশ যখন অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের আটক করতে যায়, তখন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা বাস থেকে নেমে রাস্তার ওপরই বসে পড়েন। পুলিশ বারবার সরে যাওয়ার অনুরোধ জানালেও রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা রাস্তায় বসে অবস্থান অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাস্তায় শুয়ে পড়ে পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের সঙ্গে কি এভাবে আচরণ করা হয়? এটি নজিরবিহীন। আমরা এখান থেকে এক চুলও নড়বো না।’ পরবর্তীতে পুলিশ দুই ভাই-বোনকে টেনেহিঁচড়ে জোরপূর্বক বাসে তুলে থানায় নিয়ে যায়। আরটিভি/এসএইচএম
আবারও রাহুল-প্রিয়াংকাকে টেনেহিঁচড়ে বাসে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে নারীকে গণধর্ষণ
ভারতের গুজরাটে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে এক নারীকে শিকল দিয়ে বেঁধে আটকে রাখা, গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন এবং পরে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে নারীকে গণধর্ষণ
প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি, বধূকে প্রকাশ্যে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি
প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক বধূকে ‘শাস্তি’ ও ‘শুদ্ধকরণের’ নামে প্রকাশ্যে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ভারতের গুজরাটের সুরেন্দ্রনগরে ঘটেছে এ ঘটনা।
প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি, বধূকে প্রকাশ্যে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি
স্বামীকে হত্যা করে স্ত্রী বললেন হৃদরোগে মৃত্যু, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাট জেলায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে প্রেমিককে ডেকে এনে স্বামীকে পিটিয়ে ও ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর ‘হৃদরোগ’ বলে চালিয়ে দিয়েছিলেন স্ত্রী। তবে মৃতের নিজের মুঠোফোনে লুকিয়ে থাকা একটি চ্যাটের মাধ্যমে এই ঘটনার সত্যতা সামনে এসেছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে মিরাটের লোহিয়া নগর এলাকায়। নিহত যুবকের নাম তালিব (৩০)। চার বছর আগে পেশায় বিউটিশিয়ান ইলমার (২৭) সঙ্গে তার বিয়ে হয় এবং তাদের সংসারে তিন বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ঘটনার দিন ইলমা তার বড় ভাই আকরামকে জানান, কাজ থেকে ঘরে ফিরে তালিব হঠাৎ প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিছানায় ঢলে পড়েন তিনি এবং সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে।  আকস্মিক হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে ভেবে কোনো ধরনের সন্দেহ ছাড়াই শোকাহত পরিবার ধর্মীয় রীতি মেনে তালিবের মরদেহ দাফন সম্পন্ন করে। তবে দাফনের কিছুদিন পর থেকেই পরিবারের লোকজনের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে।  গত ১ অক্টোবর তালিবের চাচাতো ভাই রইস তথ্য খোঁজার উদ্দেশ্যে ইলমার বাড়িতে যান। তালিবের ব্যবহৃত মুঠোফোনটি অনেক খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছিল না; ইলমা কৌশলে সেটি কাপড়ের স্তূপের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন। তবে তল্লাশি চালিয়ে রইস ফোনটি উদ্ধার করেন। ফোনটির মেসেজ ঘাঁটতেই বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সত্য। সেখানে আমান নামের এক যুবকের সঙ্গে তালিবের তীব্র বাদানুবাদের চ্যাট দেখতে পান রইস, যেখানে তালিব স্পষ্টভাবে আমানকে তার স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ ও কথা বলতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছিলেন।  এই প্রমাণের ভিত্তিতে পরিবারের সদস্যরা ইলমাকে চাপ দিয়ে জেরা শুরু করতেই ভেঙে পড়েন তিনি এবং স্বামীকে ঠান্ডা মাথায় হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। স্বীকারোক্তিতে ইলমা দাবি করেন, পারিবারিক কলহের জেরে তালিব প্রায়ই তাকে মারধর করতেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর এমনই এক বিবাদের পর ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি পরকীয়া প্রেমিক আমানকে ডেকে পাঠান। আমান তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে পৌঁছান।  এরপর তিনজন মিলে তালিবকে বেদম মারধর করেন। একপর্যায়ে আমান গলার ওড়না (চুন্নি) পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তালিবের মৃত্যু নিশ্চিত করেন। হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিলে তালিবের মৃত্যুর পর তাকে বিয়ে করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমান। কোতোয়ালি অঞ্চলের সার্কেল অফিসার (সিও) সংগ্রাম সিং জানান, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার কবর থেকে তালিবের মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।  অভিযুক্ত স্ত্রী ইলমাকে বর্তমানে পুলিশের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং ফরেনসিক ও ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত প্রেমিক আমানসহ অন্যদের বিরুদ্ধে পরবর্তী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আরটিভি/এসআরর
স্বামীকে হত্যা করে স্ত্রী বললেন হৃদরোগে মৃত্যু, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রধান চ্যালেঞ্জ: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
মানিকগঞ্জে ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ লেখা ব্যানারে শিক্ষক দিবস পালন, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
‘হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন’
হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতকে শামা ওবায়েদের বার্তা