ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

বন্ধুত্ব থেকে চরম শত্রুতা, প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ায় বন্ধুকে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যস্ত সড়কে গাড়িচাপা দেওয়ার পর লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মাথা থেঁতলে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন এক তরুণ। ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এই বর্বরোচিত ঘটনায় নিহত হয়েছেন দেবেশ ওরফে বান্টি দীক্ষিত (৩৬)। আর বন্ধুকে রক্তগঙ্গা ভাসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সিডকো পুলিশ স্টেশনে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন মূল অভিযুক্ত পবন পরাশর (২২)।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি জিম সেশন শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন বান্টি। ঠিক তখনই ওয়াংখেড়েনগরের বাসিন্দা পবন তাঁর ‘৮৩৮’ নম্বর প্লেটযুক্ত গাড়ি নিয়ে বান্টির পিছু নেন। শুরু হয় এক বিপজ্জনক ধাওয়া। এই শ্বাসরুদ্ধকর তাড়া শেষ হয় সিডকোর এন-৭ এলাকার মঙ্গেশ গ্যাস এজেন্সির কাছে এসে। পেছন থেকে তীব্র গতিতে ছুটে এসে বান্টির মোটরসাইকেলে সরাসরি সজোরে ধাক্কা দেয় পবনের গাড়ি। ধাক্কার অভিঘাত এতটাই প্রচণ্ড ছিল যে বান্টি সড়কে আছড়ে পড়েন এবং তার মোটরসাইকেলটি প্রায় ১৫০ ফুট দূরে গিয়ে ছিটকে পড়ে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে সিডকো থানার পরিদর্শক অতুল ইয়েরমে জানান, মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেওয়ার পর ঘাতক পবন গাড়ি নিয়ে কিছুটা এগিয়ে যান এবং চাকা ঘুরিয়ে ইউ-টার্ন নিয়ে রক্তাক্ত বান্টির সামনে ফিরে আসেন। এরপর গাড়ি থেকে নেমে সঙ্গে আনা একটি লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মাটিতে পড়ে থাকা বান্টির মাথায় একের পর এক নির্মম আঘাত করতে থাকেন। কোনো ধরনের চিকিৎসার সুযোগ মেলার আগেই ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বান্টি।

ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে এমন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড দেখে আশপাশের পথচারী ও দোকানদারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জোন-২-এর উপপুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) রত্নাকর নাভলেসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর পবন সরাসরি গাড়ি চালিয়ে সোজা সিডকো পুলিশ স্টেশনে গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার পেছনের কারণ তুলে ধরেন পবন। ডিসিপি রত্নাকর নাভলে জানান, অভিযুক্ত পবন ও নিহত বান্টি উভয়েই আলাদা আলাদা বারে ‘বাউন্সার’ হিসেবে কাজ করতেন। একসময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল, যা পরবর্তী সময়ে চরম শত্রুতা ও বৈরিতায় রূপ নেয়। বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে এই বিরোধ তৈরি হওয়াতেই তিনি চরম ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং সেই ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

পুলিশের বিশেষ দল অভিযুক্তের দেওয়া এই স্বীকারোক্তি খতিয়ে দেখছে এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো গোপন বিরোধ বা উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী শ্রমিকরা
ভারতের মহারাষ্ট্রের বীড় জেলার বহু নারী আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে গিয়ে নিজেদের প্রজননস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন। মাসিকের ব্যথা, বিশ্রামের অভাব ও কঠোর শ্রমের কারণে কেউ কেউ জরায়ু অপসারণের কথা ভাবছেন, আবার অনেকে অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব শ্রমিকের দুর্বিষহ জীবনের চিত্র। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আনুমানিক ১৫ লাখ মানুষ আখ কাটার কাজে নিয়োজিত। তাদের অনেকেই দিনে প্রায় ১৪ ঘণ্টা কাজ করে পান মাত্র ৪০০ রুপি। শ্রমিকদের একটি বড় অংশ মহারাষ্ট্রের বীড় জেলা থেকে কাজের সন্ধানে অন্য এলাকায় যান। নিজ এলাকায় কর্মসংস্থানের অভাব ও পরিবারের ভরণপোষণের চাপ তাদের এই কঠিন পেশায় যুক্ত হতে বাধ্য করে। কর্ণাটকের রামানালে ভোর ৪টা থেকেই শুরু হয় শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা। পূর্ণিমা নামের এক নারী শ্রমিকও প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজের প্রস্তুতি নেন। ঋণ শোধ করতে নিজ গ্রাম থেকে ৫০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে অস্থায়ী তাঁবুতে বসবাস করছেন তিনি। আখ কাটার নারী শ্রমিকদের জন্য শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি মাসিক সামলানোও বড় চ্যালেঞ্জ। অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতে শৌচাগার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ছুটি না পাওয়ার চাপ। কাজ থেকে এক দিন বিরতি নিলেই মজুরি কাটা কিংবা জরিমানার মুখে পড়তে হয় শ্রমিকদের। ফলে মাসিকের ব্যথা বা অসুস্থতা নিয়েও তাদের কাজ চালিয়ে যেতে হয়। দীর্ঘ সময় ভারী আখ কাটা, বোঝা বহন ও ট্রাকে আখ তোলার কাজ করতে গিয়ে বাড়ছে শারীরিক দুর্ভোগ। পূর্ণিমা দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেন, ব্যথা থেকে মুক্তি পেলে তার জন্য অনেক বড় সহায়তা হতো। দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে রেহাই পেতে তিনি জরায়ু অপসারণের কথাও ভাবছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কষ্ট কমছে না। এ কাজ চালিয়ে গেলে তা কেবল বাড়বে। এত ভারী ওজন তোলা বন্ধ করতে পারলে হয়তো ভালো হবে। কিন্তু এ কাজ ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।’ বীড় জেলার বহু পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস মৌসুমি আখ কাটা। প্রতিবছর মুকাদ্দম নামে পরিচিত ঠিকাদারেরা শ্রমিকদের সংগঠিত করেন। তারা চিনিকলের সঙ্গে যোগাযোগ, যাতায়াতের ব্যবস্থা এবং অগ্রিম অর্থের জোগান দেন। পরে সেই অর্থ শোধ করতে শ্রমিকদের মৌসুমজুড়ে কাজ করতে হয়। স্বামী-স্ত্রীকে নিয়ে গঠিত প্রতিটি শ্রমিক দলকে স্থানীয়ভাবে ‘কইতা’ বলা হয়। সাধারণত সাত-আটটি কইতার একটি দলের মধ্যে আয় ভাগাভাগি হয়। প্রতিটি দম্পতির ওপর দৈনিক গড়ে তিন টন আখ কাটার চাপ থাকে। কোনো নারী অসুস্থতার কারণে কাজ করতে না পারলে দলের অন্য শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ে। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে তারা সংশ্লিষ্ট দম্পতির কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেন। ফলে অসুস্থতা নিয়েও কাজ করতে বাধ্য হন নারী শ্রমিকেরা। সবিতা নামের এক শ্রমিক ২০২৫ সালের মার্চে জরায়ু অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, পেটে তীব্র ব্যথা থাকা সত্ত্বেও তাকে কাজ করতে হয়েছে। ট্রাকে আখ তুলতে মই বেয়ে ওঠার সময় গত বছর তিনবার পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপরও অভিযোগ করার সুযোগ পাননি। সবিতা বলেন, ‘মাঠে কেউ সাহায্য করবে না। তারা একদম বিশ্রাম নিতে দেয় না। আমি এত অসুস্থ ছিলাম, তবু কেউ সাহায্য করেনি।’ পূর্ণিমাও জানান, কাজের মৌসুমে টানা চার থেকে পাঁচ মাস প্রতিদিন কাজ করতে হয়। গত তিন বছর ধরে অবিরাম ব্যথায় ভুগছেন তিনি। জরায়ু অপসারণের কথা ভাবলেও অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাতে তাকে নতুন করে ঋণ নিতে হতে পারে। তার ভাষায়, ‘নিজের জরায়ু ফেলে দিতেও ঋণ নিতে হয়। মনে হয়, আমার শরীরই ব্যবস্থার দাসে পরিণত হয়েছে।’ ২০১৯ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের একটি কমিটি বীড় জেলায় আখ কাটার কাজে নিয়োজিত ৮২ হাজার ৩০৯ জন অভিবাসী নারী শ্রমিকের ওপর জরিপ চালায়। এতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৬১ জনের জরায়ু অপসারণ করা হয়েছে। পরে জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের ৪৫ শতাংশের বেশি শারীরিক বা মানসিক কষ্টের কথা জানান। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার জরায়ু অপসারণের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ এবং অভিবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে কিছু উদ্যোগ নেয়। তবে শ্রমিকদের অভিযোগ, বাস্তবে তাদের জীবনযাত্রা ও কর্মপরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। ২০২৫ সালের মার্চে বোম্বে হাইকোর্ট আঞ্চলিক সরকারকে শ্রমিকদের যথাযথ নিবন্ধন, কল্যাণমূলক সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই বছরের নভেম্বরে এ বিষয়ে পরবর্তী প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকলেও তা প্রকাশিত হয়নি বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। পূর্ণিমা ও সবিতা দুজনেই জানিয়েছেন, তারা সরকারের কাছ থেকে কোনো কল্যাণ সহায়তা পাননি। দীর্ঘদিনের ব্যথা সামলাতে পূর্ণিমাকে নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করতে হয়। তিনি জানান, বছরে এসব ওষুধের পেছনে তার প্রায় ৫০ হাজার রুপি খরচ হয়। তবুও ব্যথা থেকে মুক্তি মিলছে না। পূর্ণিমা বলেন, ‘গ্রামে ফিরে আমাকে অস্ত্রোপচার করাতে হবে, কিন্তু এর জন্য আরও ঋণ নিতে হবে। মনে হয়, আমি যেন কাজ চালিয়ে যেতে পারি, সে জন্যই ব্যবস্থাটা আমার জরায়ুটাই কেড়ে নিচ্ছে।’ প্রতিবেদনটির বিষয়ে বীড় জেলার কালেক্টর বিবেক জনসনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে, কোকাকোলা জানিয়েছে, আখ কাটার শ্রমিকদের বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, ছায়াযুক্ত বিশ্রামের স্থান, কাজের উপযোগী সরঞ্জাম এবং নারীদের স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত পণ্যের সুযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক নাগরিক সমাজ সংগঠন সলিডারিদাদের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই উদ্যোগে এক লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট পেপসিকোর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল, তবে প্রতিষ্ঠানটি কোনো জবাব দেয়নি। আরটিভি/এসকে
আখ কাটার কাজ চালিয়ে যেতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী শ্রমিকরা
ফ্যানের সঙ্গে পেঁচানো যাবে না দড়ি-ওড়না, অভিনব উদ্যোগ নিল বিশ্ববিদ্যালয়
ভারতের গুজরাট রাজ্যের সুরাটে অবস্থিত বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের (ভিএনএসজিইউ) আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঝুঁকি কমাতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থাসম্পন্ন ৩৮৮টি সিলিং ফ্যান স্থাপন করা হয়েছে।
ফ্যানের সঙ্গে পেঁচানো যাবে না দড়ি-ওড়না, অভিনব উদ্যোগ নিল বিশ্ববিদ্যালয়
টয়লেটে পাওয়া চিরকুট ঘিরে কলকাতা বিমানবন্দরে তোলপাড়, ছিল যে বার্তা 
যাত্রীদের ভিড়ে সরগরম কলকাতার দমদম বিমানবন্দর। এর মধ্যেই নারীদের টয়লেটে মিলল একটি চিরকুট।
টয়লেটে পাওয়া চিরকুট ঘিরে কলকাতা বিমানবন্দরে তোলপাড়, ছিল যে বার্তা 
সীমান্তে সারা-আয়ুষ্মানের বলিউড সিনেমার প্রচার, আতিফের গান বাজিয়ে পাকিস্তানের ব্যতিক্রমী বাধা!
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে বলিউডের নতুন সিনেমা উড়তা তীর-এর প্রচারে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা ও অভিনেত্রী সারা আলি খান।
সীমান্তে সারা-আয়ুষ্মানের বলিউড সিনেমার প্রচার, আতিফের গান বাজিয়ে পাকিস্তানের ব্যতিক্রমী বাধা!
১ নভেম্বর থেকে ফোন এলেই দেখা যাবে কলারের নাম-পরিচয়
অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন এলেই এবার জানা যাবে কলারের পরিচয়। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ভারতে চালু হতে যাচ্ছে নতুন কলার শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ‘কলিং নেম প্রেজেন্টেশন’ (সিএনএপি)।
১ নভেম্বর থেকে ফোন এলেই দেখা যাবে কলারের নাম-পরিচয়
আরও পড়ুন
সাতক্ষীরায় ৮ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ
ফ্যানের সঙ্গে পেঁচানো যাবে না দড়ি-ওড়না, অভিনব উদ্যোগ নিল বিশ্ববিদ্যালয়
সীমান্তে সারা-আয়ুষ্মানের বলিউড সিনেমার প্রচার, আতিফের গান বাজিয়ে পাকিস্তানের ব্যতিক্রমী বাধা!
ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত উপাদান