ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

দুর্বল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে লজ্জার হার বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৪, ১২:৩৭ এএম
ছবি : সংগৃহীত

অবিশ্বাস্য! অসাধারণ! অকল্পনীয়!

ঠিক কোন শব্দে আপনি অপেক্ষাকৃত দুর্বল যুক্তরাষ্ট্রের এমন জয়কে বর্ণনা করবেন। প্রত্যাশার যেই পারদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে টাইগাররা মাঠে নেমেছিল; তা রীতিমতো গুড়িয়ে দিয়েছে স্বাগতিকরা। আমার মতে, বাংলাদেশের এই পরাজয় নিতান্তই শোচনীয় এক অধ্যায়। শেষ ওভারের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যদের ৫ উইকেট হারিয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের যৌথ আয়োজকরা।

মঙ্গলবার (২১ মে) প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ তুলে বাংলাদেশ। দলের হয়ে ৪৭ বলে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন তাওহীদ হৃদয়।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেট হাতে রেখে ১৯ দশমিক ৩ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক দল।

চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন স্বাগতিকদের দুই ওপেনার মোনাঙ্ক প্যাটেল এবং স্টিভেন টেইলর। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি মোনাঙ্ক। ১০ বলে ১২ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন স্বাগতিকদের অধিনায়ক।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে অ্যান্ড্রিস গাউসকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন টেইলর। ১৮ বলে ২৩ রানে গাউস আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন টেইলর। তবে মোস্তাফিজের কাটারে পরাস্থ হন তিনি। দ্য ফিজের ফাঁদে পা দেওয়ার আগে ২৯ বলে ২৮ রান করেন এই ওপেনার। ফিজের দ্বিতীয় শিকার বনে ১২ বলে ৪ রানে ফেরেন অ্যারন জোন্সও।

এরপর ব্যাট হাতে নেমে দলীয় বিপর্যয় সামাল দেন কোরি অ্যান্ডারসন এবং নিতিশ কুমার জুটি। তবে বিপদজনক হয়ে উঠার আগেই ১০ বলে ১০ রানে নিতিশকে থামান শরিফুল।

দলীয় ৯৪ রানে নিতিশ ফিরলে জয়ের জন্য কঠিন সমীকরণের সামনে পড়ে স্বাগতিকেরা। জয়ের জন্য শেষ পাঁচ ওভারে তাদের দরকার দাঁড়ায় ৬০ রান। এরপর ঝোড়ো গতির ইনিংসের জয়ের জন্য সমীকরণ ১২ বলে ২৪-এ নিয়ে আসেন সাতে নামা হারমীত সিং।

ইনিংসের ১৯তম ওভারে ১৫ রান তুলে নিয়ে সমীকরণ আরও সহজ করে নেয় স্বাগতিকেরা। শেষ ওভারে পার্টটাইমার স্পিনার রিয়াদের হাতে বল তুলে নেন শান্ত। তবে শেষ রক্ষা হয়নি টাইগারদের। রিয়াদের প্রথম ৩ বলেই ১১ রান তুলে নেন কোরি অ্যান্ডারসন এবং নিতিশ কুমার জুটি। শেষ পর্যন্ত ১৩ বলে ৩৩ রানের টর্নেডো ইনিংসে অপরাজিত থাকেন হারমীত। আর এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজের শিকার দুটি উইকেট। এ ছাড়া একটি করে উইকেট নেন শরিফুল এবং রিশাদ।

এর আগে, টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু করেন দুই টাইগার ওপেনার লিটন কুমার দাস এবং সৌম্য সরকার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তাদের কেউই। ১৫ বলে ১৪ রান করে লিটন আউট হলে, ১৩ বলে ২০ রান করে ফেরেন সৌম্য সরকার।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে উইকেট থিতু হতে পারেননি অধিনায়ক শান্তও। ১১ বলে মাত্র ৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে সাকিবকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন তাওহীদ হৃদয়। তবে ক্রিজে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি সাকিব। ১২ বলে ৬ রান করে রান-আউটের ফাঁদে পড়েন এই টাইগার অলরাউন্ডার।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ৪০ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন হৃদয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ২২ বলে ৩১ রানের ইনিংস সাজান মিস্টার সাইলেন্টকিলার।

শেষ পর্যন্ত জাকের আলীর ৫ বলে ৯ রান এবং হৃদয়ের ৪৭ বলের ৫৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি উইকেট শিকার করেন স্টিভেন টেলর। এ ছাড়া সৌরভ নেত্রাভালকার, আলী খান এবং জেসি সিং একটি করে উইকেট নেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম
এসএসসি পাসে নিয়োগ দেবে বিসিবি
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (৩১ ডিসেম্বর)
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউক্রেনের যুবক