ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ই-কমার্স নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিবেদন না পেয়ে হাইকোর্টের ক্ষোভ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২১, ০১:৫৬ পিএম
হাইকোর্ট।। ফাইল ছবি

ই-কমার্সের অনিয়মকে কেন্দ্র করে দায়ের করা পৃথক তিনটি রিটের শুনানি পিছিয়ে আগামী ২৩ নভেম্বর ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। এদিন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পলিসি কী, তাও জানাতে হবে আদালতকে।
এ ছাড়া ই-কমার্স খাতের স্বার্থে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের করা ১৬ সদস্যের কারিগরি কমিটির কার্যপরিধি কী, তাও সেদিন জানাতে হবে। সংশ্লিষ্টদের আগামী ২৩ নভেম্বরের মধ্যে তা আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে বলেছেন আদালত। ওইদিন এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) শুনানির সময় এ তিন বিষয়ে প্রতিবেদন না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আদালত।
পূর্বের আদেশ অনুযায়ী শুনানিতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন না পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) উষ্মা প্রকাশ করেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আদালত বলেন, ‘নোটিশ জারির পরেও তারা রেসপন্স করবে না? বিষয়টি আমরা কিন্তু সিরিয়াসলি নেব।’
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিপুল বাগমারকে উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, ‘ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, আপনি অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তাকে জানান। এসব আমরা কিন্তু টলারেট করব না।’ এরপর আদালত আগামী মঙ্গলবারের (২৩ নভেম্বর) মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়ে ওইদিন পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করেন।
দেশের ই-কমার্স খাতের ভোক্তাদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে করা পৃথক তিনটি রিট করা হয়। সে রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই তিন বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আকারে জানাতে নির্দেশ দেন। আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির আদেশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর ই-কমার্সের গ্রাহকদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় জাতীয় ডিজিটাল কমার্স পলিসির ম্যান্ডেট অনুসারে একটি স্বাধীন ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম।
২৩ সেপ্টেম্বর ই-অরেঞ্জে কোটি কোটি টাকা আটকে থাকা ৩৩ জন গ্রাহক ডিজিটাল বা ই-প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরির জন্য অর্থনীতিবিদ, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, ব্যবসায়ী ও অন্য অংশীজনদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট করেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মোহাম্মদ শিশির মনির।
এ ছাড়া ২২ সেপ্টেম্বর মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন, ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জের দুজন গ্রাহকের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব আরেকটি রিট করেন।
রিটে কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা ব্যর্থতায় ইভ্যালি, আলেশা মার্ট, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা, দারাজ, কিউকম, আলাদিনের প্রদীপ ও দালাল প্লাসের মতো পরিচিত বাজার থেকে পণ্যের জন্য লাখ লাখ গ্রাহকের ক্ষতি ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ণয়ে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারকের নেতৃত্বে এক সদস্যবিশিষ্ট অনুসন্ধান কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
ওই ৩ রিট একত্রে শুনানি নিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এসব আদেশ দেন।
প্রথমে গত ৮ নভেম্বরের আবার ১৬ নভেম্বরের মধ্যে তা আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে বলেছিলেন আদালত। এরপর আজ শুনানির জন্য বিষয়টি হাইকোর্টে ওঠে। কিন্তু আজ এ বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন না আসায় শুনানিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আদালত। সেই সঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৩ নভেম্বর দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে ওইদিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. হুমায়ুন কবির পল্লব, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ও অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার, তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সেলিম আজাদ, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. দেলুয়ার হোসেন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সিরাজুল আলম ভূঁইয়া।

কেএফ/টিআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বিরুদ্ধে এবার শরীয়তপুরে মামলা
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে এবার শরিয়তপুরে মামলা করা হয়েছে। গতকাল (৩০ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে শরীয়তপুর জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন, শরীয়তপুর জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন। মামলার বাদী ডামুড্যা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহাদাত হোসেন (৫২) জানান, গতকাল দুপুর একটার দিকে আমরা শরীয়তপুর জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেছি। সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপি এবং তারেক রহমানের পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। মানহানিকর এই বক্তব্যের কারণে মামলাটি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের সময় সাথে ডা. মুরাদ হাসানের দেওয়া কুরুচিপূর্ণ ভিডিও বক্তব্যের সিডি আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এই আদালত আগামী কার্যদিবসে শুনানী শেষে আদেশ দিবেন এমনটা প্রত্যাশা করছি।  মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তার মেধাবী কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ পরিবারের বিরুদ্ধে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুরাদ হাসান। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে শরীয়তপুরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার বিরুদ্ধে ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ১৫৩ (ক), ৫০৩ (ক) ও ৫০৯ ধারায় এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট কামরুল হাসান জানান, মামলার বাদী এডভোকেট শাহাদাত হোসেন এর সাথে ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ১৫৩ (ক), ৫০৩ (ক) ও ৫০৯ ধারায় ওকালত নামায় সাক্ষর করেছেন শরীয়তপুর জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম কাশেমসহ ফোরামের বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ। আদালত পরবর্তী কার্যদিবসে শুনানির মাধ্যমে আদেশ দিবেন বলে জানিয়েছেন। এমএন
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বিরুদ্ধে এবার শরীয়তপুরে মামলা
শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠান হয়। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগ দেন।শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বিকেল ৪টায় শুরু হয় প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। এর আগে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী কুষ্টিয়ার সন্তান। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। সাতক্ষীরা থেকে আইএসসি এবং বিএ পাস করেন। মাস্টার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি ধানমন্ডি ল’ কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি, ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি এবং ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এমএন/টিআই
শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
বিকেলে শপথ নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি
দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আজ বিকেলে শপথ নেবেন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠান হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এর আগে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী কুষ্টিয়ার সন্তান। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। সাতক্ষীরা থেকে আইএসসি এবং বিএ পাস করেন। মাস্টার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি ধানমণ্ডি ল কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি, ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি এবং ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। আরএ/
বিকেলে শপথ নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি
রেলমন্ত্রী-মেয়রসহ সিনিয়র আইনজীবী হলেন যারা
রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ সুপ্রিম কোর্টের ৩৩ আইনজীবীকে জ্যেষ্ঠ (সিনিয়র) আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত স্মারক থেকে এ তথ্য জানা যায়। সিনিয়র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত তালিকায় রয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ ছাড়াও তালিকায় আছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান, দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান, অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. আবদুস সালাম (মামুন), তাবারক হোসাইন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট সামরেন্দ্র নাথ গোস্বামী, অ্যাডভোকেট নিহাদ কবির, অ্যাডভোকেট মো. জাহেদুল বারি, অ্যাডভোকেট সারওয়ার আহমেদ, কে.এম. তানজিব উল আলম, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, অ্যাডভোকেট শেখ আওশাফুর রহমান বুলু, অ্যাডভোকেট ড. আবুল কাশেম মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট এস.এম. শাহজাহান। সিনিয়র তালিকাভুক্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন বাবুল, অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাসুদ রেজা সোবহান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট খায়ের ইজাজ মাসউদ, অ্যাডভোকেট মুরাদ রেজা, অ্যাডভোকেট মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নাহিদ মাহতাব, অ্যাডভোকেট সৈয়দ হায়দার আলী, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ (এসকে) মো. মোর্শেদ, অ্যাডভোকেট মো. সালাউদ্দিন (দোলন), অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন (সাজু), অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী, ব্যারিস্টার এম বি এম আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সৈয়দ আহমেদ (রেজা)। এফএ/টিআই
রেলমন্ত্রী-মেয়রসহ সিনিয়র আইনজীবী হলেন যারা
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির সেই চিকিৎসক কারাগারে
হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিষ্ঠানটির সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।  বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ এ আদেশ দেন।  এদিন ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক সালমান রহমান। তবে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন সালাউদ্দিন চৌধুরীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল। জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন। এর আগে বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গত ২২ ডিসেম্বর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কলেজের শেষবর্ষের ওই শিক্ষার্থী।  জিডিতে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় পাস না করিয়ে একই শিক্ষাবর্ষে অনেক বছর রাখার হুমকি দিয়ে ওই শিক্ষক তাকে মেসেঞ্জারে খারাপ প্রস্তাব দেন। প্রাইভেট পড়ার জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন। কিন্তু বাসায় যেতে শিক্ষার্থী রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে নানাভাবে হুমকি দেন শিক্ষক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওই শিক্ষক তাকে খারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এতে তার পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  পরে ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর রমনা থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। এনএইচ/টিআই
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির সেই চিকিৎসক কারাগারে
আরও পড়ুন
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল
সারাদেশের লঞ্চ-জাহাজের বিষয়ে যেসব তথ্য চাইলেন হাইকোর্ট
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড : তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন চাইলেন হাইকোর্ট
শুধু রিট করলেই হবে? আর্তনাদ শুনুন : হাইকোর্ট