ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে আপিল শুনানি ২ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:৪১ পিএম

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার আবেদন সংবলিত আপিলের শুনানি রোববার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করেছে আপিল বিভাগ।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ মামলার পঞ্চম দিনের শুনানি হয়।

এদিন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

এর আগে, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের চতুর্থদিনের শুনানি শেষ হয়। এদিন জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি শেষ করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের তৃতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালতে ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী।

গত ২২ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। ওইদিন রিটকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। তার আগের দিন ২১ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ জন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন, তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকারের নির্বাহী আদেশে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।  এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ (আপিল ও হাইকোর্ট) আজ সাধারণ ছুটি পালন করবে। এর আগে, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকার গতকালই নির্বাহী আদেশে আজ বুধবার দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। আরটিভি/আইএম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বার্তায় এই শোক জানানো হয়। দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদের এই শোকবার্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে। শোকবার্তায় বলা হয়, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করতে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন তারা। আরও পড়ুন যেভাবে আপোষহীন নেত্রী হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়া প্রধান বিচারপতি তার বার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি পরম করুণাময় রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রার্থনা করেন যেন দেশের তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জান্নাতের সর্বোচ্চ আসনে আসিন করা হয়। বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে এই শোকবার্তা পাঠানোর পর আইনি অঙ্গনেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বেগম খালেদা জিয়ার দাফন ও জানাজা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার প্রস্তুতির মধ্যেই রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এই শোকবার্তা আসার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। আগামীকাল সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
কাদেরসহ ৭ আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
চব্বিশের জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতক সাত আসামিকে আগামীকে ৮ জানুয়ারি হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দিয়েছে বলে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্ধারিত তারিখে (৮ জানুয়ারি) পলাতক আসামিরা হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হবে। আরও পড়ুন মাকে নিয়ে তারেক রহমানের আবেগঘন পোস্ট এই মামলায় মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।  সেইসঙ্গে এই মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। আরটিভি/আরএ
কাদেরসহ ৭ আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
বাধা কাটল, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
বিএনপি যেদিন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বগুড়ার একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল, সেদিনই আসন্ন নির্বাচনে তার প্রার্থী হতে বাধা হয়ে এল হাইকোর্টের এক আদেশ। অবশেষে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা অতিক্রম করেছেন তিনি। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো রেজাউল হক মান্নার নাম সম্বলিত ঋণ খেলাপিদের তালিকায় (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি) স্থগিত করছেন।  আদালতে মান্নার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।  ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল কাইয়ুম লিটন। তিনি জানান, তালিকা আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন। ফলে মাহমুদুর রহমান মান্নার নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো বাধা নেই।  এর আগে, ২৪ ডিসেম্বর রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। হাইকোর্টে মান্নার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।  ২৪ ডিসেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান জানান, ঋণের একটা অংশ পরিশোধ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন তিনি। সিআইবি থেকে ওনাদের নামটা যেন প্রত্যাহার করে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হননি। খারিজ করে দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম হচ্ছে দুই শতাংশ জমা দেওয়ার কথা। তিনি দুই শতাংশের বেশি পরিশোধ করেছেন। কিন্তু আদালত বলছেন, তালিকা থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম প্রত্যাহার করতে আদালত বাংলাদেশ ব্যাংককে কোনো নির্দেশনা দেবেন না। ঋণ গ্রহণকারী ইসলামী ব্যাংক এটি বাংলাদেশ ব্যাংককে (ঋণের তথ্য জানাবে) দেবে। আরও পড়ুন ৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি    গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১০ ডিসেম্বর নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে খেলাপি ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায়ে ‘কল ব্যাক নোটিশ’ জারি করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা। মান্না ও তার দুই অংশীদারের ঠিকানায় পাঠানো এই নোটিশে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়। শাখা প্রধান তৌহিদ রেজার স্বাক্ষরিত নোটিশটি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায় পাঠানো হয়।  তথ্য অনুযায়ী, আফাকু কোল্ড স্টোরেজের মালিকানায় মান্না ৫০ শতাংশ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ২৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রী ও পরিচালক ইসমত আরা লাইজু ২৫ শতাংশ অংশীদার। গত ৩ ডিসেম্বর পাঠানো নোটিশে বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কাছে খেলাপি বিনিয়োগ বাবদ মোট ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ব্যাংকের নোটিশে বলা হয়, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ২২ কোটি টাকা বিনিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত মুনাফা, চার্জ ও জরিমানা পরিশোধ করেনি। ফলে বকেয়া বেড়ে বর্তমান পরিমাণে দাঁড়িয়েছে। লাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও কোনোরকম অগ্রগতি না থাকায় চূড়ান্ত সতর্কতা হিসেবে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।  ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ না করলে ব্যাংক আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। আরটিভি/এমএ
বাধা কাটল, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি
সারাদেশে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ একটি স্মারক জারি করেছে। এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল দশটায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ দেবেন। আরও পড়ুন শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য দেশের সকল জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। এর আগে, এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। এরপর বিকেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।  আরটিভি/আরএ
৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি
আরও পড়ুন
‘পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পূর্ণাঙ্গভাবে ফিরবে’
তত্ত্বাবধায়ক পুনর্বহালের রায় ফ্যাসিস্ট তৈরির পথ রুদ্ধ হবে: রিজভী
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আইন উপদেষ্টার স্ট্যাটাস
এখন থেকে দিনের ভোট আর রাতে হবে না: অ্যাটর্নি জেনারেল