ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ট্রাইব্যুনালে যা বললেন পলক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ট্রাইব্যুনালে যা বললেন পলক। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলক ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের বাকি সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলায় তিনটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। আর এসব অভিযোগ পড়েন ট্রাইব্যুনালের এক নম্বর সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ। তবে প্রথমে ডিসচার্জ চেয়ে আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়।

প্রথম অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৪ ও ১৫ জুলাইয়ের ঘটনা আনা হয়। ঘটনাস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশ। এর মধ্যে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশে ১৪ জুলাই রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ফেসবুকে পরপর তিনটি স্ট্যাটাস দেন পলক। এসব স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ।

দ্বিতীয় অভিযোগে রাজধানীর বাড্ডা, উত্তরা, রামপুরা, খিলগাঁওয়ের ঘটনা আনা হয়। এসব জায়গায় ১৮, ১৯ ও ২৪ জুলাই গংগাচরণ রাজবংশী, রাসেল, হাসিব, মোসলেহ উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন শহীদ হন। আহত হন আরও অনেকে। এখানে জয়-পলকের বিরুদ্ধে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ, ড্রোন-হেলিকপ্টার ও মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি-প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে সালমান এফ রহমানের সঙ্গে পলকের একটি ফোনালাপও উল্লেখ করা হয়।

তিন নম্বর অভিযোগে ৫ আগস্ট উত্তরায় সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের দায় আনা হয়। ওই দিন জাবিদ ইবরাহিম, শামসুল আলমসহ অনেকজন শহীদ হন। আহত হন আরও অনেকে। এখানেও মারণাস্ত্র ব্যবহারসহ অন্যান্য অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ তিনটি পড়া শেষে কাঠগড়ায় থাকা পলকের উদ্দেশ্যে বিচারপতি শফিউল বলেন, ডু ইউ প্লিড গিল্টি? তখন দাঁড়িয়ে পলক বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়েছে সব মিথ্যা। আমি নির্দোষ।

আরও পড়ুন

এরপর অভিযোগ গঠন করে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। সবমিলিয়ে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

এদিন সকালে কারাগার থেকে পলককে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। তবে জয় পলাতক থাকায় সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এ মামলায় বিদেশি আইনজীবী চেয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

আরটিভি/কেআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর কারাগারে
নারীকাণ্ডে বিতর্কিত জামায়াতে ইসলামীর এমপি (সাতক্ষীরা-৪) গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার প্ররোচণার মামলায় মামা ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর কারাগারে
প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
রাজবাড়ীর পাংশায় রুনা খাতুন (৩০) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিলন শেখকে (২০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা- অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
জামালপুরে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪ জনের সাজা
জামালপুরে পৃথক অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন এবং আরও দুই আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
জামালপুরে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪ জনের সাজা
বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়ি ফেরে বাকপ্রতিবন্ধী শিশু, যে সাজা পেলেন শহিদুল 
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় শহিদুল ইসলাম নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়ি ফেরে বাকপ্রতিবন্ধী শিশু, যে সাজা পেলেন শহিদুল 
সাবেক এমপি জাফর আলম কারাগারে
পৃথক দু’টি মামলায় যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মো. জাফর আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 
সাবেক এমপি জাফর আলম কারাগারে
আরও পড়ুন
কাদেরসহ শীর্ষ ৭ নেতার ফাঁসির রায়, আদালতের সামনেই ককটেল বিস্ফোরণ
সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
গুলিতে স্বামী নিহত, সাক্ষী দেওয়ায় মেয়েকে ধর্ষণ করেন আ.লীগের নেতারা
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’