ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

মোজাফফরকে বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন-ছবি: সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নির্দেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের আবেদন করেন।

শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে মিলিটারি পুলিশের অধীনে রয়েছেন মোজাফফর হোসেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ত থাকায় আমরা তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু চাই। শুনানি শেষে তাকে বৃহস্পতিবার হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন আদালত।

আরও পড়ুন

এ সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, শাইখ মাহদী, মঈনুল করিমসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মেজর (অব.) মোজাফফরের সহযোগীদের বিচারও সামরিক আদালতে হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ভিন্ন পরিচয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে সেনা আইনে বিচার করার জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচারটা নিশ্চিত করা হবে।

উল্লেখ্য, ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মেজর (অব.) মোজাফফর। ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭, যেভাবে ছড়ায় প্রশ্নপত্র
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী।
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭, যেভাবে ছড়ায় প্রশ্নপত্র
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র / রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় দায়ের করা মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল বিজয় দেবাশীষ নারায়ন পাল (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা (৪৩)।
রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটলিয়ান (এসআরবি)। এ নিয়ে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলন করবে সংস্থাটি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তাররা হলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের অফিস সহকারী আসাদুল হাবিব, এনবিআর কর্মকর্তার জাহাঙ্গীর আলম, পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেল ইসলাম, এনবিআর কর্মকর্তা নূর মোহাম্মাদ (নিলয়), প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের সদস্য মফিজুল ইসলাম ওরফে রাফি, হাসিনুর রহমান সুজন ও এমদাদুর রহমান। এর আগে গত ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ততক্ষণে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেক চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। ঘটনাটি তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়। আরটিভি/এসকে
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭
অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বরখাস্ত এক বিচারক
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বরখাস্ত এক বিচারক
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি এ আদেশ দেন।
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আরও পড়ুন
প্রবাসী‌দের জন্য বি‌শেষ ট্রাইব্যুনাল কর‌ছে সরকার: আইনমন্ত্রী
শতশত মরদেহের ভেতর থেকে পোশাক দেখেই ছেলেকে চিনেছিলেন মা
‘ভয় পাইছে, ভয় পাইছে’ বলতেই পলককে থামালেন ট্রাইব্যুনাল
ভোটার তালিকা নিয়ে অসন্তোষ, প্রতিবাদে ধ্রুব রাঠি-প্রকাশ রাজ