ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মেয়েকে একা পেয়ে নিজের ‘পরিচয় ভুলে যান’ বাবা, অতঃপর...

বগুড়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
ছবি: আরটিভি

বগুড়ার শেরপুরে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় আব্দুল খালেক (৫১) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শিশু দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা দায়রা জজ) মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আব্দুল খালেক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া শিশু দমন ট্রাইবুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট আলী আসগর।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আব্দুল খালেক নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় শিশুটির সৎ মা স্থানীয় একটি চাতালে ধান সেদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে জানালে মেয়েকে হত্যার হুমকি দেন বাবা। এরপর থেকে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তার সৎ মা। বাড়ির কাজ করতে অনীহা দেখানোয় তিনি শিশুটিকে মারধর করেন। একপর্যায়ে শিশুটি তার সৎ মাকে বাবার ধর্ষণের কথা জানায়। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগ বিশ্বাস না করে সৎমা উল্টো শিশুটির ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেন।

আরও পড়ুন

পরে নির্যাতন থেকে বাঁচতে শিশুটি বিষয়টি তার দুই সহপাঠীকে জানায়। তাদের মাধ্যমে ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে জানাজানি হলে তারা থানায় অভিযোগ করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর শিশুটির মা ও আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী শেরপুর থানায় আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার বিচার শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আব্দুল খালেককে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম ৩ দিন বন্ধ থাকবে
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন দিন সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। 
সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম ৩ দিন বন্ধ থাকবে
সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
ঢাকার পল্লবী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষ বড়ুয়া ও লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
শতশত মরদেহের ভেতর থেকে পোশাক দেখেই ছেলেকে চিনেছিলেন মা
জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ ইসমাইল। তুমুল আন্দোলনের সময় ছেলে নিখোঁজ হওয়ায় দিশেহারা ছিলেন মা। হঠাৎ ফোনে খবর এলো, গুলি লেগেছে তার ছেলের।
শতশত মরদেহের ভেতর থেকে পোশাক দেখেই ছেলেকে চিনেছিলেন মা
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে।
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
শাকক্ষেত দেখতে যাওয়া স্কুলছাত্রীকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে পাসুন দেখান নুরনবী, অতঃপর... 
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় মো. নুরনবী নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় অপর দুই আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন লালমনিরহাট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার।  আদালতের রায়ের নথি অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. নুর নবীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ধারায় তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই আইনের ৮(৩) ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এসব সাজা একইসঙ্গে চলবে। অন্যদিকে একই মামলার অপর দুই আসামি মো. মোবারক আলী ও মো. বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ভুক্তভোগীর বাবা লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা থানায় মামলা করেন। মামলার বাদী উল্লেখ করেন, আসামি নুরনবী ও রাকিবুল ইসলাম আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন কু-প্রস্তাব দেয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে হাতিবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করি। এ বিষয়ে রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট বিজ্ঞ আদালত ন্যায় বিচার দিয়েছেন। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় ভিক্টিমকে তার বাবা শাকক্ষেত দেখতে পাঠিয়েছিল, সেখান থেকে ভিক্টিমকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায় আসামি নুরনবী। পরে পাসুন (জমিতে ছোটখাটো চাষ দিতে এবং ফসল বা বাগানের আগাছা পরিষ্কার বা নিড়ানি দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়) নামক অস্ত্র দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ মামলার রায় দিয়েছে আদালত। এ রায়ে সমাজের অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে। এ ঘটনায় বাদীপক্ষ নুরুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো মতামত পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এমএইচজে
শাকক্ষেত দেখতে যাওয়া স্কুলছাত্রীকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে পাসুন দেখান নুরনবী, অতঃপর... 
আরও পড়ুন
মেয়েকে দেখার ছলে প্রায়ই সাবেক স্ত্রীর বাসায় যেতেন পলাশ, অতঃপর...
অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের মাদরাসাছাত্রী, পালালেন শিক্ষকসহ ৩ জন
দেখা করার কথা বলে সাবেক স্ত্রীকে ডেকে নেন আনারুল, ওঁত পেতে ছিলেন আরও কয়েকজন
‘বিয়ের কথা বলে’ কিশোরীকে নিয়ে হোটেলে, এরপর থেকেই আত্মগোপনে লোকমান