ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

এসব অভ্যাস থাকলে মেয়েরা আপনার কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:৪৯ পিএম
ছবি সংগৃহীত

সময় বদলের সঙ্গে বদলে গেছে অনেক কিছুই। একটা সময় জীবনসঙ্গী বাছাই করার ক্ষেত্রে মেয়েদের পছন্দের কোনও মূল্য ছিল না। কিন্তু বর্তমানে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মহিলাদের পছন্দকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় ও তা উচিতও। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নারীর যেমন পছন্দ রয়েছে, তেমনি অপছন্দ রয়েছে।

কিছু পুরুষ আছেন যারা খুব সহজেই নারীদের মন জয় করে ফেলতে পারেন। আবার কিছু পুরুষকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না। যাকে বলা যায় একেবারে চক্ষুশূল। কিন্তু এই তারতম্যের কারণ কি?

জবাব লুকিয়ে আছে পুরুষের আচরণের মাঝেই। পুরুষের মাঝে কিছু স্বভাব আছে যেগুলো নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না। বরং বিশেষ এই স্বভাবগুলো নারীদেরকে দারুণভাবে বিকর্ষণ করে। এসব পুরুষের ধারে কাছেও ঘেঁষতে চান না অধিকাংশ নারী, সম্পর্ক কিংবা বিয়ে করা অনেক দূরের ব্যাপার।

জেনে নিন যে ধরনের ছেলেদের মেয়েরা পছন্দ করে না

চরিত্রহীন

চরিত্রহীন পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। যেসব পুরুষ একাধিক নারীর পেছনে পেছনে ঘোরে কিংবা অতিরিক্ত নারী ঘেঁষা হয়, সেই ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা পারতপক্ষে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। কারণ এ ধরনের পুরুষদের সঙ্গ নারীরা নিরাপদ মনে করেন না।

ব্যক্তিত্বহীন

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। যেসব পুরুষরা ব্যক্তিত্বহীন আচরণ করে তাদেরকে নারীরা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে সবসময়। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের আচরণ, মেলামেশা ও সকল কাজকর্মই বেশ বিরক্তির দৃষ্টিতে দেখেন নারীরা।

দায়িত্বহীন

যেসব পুরুষরা একটি বড় দায়িত্ব নিয়ে সেটি রক্ষা করতে পারে না অথবা অবহেলা করে সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করে না। নারীরা পুরুষের কাছে চায় নির্ভরতা ও আশ্রয়। যেসব পুরুষ একেবারেই নির্ভর করার মতো না কিংবা দায়িত্বগ্রহণ করার যোগ্য না তাদেরকে নারীরা সাধারণত সহ্য করতে পারে না।

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী

আত্মবিশ্বাসী পুরুষদেরকে নারীরা খুবই পছন্দ করে। পুরুষের আত্মবিশ্বাস পুরুষত্বকে যেন আরও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তাই বলে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নারীরা একেবারেই পছন্দ করে না। যেসব পুরুষদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস তারা সাধারণত নিজের মতামতের বাইরে আর কারও কোনও কথা কিংবা পরামর্শ শুনতে চায় না। তাই এ ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা সহ্য করতে পারে না।

অসামাজিক পুরুষ

এরা নিজেও আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-প্রতিবেশী থেকে দূরে থাকে। এবং তারা চায় তার জীবনসঙ্গীও যেন সবার কাছ থেকে দূরে থাকুক। এমন অসামাজিক পুরুষদেরকে কোনও নারী পছন্দ করেন না।

বেখেয়ালি পুরুষ

কিছু পুরুষ আছেন যারা খুবই বেখেয়ালি স্বভাবের। কোনও কিছু বললে কখনই খেয়াল থাকে না তাদের। বেশিরভাগ সময়েই অন্যমনস্ক স্বভাবের কারণে যত গুরুত্বপূর্ণ কথাই বলা হল ভুলে যায় তারা। এ ধরনের পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না।

অতিরিক্ত অহংকারী পুরুষ

নিজের অর্থ, চেহারা, গায়ের রঙ, বংশ কিংবা চাকরি নিয়ে অতিরিক্ত অহংকার করা পুরুষদেরকে নারীরা সহ্য করতে পারে না। নারী কিংবা পুরুষ কাউকেই অহংকার করা মানায় না একেবারেই। বিশেষ করে পুরুষরা যদি চেহারা কিংবা অর্থ নিয়ে অহংকারী আচরণ করে তাহলে তা খুবই দৃষ্টিকটু দেখায়।

নারী বিদ্বেষী

নারী বিদ্বেষী পুরুষদেরকে মহিলারা পছন্দ করেন না। যে পুরুষ সারাক্ষণ মহিলা সহকর্মী, বান্ধবী, কিংবা নিকট নারী আত্মীয় সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন, মহিলাদের পোশাক এমনকী চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক কথা বলেন সেসব পুরুষ থেকে মেয়েরা দূরে থাকতে পছন্দ করেন।

ছিঁচ কাঁদুনে

কিছু কিছু পুরুষ আছেন প্রেমিকা একটু দেরিতে ফোন ধরলেই কেঁদে ভাসিয়ে ফেলেন। এসব ছিঁচ কাঁদুনে পুরুষদেরকে মহিলারা মোটেও পছন্দ করেন না।

হাড় কিপ্টে

হাড় কিপ্টে পুরুষদের কোটি টাকা থাকলেও তারা বন্ধু-বান্ধবীর সঙ্গে রেস্টরেন্টে খেতে গিয়ে এক কাপ চায়ের বিল দিতে চায় না। হাড় কিপ্টে পুরুষদের পকেট থেকে টাকা বের করে আনা কষ্টকর ব্যপার। এসব পুরুষদের কাছ থেকে মেয়েরা দশ হাত দূরে থাকতে চায়।

অতিরিক্ত মা ঘেষা

নিজের মাকে যে পুরুষ শ্রদ্ধা করেন, সে অন্য নারীকেও শ্রদ্ধা করেন। মাকে ভালোবাসেন এমন পুরুষ নারীর পছন্দের শীর্ষে। কিন্তু কিছু কিছু পুরুষ আছেন যারা মাকে অতিরিক্ত শ্রদ্ধা-ভক্তি করেন, মায়ের কথা ছাড়া এক ইঞ্চি জায়গা নড়াচড়া পর্যন্ত করেন না, সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারে অপছন্দ করেন।

মেয়েলি স্বভাবের

মেয়েরি-কূটকাচালি স্বভাবের পুরুষেরা সারাক্ষণ নিজের বন্ধু-বান্ধবী, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এমনকি নিজের ভাই-বোনের নামেও হিংসাত্মক কথা বলে বেড়ায়।

বন্ধু-পাগল

বন্ধু-বান্ধবী নেই এমন পুরুষদেরকে নারীরা যেমন পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি বন্ধ পাগল পুরুষদেরকেও পছন্দ করেন না।

ফ্লার্টিং

যেকোনো নারীর সঙ্গেই এরা ফ্লার্টিং করে বেড়ায়। বিয়ের পরও এদের চরিত্রের কোনও পরিবর্তন হয় না।

সূত্র: সংগৃহীত

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঘর সাজাবেন যেভাবে
    করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে অনেকেই ঘরোয়াভাবে নববর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা করেছেন। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ঘরেই নববর্ষ উদযাপনের আগে ঘরটি যেভাবে সাজিয়ে নিতে পারেন, তার কিছু উপায় তুলে ধরা হলো।    বেলুন টাঙানো ড্রয়িং রুমের দেয়ালে লাগাতে পারেন চিয়ার্স লেখা বেলুন। বাজারে ছোট, বড়, মাঝারি- বিভিন্ন মাপের চিয়ার্স বেলুন কিনতে পাওয়া যায়।   সেলফি তোলার নির্দিষ্ট জায়গা  বাড়িতে বন্ধুরা আসবে আর ছবি উঠবে না তা হয় নাকি। তাই বাড়ির কোনো একটি ফাঁকা জায়গায় তৈরি করে নিন সেলফি তোলার নির্দিষ্ট স্থান। জায়গাটিকে রঙিন বেলুন, রঙিন ফিতে দিয়ে সাজিয়ে নিন। আলোয় সাজুক ঘর নতুন বছরের উদযাপনে ঘরজুড়ে থাকুক আলোর মেলা। টুনি বাল্বগুলো ঝুলিয়ে দিতে পারেন দেয়ালজুড়ে। কিংবা ঘরে যদি কোনো গাছ থাকে, তার ওপরও ঝোলাতে পারেন টুনি বাল্ব। এই বছরের পুরনো ছবিগুলি টাঙাতে পারেন বসার ঘরের দেওয়ালজুড়ে অথবা ঘরের এক কোণে দড়ি টাঙিয়ে এই বছরের ভালো মুহূর্তের কিছু ছবি ক্লিপ দিয়ে আটকে দিতে পারেন। ছবিগুলির ওপর দু-একটি টুনি বাল্বের তারও ঝুলিয়ে দিতে পারেন। বছর শেষের সন্ধ্যায় জ্বলুক সুগন্ধি মোমবাতি আজকাল বিভিন্ন নকশা করা সুগন্ধি মোমবাতি পাওয়া যায়, বছর শেষের সন্ধ্যায় মোমের আলোয় এবং গন্ধে সুরভিত হয়ে উঠুক বাড়ি। সোফাতে রাখুন রঙিন কুশন ঘরের হাল ফেরাতে সোফা জুড়ে থাকুক রঙিন রঙিন কুশন। কুশনগুলোকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে নয়, সোফার গায়ে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন। সূত্র: আনন্দবাজার এনএইচ/টিআই
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঘর সাজাবেন যেভাবে
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
ফ্রিজের বোটকা গন্ধে নাজেহাল হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিভিন্ন ধরনের খাবার, কাঁচা মাছ-মাংস বা শাক-সবজি থেকে যেমন এই ধরনের গন্ধ তৈরি হতে পারে, তেমনই জমে থাকা বরফ পরিষ্কার না হলে বা ফ্রিজের ভেতরে জমে থাকা অবাঞ্ছিত আবর্জনা থেকেও এই গন্ধ তৈরি হতে পারে। কিন্তু কোন উপায় রেহাই পাবেন এই সমস্যা থেকে? রইল কিছু সহজ টোটকা। * যদি রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখতে চান, তা হলে অবশ্যই বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন। খাবারের গন্ধের মিশেলে অনেক সময়ে ফ্রিজে গন্ধ হয়। * ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে। সাধারণত চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রাই ফ্রিজের জন্য আদর্শ। অন্যথায় ফ্রিজের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু জন্মায় যা বাজে গন্ধ তৈরি করতে পারে। * গরম জলে বেকিং সোডা গুলে তাতে ন্যাকড়া ভিজিয়ে মুছতে পারেন ফ্রিজ। এমনকি, এক বাটি জলে বেকিং সোডা গুলে ফ্রিজের ভেতরে রেখে দিলেও গন্ধ কমে অনেকটাই। * ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভেজানো এক টুকরো তুলো রেখে দিতে পারেন ফ্রিজের এক কোনায়। তাতে বাজে গন্ধের বদলে ফ্রিজে থাকবে সৌরভ। একটি প্লেটে করে অল্প কফি গুঁড়ো চব্বিশ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিলেও মুক্তি মিলতে পারে দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে। *  সর্বোপরি নিয়মিত পরিষ্কার করুন ফ্রিজ। শাক-সবজি বা মাছ-মাংস, এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজের ভেতর না রাখাই ভালো। এতে খাবারের গুণমান যেমন বজায় থাকে, তেমনই কমে দুর্গন্ধ সৃষ্টির সমস্যা। এসএস/টিআই
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ‌ব্লুচিজ’র পথচলা শুরু
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে অনলাইন ভিত্তিক ফ্যাশন হাউজ ব্লুচিজ এর (https://blucheez.com.bd) যাত্রা শুরু হলো।  মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান কেক কেটে ব্লুচিজ’র আনুষ্ঠানিক পথ চলার শুভ সূচনা করেন। ক্রেতাদের চাহিদা ও অভিনব ডিজাইনের কথা মাথায় রেখে ব্লুচিজের অনলাইন স্টোরে রয়েছে অপূর্ব পোশাকের সমাহার। যারা ব্যস্ততার জন্য মার্কেটে যেতে পারেন না তারা বিভিন্ন পেমেন্ট পদ্ধতিতে পছন্দের পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিমিন জামান বলেন, আমরা বিশ্ব মানের ফ্যাশন ট্রেন্ডকে তুলে আনার লক্ষ্যে অনলাইন প্রক্রিয়াকে প্রধান্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান অক্ষুন্ন রাখার জন্য ফেব্রিকগুলো ল্যাব টেস্টে মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে অর্ডারের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড় এবং পণ্যের অর্ডারের পর ক্রেতার হাতে তুলে দেবার সময় বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠানো হবে। এতে ক্রেতার স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে এবং ভুল অর্ডারের সংখ্যা এবং পণ্য বিনিময়ের সংখ্যা হ্রাস পাবে। এবং প্রতি অর্ডারের ক্ষেত্রেই ক্যাশ অন ডেলিভারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ক্রেতাদের রকমারি ও মানসম্মত পণ্য হাতে তুলে দিতে আমরা নিজস্ব ডিজাইন কর্মীদের দিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। ব্লুচিজর এই পণ্য ধীরে ধীরে ফ্যাশন সচেতন ক্রেতাদের মন জয় করে মার্কেটে তার অবস্থান সুদৃহ করবে বলে আমার বিশ্বাস। আরএ/
অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ‌ব্লুচিজ’র পথচলা শুরু
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
ওজন কমাতে কেউ ছেড়েছেন খাওয়া, আবার কেউ সকাল-বিকেল ছুটছেন জিমে, হাঁটছেন পার্কে। তবুও ওজন কিছুতেই কমছে না। তবে আপনাকে যদি বলা হয় শরীরচর্চা নয়, ওজন কমবে পরোটা খেয়ে, তাহলে চক্ষু চড়কগাছ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ পরোটা মানেই ঘি বা তেল চপচপে খাবার। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা তো এই ধরনের খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। তবে বলে রাখা ভালো এমন কিছু পরোটা আছে যা খেলে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে তা নয়, মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। পেঁয়াজের পরোটা পেঁয়াজে আছে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন ও ভিটামিন সি। যা শরীরের রোগপ্রতিরোধশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ওজন কমাতেও সহায়ক। পালংশাকের পরোটা ভিটামিন বি, ই, এবং পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং মাইক্রোনিউটিয়েন্ট সমৃদ্ধ পালংশাকের পরোটা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া পালং শাকে ক্যালোরি কম থাকে। পালং শাক দীর্ঘ সময়ের জন্যে পেট ভর্তি রাখে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা খানিক কমে। মেথির পরোটা মেথিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যা দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। মেথি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে ঠিক রাখে। এ ছাড়া মেথির অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরকে ক্ষতিকারক উপাদান থেকে বাঁচায়। কীভাবে তৈরি করবেন এমন স্বাস্থ্যকর পরোটা? এই পরোটাগুলির ক্ষেত্রে কোনোভাবেই বেশি তেল বা ঘি ব্যবহার করবেন না। পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন টকদই। হজম প্রক্রিয়া ভালো হবে। জোয়ার, বাজরা, বা রাগি আছে এমন ময়দা দিয়ে পরোটা বানান। কারণ এই উপাদানগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা। এসএস
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
শীতে যেসব খাবার অবশ্যই খাবেন
সারাদেশে শীত এখন জেঁকে বসেছে। শীতের বৈরী আবহাওয়া ত্বকের জন্য বয়ে আনে নানান ধরনের সমস্যা। হতে পারে বিভিন্ন রোগও। এই সময় সুস্থ থাকার জন্য ঋতুর এ পরিবর্তনে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সচেতন হতে হবে। কিন্তু শীতের কিছু সবজি, যা খেলে তরতাজা থাকবেন আপনি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকলেই ত্বক উজ্জ্বল রাখা সম্ভব। শীতে কিছু খাবার আপনাকে সজীবতা ও সুস্থতা দেবে।  জেনে নিন এই খাবারগুলো কী : হালকা কুসুম গরম পানি পান করুন। মাঝে মাঝে ডাবের পানি, ফলের রসও পান করতে পারেন। তিন বেলার খাবারের মেন্যুতে রাখতে পারেন বিভিন্ন ধরনের স্যুপ, গরম দুধ, দুধ ছাড়া চা, তিন-চার ফোঁটা লেবুর রস। এটি পানির সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও কাজ করবে।  শীতের রোগবালাই দূর করতে মূলজাতীয় সবজি ভালো কার্যকর। বিট, মিষ্টি আলু, গাজর, শালগমের মতো নানা সবজি শীতে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। এসব সবজিতে থাকা ভিটামিন ও নানা পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।  শীতের সময় বেশি করে টকজাতীয় ফল খেতে পারেন। কমলা, বরই, পেয়ারা ভিটামিন সির দারুণ উৎস হতে পারে।  ত্বক ভালো রাখার জন্য প্রয়োজন ফ্যাটি এসিড। বাদাম, মাছ এই ধরনের খাবার বেশি করে খান। ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলুন। এ ছাড়া মাছের সঙ্গে শিম যুক্ত করে খেতে পারেন। এই শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বকও ভালো থাকবে। শীতের সময়ে খেতে পারেন পুষ্টিকর পালংশাক। পালংশাক ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। অতিরিক্ত ওজনও কমায়। এই সবজি শীতে আমাদের শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে। শীতে খাওয়ার নিয়ম ঠিকঠাক না মেনে চললে শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে। খাবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই শীতে খাবার খাওয়ার প্রতি খাবার বাছাইয়ে সচেতন হোন। এসকে
শীতে যেসব খাবার অবশ্যই খাবেন
আরও পড়ুন
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
৫ দফা দাবিতে কুষ্টিয়ায় বিড়ি শ্রমিক ও তামাক চাষিদের মানববন্ধন
ইভা রহমানের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তোলপাড়