ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

নারীদের দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধি কি আদৌ বাস্তব!

ডয়চে ভেলে

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:২২ পিএম
ফাইল ছবি

সামাজিক মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক নারী ‘দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধির' অভিজ্ঞতার কথা বলছেন৷ টিকটকে এটি এখন জনপ্রিয় এক বিষয়৷ কিন্তু ‘দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধি' কি আদৌ বাস্তব?

১৯৩০-এর দশকে ভ্যাসেকটমি অস্ত্রোপচারের পর দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধির অভিজ্ঞতা লাভের কথা বলেছিলেন বিখ্যাত কবি ডাব্লিউ বি ইয়েটস৷ ইংরেজি ভাষাভাষীদের মধ্যে সম্ভবত এমন দাবি তিনিই প্রথম করেছিলেন, তবে শেষ নন৷

প্রায় ১০০ বছর পরে এসে দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধি বিষয়টি টিকটকে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ডসে রূপ নিয়েছে, প্রায় ছয় কোটি মানুষ তাতে যুক্ত হয়েছেন৷ টিকটকের অনেক ব্যবহারকারী তাদের দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধির অভিজ্ঞতার কথা বিনিময় করছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী৷ এই নারীরা তাদের অপ্রত্যাশিত ও ব্যাখ্যাতীত শারীরিক পরিবর্তনের কথা বলছেন৷ কারো পরিবর্তন শরীরের ওজন সংক্রান্ত, কারো ঘটছে ত্বক ও চুলের পরিবর্তনও৷

চিকিৎসাশাস্ত্র কী বলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধি বলে কিছু নেই৷ মানুষ জীবনে একবারই এই পর্যায়টি অতিক্রম করে৷ তবে হরমোন থেরাপির মধ্য দিয়ে যাওয়া ট্রান্স মানুষেরা এমন কিছু অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন যা দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধি ব্যাপারটির হয়ত কাছাকাছি৷

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ইভ ফেইনবার্গ মনে করেন সিসজেন্ডার (জন্মগত লিঙ্গ পরিচয়) নারীদের মধ্যে, বিশোর্ধ নারীদের ক্ষেত্রে সবার অভিন্ন ওজন বৃদ্ধির কোন চিকিৎসাগত ব্যাখ্যা নেই৷ তার মতে যদিও এমনটা ঘটে তার কারণ সম্ভবত লাইফস্টাইল বা জীবনযাপনের পরিবর্তন৷

তিনি বলেন, অনেক সময় মানুষ এই বয়সে জীবনে প্রথমবারের মতো একা থাকতে শেখে৷ খাওয়া-দাওয়া করে, পান করে এবং কম ব্যায়াম করে জীবনকে উপভোগ করে৷

সামাজিক মাধ্যমে নারীরা এজন্য হরমোনগত পরিবর্তনকে দায়ী করলেও ফেইনবার্গ সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন৷ তিনি ব্যাখ্যা করেন, যদিও মানুষ ওজন বাড়ার জন্য হরমোনকে দোষারোপ করে, কিন্তু যে হরমোনগুলি সত্যিই দায়ী সেগুলি খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত৷

যেমন, ইনসুলিন, ঘেরলিন ও লেপটিন৷ কিন্তু ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মতো নারী প্রজনন সম্পর্কিত হরমোনের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই৷ একই কথা বলেছেন ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগোর মেটাবলিক মেডিসিনের অধ্যাপক নাভিদ সাত্তার৷ নারীদের ওজন বৃদ্ধির জন্যে তিনিও হরমোন নয়, জীবনযাপনের পরিবর্তনকে দায়ী বলে মনে করেন৷

তিনি জানান, পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় সমবয়সী পুরুষদের চেয়ে নারীদের ওজন বৃদ্ধি বা স্থূল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে৷ বয়সের সাথে সাথে গৃহস্থালি ও পেশাগত কাজ এবং সমবয়সী পুরুষদের চেয়ে কম বাহিরের কাজে যুক্ত হওয়ার কারণে মেয়েরা স্ট্রেস বা মানসিক চাপে থাকে৷ এটি তাদের ওজন বৃদ্ধির একটি কারণ৷

টিকটক ও নারীর স্বাস্থ্য টিকটকে নারীদের ওজন বৃদ্ধির কারণ নিয়ে নানা রকমের আলোচনা চলছে৷ যোগ্যতা না থাকলেও অনেকেই বিশেষজ্ঞ মতামত রাখছেন৷ তার থেকে প্রভাবিত হচ্ছেন অনেকে৷ কিন্তু বিশোর্ধদের ওজন বৃদ্ধির নানা কারণ রয়েছে৷ গর্ভাবস্থার পাশাপাশি, এই বয়সের নারীরা ওজন বৃদ্ধি ঘটে এমন অনেক কিছুর সঙ্গে যুক্ত হন৷ ধূমপান করা, অ্যালকোহল পান, সহবাস, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কিংবা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার; এর সবই এই বয়সে ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে৷

এমনকি কুড়ির পরেও নারীদের বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তনগুলো স্বাভাবিকভাবেই অব্যাহত থাকতে পারে৷ যেমন, সারাজীবনই তাদের স্তনের আকারের পরিবর্তন হতে পারে৷ ওজন বৃদ্ধি নিয়ে ২০২২ সালে ৩৫ বছরের বেশি বয়সী ১৩ হাজার জনের উপর চালানো একটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়৷ অংশ নেয়াদের মধ্যে বিগত দশ বছরে কাদের ওজন বেশি বেড়েছে এমন পরীক্ষায় কম বয়সীরা, অর্থাৎ ৩৬ থেকে ৩৯ বছরের নারীরা এগিয়ে ছিলেন৷

যুক্তরাষ্ট্রে চালানো এই পরীক্ষায় শ্বেতাঙ্গ নারীদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গ ও মেক্সিকান অ্যামেরিকান নারীদের স্থূল হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে৷ তবে সব নারীরাই তাদের সমবয়সী পুরুষের চেয়ে বেশি ওজন লাভ করেছেন৷ এই গবেষণায় ৩৬ বছরের নীচের কোন নারীকে নেয়া হয়নি৷

প্রতিবেদনে গবেষকরা বলেছেন, যদি ৩০ বছর বয়সীদের অন্তর্ভুক্ত করা হতো, তাহলে ২০ বছর বয়স থেকে থেকে তাদের ওজন বৃদ্ধির হিসাব নিতে হতো৷ এর সমস্যা হলো ২০ বছরের পরও অনেকের শারীরিক বিকাশ অব্যাহত থাকে৷ এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, দ্বিতীয় বয়ঃসন্ধি বলে বাস্তবে কিছু না থাকলেও বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে নারীদের শারীরিক পরিবর্তন অব্যাহত থাকে৷

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পার্টি ছাড়াই উদযাপন করুন বর্ষবরণ
বছরের শেষ দিনকে আনন্দের মাধ্যমে বিদায় জানাতে আশেপাশে যেন ধুম পরেছে পার্টির। বিভিন্ন পার্টি ডেস্টিনেশনে নানান আয়োজন। রাস্তাঘাট সেজে উঠেছে রঙিন সাজে। এ যেনো পুরো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুনকে স্বাগত জানানোর মহা আনন্দ। অনেক কিছু ভুলে আনন্দে মেতে ওঠার এই তো সময়। ফলে আয়োজনের কোনও ত্রুটি নেই। কিন্তু অনেকেই পার্টি বা পার্টির হইচই পরিবেশ পছন্দ করে না। কিন্তু নিউ ইয়ার সেলিব্রেশন থেকে তিনিই বা বঞ্চিত হবেন কেন। হ্যাঁ, পার্টি ছাড়াও সেলিব্রেশনের বহু উপায় আছে।  জেনে নিন টিপসগুলো- যদি বছর শেষের রাতে মন ভালো রাখতে চান, তবে নিজের ঘরটাই পছন্দমতো সাজিয়ে তুলুন। লাইটের আলো নিভিয়ে সেন্টেড ক্যান্ডেল জ্বালিয়ে দিন। মৃদু আলোয় মায়াময় পরিবেশ তৈরি হবে। মিউজিক সাউন্ডে হালকা করে পছন্দের কোনও গান চালিয়ে দিতে পারেন। পার্টির থেকে এই পরিবেশ কম আকর্ষক নয়। পরিবেশ তো তৈরি হলো। এবার করবেন কী? অনেক কিছু করার আছে। যদি একা একা সময় কাটাতে ভালবাসেন, তবে ২০২৩ সালের প্রিয় স্মৃতিগুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করুন। ল্যাপটপের হার্ড ডিস্ক বা মোবাইল খুঁজে দেখুন। অনেক প্রিয় ছবি খুঁজে পাবেন। একটা অ্যালবাম বানিয়ে ফেলতে পারেন। কীভাবে বছরটা কাটল তার একটা কোলাজ তৈরি করে ফেলুন। এছাড়া পুরনো অ্যালবামগুলোও নাড়াচাড়া করে দেখতে পারেন। ব্যস্ত জীবনে খুব একটা সময় তো হয় না। অবসর কাটান মনের মতো। যদি সিনেমা দেখতে ভালবাসেন, তবে এই পরিবেশে পছন্দের একটা সিনেমা দেখে ফেলুন, সঙ্গে গরম কফির ব্যবস্থা রাখবেন। বন্ধুবান্ধব বা প্রিয়জনকে কাছে নিয়ে কফি আর পছন্দের স্ন্যাক্স নিয়ে মনের মতো একটা সিনেমা দেখার থেকে ভালো সময় আর কীভাবে কাটাবেন। আপনি যদি বইপোকা হন তবে তো কথাই নেই। এমন অনেক পুরনো বই আছে, যা একবার পড়েছেন, আবার পড়তে ইচ্ছে করে, কিন্তু সময়ের অভাবে হয়ে ওঠে না। এই অবসরে পড়ার টেবিলের আলোটা জ্বালিয়ে বই পড়ুন। দেখবেন, নিজের প্রিয় জগতের মধ্যে ডুবে থেকে সময়টা ভালোই কাটবে।  পার্টির হইচই পছন্দ হয় না। কিন্তু নাচ-গান তো ভালবাসেন। তাহলে সাউন্ড সিস্টেমে পছন্দের মিউজিক চালিয়ে নিজেই হালকা দুলে নিতে পারেন। দেখবেন সময়টাও ভালো কাটবে। নিজেকেও অনেকটা ঝরঝরে লাগবে। কাজের চাপে নিজেরই খেয়াল রাখতে পারেন না? এই অবসরে না হয় সেই কাজটি সেরে ফেলুন। কোনও স্পা সেন্টারে চলে যান। বছর শেষের মুহূর্তে নিজেকে নিয়েই না হয় একটু মেতে থাকলেন। তাছাড়া নতুন বছর, নতুন চাপ, নতুন করে ব্যস্ততা। তার আগে নিজেকে একটু চাঙ্গা করে নিতে পারবেন। এই শহরেই থাকেন। কিন্তু শহরের অনেকটাই তো অদেখা। হাতে যদি সময় থাকে, তখন না হয় একটু ঘুরেই আসুন। পছন্দের যে পোশাকটি অনেকদিন পরবেন পরবেন করেও পরতে পারছেন না, আজ সেটা পরে ফেলুন। তারপর বেরিয়ে পড়ুন চেনা শহরের অচেনা জায়গায়। মাঝে পছন্দের কোনও খাবার কিনে খেয়েও নিতে পারেন। চাইলে একটু শপিংও করে নিতে পারেন। শেষমেশ এ সব যদি কোনও কিছুই পছন্দ না হয় তাহলেও উপায় আছে। যে খাবার অনেকদিন খেতে পারছেন না তার অর্ডার করে ফেলুন। তার পর চিন্তাভাবনা ছাড়া টানা ঘুম দিন। হ্যাঁ, ফোনটি সুইচ অফ করে দিতে পারেন। এই সময়টা একেবারে নিজেকেই দিন।
পার্টি ছাড়াই উদযাপন করুন বর্ষবরণ
অফিসে বছরকে স্বাগত জানানোর মজাদার আইডিয়া
আর একদিন পরেই শুরু হবে ২০২৪ সাল। কীভাবে এই নতুন দিনটিকে কাটাবেন তা নিয়ে উৎসাহের শেষ নেই মানুষের মনে। কিন্তু যাদের এই বিশেষ দিনেও কাজ রয়েছে। তারা কীভাবে স্বাগত জানাবেন নতুন বছরকে?  আসুন জেনে নেওয়া যাক বিশেষ কিছু টিপস-  যাদের বছরের শেষ দিন বা প্রথম দিনেও অফিস রয়েছে তারা নতুন বছরকে ঠিক করে উদযাপন করতে পারেন না এক্ষত্রে কাজের মধ্যেই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পারেন। অফিসের কলিগদের সঙ্গে এদিন একটু অন্যভাবে কাটানোর প্ল্যান করুন। সকলকে ভিন্ন ভিন্ন পদ রান্না করে আনতে বলতে পারেন। একসঙ্গে লাঞ্চ সারতে পারেন ক্যাফেটেরিয়ায়।  সময় পেলে বেশ কয়েকটা গ্রিটিংস হাতে বানিয়ে ফেলুন। উপহার দিন পছন্দের সহকর্মীকে। প্রতিটি গ্রিটিংস যেন আলাদা আলাদা হয়। চাইলে প্রত্যেকের চরিত্র বিশ্লেষণ করেও কিছু লিখতে পারেন কার্ডে।  বিশেষ দিন সেলিব্রেট করার জন্য বেশ কয়েকটি উপহার কিনে ফেলুন চাইলে চকোলেটও কিনতে পারেন এদিন অফিসে যার সঙ্গে কোনও একসময় বাকবিতন্ডায় জড়িয়েছেন তার সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করুন। আশা করি বিশেষ দিনে তিনিও আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাইবেন। দিনের শেষে একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা হবে। নিউ ইয়ারের দিনে রাতে অফিস থাকলে ঠিক ১২টার কয়েক মিনিট আগে কাজ থেকে উঠে পড়ুন। এই বিশেষ কিছুটা সময় নিজেকে সময় দিন পারলে চলে যান ব্যালকনিতে। মনের সমস্ত গ্লানি মুছে নিজেকে সারা বছর ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিন। 
অফিসে বছরকে স্বাগত জানানোর মজাদার আইডিয়া
বাচ্চার দাঁত শক্তিশালী করবে যে খাবারগুলো 
শিশুর দাঁত–সংক্রান্ত যাত্রা শুরু হয় শিশুর দাঁতের সঠিক যত্নের সঙ্গেই। আপনার শিশুর দাঁতগুলো ঠিকমতো ব্রাশ করতে শিখলে তাদের দাঁতের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী উপকার দিতে পারে। আপনার শিশুর প্রথম দাঁত উপস্থিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দাঁত পরিষ্কার করা শুরু করুন এবং মৌখিক স্বাস্থ্যবিধিতে জড়িত মৌলিক অভ্যাসগুলো সম্পর্কে সচেতন হন। শিশু অবস্থা থেকেই দাঁতের যত্ন নেয়া এবং দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখা যে কতটা প্রয়োজনীয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দুধ সাদা কচি দাঁতের সারি যাতে শক্তিশালী ও সুন্দর হয়, তা দেখার দায়িত্ব কিন্তু মা-বাবার ওপরই বর্তায়। ভালো ব্রাশ-পেস্ট দিয়ে নিয়মিত দুবেলা দাঁত পরিষ্কার, খাওয়ার পরে ভালো করে মুখ ধোয়া ছাড়াও, কিছু কিছু খাবারও আছে যা বাচ্চার দাঁতকে সুস্থ রাখবে। কোন কোন খাবার বাচ্চার দাঁত শক্তিশালী করে তুলতে পারে, দেখে নিন একনজরে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার- যে সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে, সেই সমস্ত খাবার খেলে বাচ্চার মাড়ি ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। মুরগীর মাংস এবং ডিম এই ক্ষেত্রে খুব উপকারী। এই মাংস, বাদাম আর ডিমের মতো প্রাণীজ প্রোটিনে উচ্চমাত্রায় ফসফরাস থাকে, যা দাঁতের জন্য খুবই ভালো। দুগ্ধজাত খাবার- দাঁত শক্তিশালী হওয়ার পেছনে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দুধ ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত খাবার এই ক্যালসিয়ামের অন্যতম উৎস। দুধ, দই, পনির এই সব খাবারে উপস্থিত ক্যালসিয়াম একদিকে যেমন হাড় শক্ত করে, আবার দাঁতের এনামেলের স্বাস্থ্যও ভালো করে। আবার কিছু কিছু দুগ্ধজাত দ্রব্য মুখের মধ্যে স্যালাইভা বা লালা নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়, যা বাচ্চার দাঁতকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। দুধের সঙ্গে খুব বেশি চিনি গুলে দেবেন না। অতিরিক্ত চিনি খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার- বাচ্চাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে দিন। কমলালেবু, সবুজ তরিতরকারি, স্ট্রবেরি, আলু, পাতিলেবু ইত্যাদি ভিটামিন সি-এর অন্যতম উৎস। ভিটামিন সি মুখের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে দেয়। মাড়ির রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করে। বাচ্চা এই ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার খেলে ভালো করে মুখ ধুইয়ে দিতে ভুলবেন না। কারণ, এই সব ফল অ্যাসিডিক হওয়ায় বেশিক্ষণ মুখে থাকলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাজা সবজি ও ফল- বাচ্চাকে গাজর, আপেল, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি খাওয়ান। এসব খাবার বাচ্চাকে চিবিয়ে খেতে হয়। চিবোনোর ফলে এই ফল বা সবজি ছোট ছোট টুকরোয় ভেঙে যায় ও পরোক্ষভাবে দাঁতের প্লাক দূর করে। আপেল কামড়ে খেলে দাঁতের গর্ত এবং দাগ চলে যায়; তাছাড়া মুখের লালার পরিমাণও বাড়ে। রাতে খাবারের পর শিশুকে আপেল খেতে দিন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও সুস্থ থাকবে। পানি-শিশু যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। পানি দাঁত ও মাড়িতে লেগে থাকা খাদ্যকণা সরিয়ে দেয়। পানি মাড়িকে শুকনো হতে দেয় না এবং এনামেলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পানিতে ফ্লোরাইড নামক একটি খনিজ থাকে, যা দাঁত ভেঙে যেতে দেয় না। ডার্ক চকলেট- ঠিক শুনেছেন, ডার্ক চকলেট দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ডার্ক চকলেটের কোকোয়াতে ট্যানিন থাকে, যা দাঁতের জন্য খুব উপকারী। মুখের ভেতরে অ্যাসিড তৈরি হওয়া কম করে, দাঁতের ক্ষয় হওয়া থেকে বাঁচায় ও মাড়ির রক্ত চলাচল বাড়ায় এই ডার্ক চকলেট। প্রত্যেকদিন অল্প পরিমাণে ডার্ক চকলেট খেলে দাঁতে প্লাক জমার প্রবণতা কমে। এছাড়া ডার্ক চকলেটে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সার্বিকভাবে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো করে। এছাড়াও মিষ্টি, চিনি বা মিষ্টি চকলেট খেলে ভালো করে দাঁত, মাড়ি পরিষ্কার করা প্রয়োজন। বাচ্চাদের দাঁত নির্দিষ্ট সময় অন্তর দন্ত-চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
বাচ্চার দাঁত শক্তিশালী করবে যে খাবারগুলো 
গলায় মাছের কাঁটা আটকালে দলা ভাত খাওয়া ঠিক নয়!
খাবার খাওয়ার সময় যদি কোনও কারণে গলায় মাছের কাঁটা আটকে যায় তাহলে আপনারা কি করবেন? আপনাদের অনেকের মধ্যে এখনও একটি ধারণা রয়েছে যে, দলা পাকানো শুকনো ভাত, মুড়ি এবং কলা খেলে মাছের কাঁটা ভিতরে চলে যায়। হ্যাঁ এটা একদমই সত্যি যে অনেক সময় মাছের কাঁটাটা ভিতরে চলে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা একদম ভুল! এই বিষয়ে ডাক্তারদের মতএমত অনুযায়ী, আপনারা কখনোই এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করবেন না। সাধারণত অনেক বেশি তাড়াহুড়ো এবং অসাবধানতার কারণে আমাদের গলায় যে টনসিল থাকে সেই জায়গায় মাছের কাঁটাগুলো আটকে যায়। খাবার খাওয়ার সময় যদি আপনাদের গলায় মাছের কাঁটা আটকে যায়। সবার প্রথমে আপনাদের যেটা করতে হবে সেটা হলো, তৎক্ষণাৎ ঢোক গেলা বন্ধ করে দিতে হবে। মাছের কাঁটা আটকে যাওয়ার পরে আপনারা আর একবারও ঢোক গিলবেন না। আপনারা সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস পানি নিয়ে গারগল করবেন এবং ওয়াক ওয়াক শব্দ তুলবেন। দেখবেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনাদের গলায় আটকে থাকা কাঁটাটি সহজেই বাইরে বেরিয়ে চলে আসবে। পরবর্তীতে যদি কাঁটা দেখা যায় তবেই আঙুল দিয়ে বের করার চেষ্টা করবেন। অন্যথায় কাঁটা দিকে আঙুল দিয়ে বের করার চেষ্টা একদমই করবেন না। যদি গার্গল করার পরেও মাছের কাঁটা বাইরে বের না হয় তাহলে আপনারা ওই রোগীকে নিয়ে হসপিটালের এমার্জেন্সিতে চলে যাবেন। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। তবে যদি কোনও কারণে মাছের কাঁটা পেটের ভিতরে চলে যায় তাহলে সেটা নিয়ে ভয় পাবার কোনও কারণ নেই। কারণ পেটের মধ্যে অনেকগুলো এরকম এনজাইম আছে, যারা মাছের কাঁটাকে গলিয়ে ফেলতে পারে। সূত্র : নিউজ ১৮
গলায় মাছের কাঁটা আটকালে দলা ভাত খাওয়া ঠিক নয়!
চুইংগাম গিলে ফেললে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব পড়ে? 
গালের ফ্যাট কমানো থেকে মুখের দুর্গন্ধ দূর করার সহজ উপায় হিসেবে অনেকেই চুইংগামের ওপর ভরসা করেন। অতর্কিতে বা অসাবধানতাবশত অনেক সময়ই চুইংগাম আমরা গিলে ফেলি। কিন্তু কখনও ভেবেছেন এই চুইংগাম পেটে চলে গেলে কী হয়? এর ফলে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব পড়ে? 
চুইংগাম গিলে ফেললে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব পড়ে? 
আরও পড়ুন
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রবাসী নারী, অতঃপর... 
প্রচারণায় নারীর চরিত্র নিয়ে বাজে মন্তব্য, ইসিতে অভিযোগ
পুরুষের ফুটবল খেলাতে নারী রেফারি, হাজারও মানুষের ঢল
২০২৩ সালে ধর্ষণের শিকার ৫৭৩ নারী : আসক