
বাড়িতে ঢুকেই যে জায়গাটি সবার আগে চোখে পড়ে, সেটি হলো লবি। এই ছোট্ট জায়গাই যেন অন্দরের পূর্বাভাস। লবির সাজ অন্দরসজ্জার সামগ্রিক ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে তা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত এক আড্ডাস্থল। তাই লবি সাজানো শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, বরং এটি বাড়ি বা ভবনের প্রথম ইমপ্রেশনও তৈরি করে।
রংয়ের ছোঁয়া
অন্দরে যে রং প্রাধান্য পাচ্ছে, লবিতেও তার প্রতিফলন থাকলে সেটিই হয়ে ওঠে আকর্ষণের কেন্দ্র। যেমন—সোফা, চেয়ার বা কুশনে রাখা যেতে পারে নীল, ফিরোজা বা কমলা। দেয়াল বা অন্যান্য আসবাবে রাখা যেতে পারে হালকা রং।
আসবাবের ধরন
আরামদায়ক চেয়ার বা ছোট সোফা, সঙ্গে একটি টেবিল—লবির জন্য আদর্শ। আধুনিক ধারায় হালকা নকশার আসবাব জনপ্রিয়, বোহেমিয়ান ধারায় বাঁশ-বেতের ব্যবহার মানানসই। ধ্রুপদি ধারায় রাখা যেতে পারে বড় আকৃতির সোফা বা আরামকেদারা।
অনুষঙ্গের ছোঁয়া
ফুল, পেইন্টিং, ল্যাম্পশেড কিংবা কার্পেট—লবির সাজে বাড়তি মাত্রা যোগ করে। আধুনিক ধারায় বিমূর্ত পেইন্টিং, বোহেমিয়ান ধারায় পাটের কার্পেট আর ভিক্টোরীয় ধারায় কারুকার্যময় আয়না বেশ মানানসই।
ট্রেন্ডি সোফা রং
আন্তর্জাতিক আসবাবপ্রবণতায় এখন সাহসী রঙের জয়জয়কার। ধূসর আর সাদার একঘেয়েমি ছেড়ে মানুষ বেছে নিচ্ছে চকোলেট ব্রাউন, অলিভ সবুজ, গাঢ় নীল কিংবা রেট্রো কমলা। হালকা টোনও জনপ্রিয় থাকলেও, উজ্জ্বল রঙে লিভিং স্পেসে আনছে নতুন মাত্রা।
যা আর ট্রেন্ডে নেই
ডিজাইনারদের মতে, ২০২৫-এ আর জনপ্রিয় নয় অতিরিক্ত আড়ম্বরপূর্ণ বা শুধু স্টাইলিশ কিন্তু অপ্র্যাকটিক্যাল সোফা। একঘেয়ে সেট ফার্নিচারের পরিবর্তে এখন চলছে বৈচিত্র্যময়, আরামদায়ক ও ব্যবহারোপযোগী আসবাবের যুগ।
লবি শুধু পথচলার জায়গা নয়, বরং এটি হতে পারে চায়ের আড্ডা কিংবা বই পড়ার আসর। তাই রঙ, আসবাব ও অনুষঙ্গের সঠিক মিশেলেই ছোট্ট এ জায়গা হয়ে উঠতে পারে আপনার অন্দরের প্রাণ।
আরটিভি/এসআর




