ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

এ সপ্তাহটা আপনার কেমন যাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৯:৫৭ এএম

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল)

লাইলী-মজনুর প্রেম সম্পর্কে কি আপনার কোনও ধারণা আছে? আপনি এ সপ্তাহে সে ধরনের প্রেমে পড়তে পারেন। তবে সেটা শুধুমাত্র এ সপ্তাহের জন্যই। সপ্তাহ শেষে আপনার মনে আর কোনও প্রেম অবশিষ্ট থাকবে না। তাই বুঝে শুনে যা করার এ সপ্তাহেই করুন। আপনার জন্য এ সপ্তাহ শুভ। এমনকি লাইলীর দেয়া যন্ত্রণাও শুভ। এ সপ্তাহে মেষ জাতকরা পাবেন জিন্স ও টপস পরা মডার্ন লাইলী এবং মেষ জাতিকারা পাবেন কানে দুল, হাতে ব্রেসলেট পরা মডার্ন মজনু।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)

এ সপ্তাহে আপনি ছ্যাকা খাবেন। কি ভয় পাচ্ছেন? ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ছ্যাকা মানেই যে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকার কাছ থেকে পাওয়া ছ্যাকা তা কিন্তু নয়। রান্না করতে গিয়েও আপনি ছ্যাকা খেতে পারেন। আবার সে সূর্যের কাছ থেকেও ছ্যাকা খেতে পারেন। তবে শরীরে ছ্যাকা খেলেও এ সপ্তাহে আপনার মন ভাল থাকবে। বৃষ ছেলেরা এ সপ্তাহে বান্ধবীদের মন যুগিয়ে চলুন। তাদের মন যুগিয়ে না চললে কিন্তু ভোগান্তি আপনাকে পোহাতেই হবে। সুতরাং সাবধান।

মিথুন (২২ মে-২১ জুন)

গত সপ্তাহে আপনার শরীরের উপর খুব চাপ গেছে। এ সপ্তাহে সেই চাপ যাবে মনের ওপর। মন সংক্রান্ত কোনো ঝামেলায় পড়তে পারেন। তাই মন বিনিময় করার সময় একটু সর্তক হন। যেচে কে বিপদে পড়তে চায় বলুন? আত্মীয়-স্বজনের কথায় ওঠাবসা করা আপনার স্বভাব। এ স্বভাব পরিবর্তনের চেষ্টা করুন। আপনার নিজেরও তো মতামত থাকতে পারে। আর আপনি নিজেও যে একজন মানুষ সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করুন। এটা প্রমাণ করতে পারলেই আপনার জীবন সার্থক হবে।

কর্কট (২২জুন-২২ জুলাই)

গলাবাজি করা আপনাকে খুব বেশি মানায়। এ কারণেই আপনার চারপাশে সবসময় ভণ্ড এবং বাটপার টাইপ লোকজন ছেয়ে থাকে। তবে এ ব্যাপারে আপনি একদমই সাবধান না। আজ থেকেই সাবধান হন। তা না হলে কিন্তু আপনি আপনার প্রিয় সম্পদ হারাবেন। এখনই আপনার প্রিয় সম্পদের একটা তালিকা করে ফেলুন। তালিকায় উল্টোপাল্টা কোনো কিছুর নাম লেখবেন না। আপনার প্রিয় সম্পদের তালিকায় কি কি আছে সেটা আর কেউ না জানলেও আমি কিন্তু জানি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: আজ ঢাকায় কোথায় কী হচ্ছে
--------------------------------------------------------

সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)

মানুষকে সন্দেহ করা আপনার চরিত্রের একটা বড় গুণ! যাকে তাকে আপনি সন্দেহ করেন। আপনার বাবা আপনাকে হাত খরচ কেন কম দেন এ নিয়ে নিজের বাবাকেও আপনি সন্দেহ করেন! এ ধরনের সন্দেহ করা একদমই ঠিক না। আপনার আবার উঠতে বসতে প্রেম করার স্বভাব। এখন পর্যন্ত কতগুলো প্রেম করেছেন বলুন তো? ঠিক না, এসব একদমই ঠিক না। এখনও সময় আছে, ভাল হয়ে যান। ভাল হতে পয়সা লাগে না।

কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

কি যাদু করিলা, প্রাণেতে মারিলা- এ জাতীয় গান আপনার ঠোঁটে লেগে থাকবে এ সপ্তাহে। আর এই কারণে আপনি এ সপ্তাহে বেশ কয়েকবার মারাও যাবেন। মারা যাবার পর বুঝবেন কেমন লাগে। মারা যাওয়ার এ অভিজ্ঞতার জন্য আপনার নাম গিনেস বুকে উঠতে পারে। তাই এ সুযোগ হেলায় হারাবেন না। চেষ্টা করেই দেখুন। তবে কিভাবে মারা যাবেন এটা আপনার দায়িত্ব।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

কন্যা রাশির জাতক জাতিকাদের মতো আপনিও এ সপ্তাহে থামানো গাড়ির নিচে মাথা দিয়ে মারা যেতে পারেন। এমনকি থামানো ট্রেনের বগির নিচে অথবা বগির ওপরেও মাথা দিতে পারেন। তবে এতে মারা না যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আপনি নিজেকে দেশের সেরা সম্পদ বলে মনে করেন। কিন্তু অনেকেই আপনাকে দেশের আপদ বলে মনে করে। বুঝলেন তো আমি যা বোঝাতে চাইছি। আপনার যা করতে ইচ্ছে হয় সেটাই করুন এ সপ্তাহে।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

ওভারব্রিজে ওঠার সময় আপনি সাবধান হন। বিশেষ করে ছাউনিবিহীন ওভারব্রিজে। কেননা ছাউনিবিহীন ওভারব্রিজে উঠলে আপনি রোদ অথবা বৃষ্টির কবলে পড়তে পারেন। তাই নিজেকে সামলিয়ে চলুন। এ সপ্তাহে আপনার জন্য বেশ কিছু সুসংবাদ অপেক্ষা করছে। নাহ! আপনার ভাগ্যটা সত্যিই ভাল। এ সপ্তাহ আপনার জন্য পুরোপুরি শুভ। আপনি যা খুশি তাই করতে পারেন!

ধনু (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

এ সপ্তাহে আপনার হৃদয় তপ্ত হতে পারে। তপ্ত হৃদয় নিয়ে আপনি গ্যাসের খরচ বাঁচাতে উদ্যোগী হবেন। হৃদয়ের উপর যে কোনও ধরনের খাবার রান্না করে খেতে পারেন। তাই এই হৃদয় কাউকে কখনও দেয়ার চেষ্টা করবেন না। যাকে দেয়ার চেষ্টা করবেন সে কিন্তু আপনার হৃদয়ের মর্যাদা বুঝবে না। তাই নিজের হৃদয় নিজের কাছেই রেখে দিন।

মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

ইচ্ছেমতো বৃষ্টিতে ভিজুন এ সপ্তাহে। কেননা বৃষ্টিতে যতই ভিজুন না কেন আপনার জ্বর এবং সর্দি কোনোটাই হবে না। কারণ জ্বর এবং সর্দি হওয়ার জন্য যে সফটওয়্যার আপনার শরীরে থাকা দরকার তা এখন পর্যন্ত ডাউনলোড করা হয়নি। তাই বলে আবার ইচ্ছে করে ডাউনলোড করে নেবেন না। প্রয়োজনে বান্ধবীর সফটওয়্যারটাও ডিলিট করে ফেলুন। তারপর দুজন মনের মাধুরী মিশিয়ে বৃষ্টিতে ভিজুন।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

স্বপ্নগুলো কেন এলোমেলো- এই তথ্য জানার জন্য আপনি এ সপ্তাহে আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। কারণ স্বপ্ন দেখাই আপনার কাজ। স্বপ্নে আপনি অনেক কাজই করেন, কিন্তু সেগুলো কখনোই বাস্তবে পরিণত হয় না। অবশ্য এজন্য আপনি স্বপ্ন দেখা থেকে দূরেও থাকেন না। তবে অনুরোধ, স্বপ্নে যাই দেখুন সেন্সর করে দেখুন। বলা তো যায় না, কাটপিসের অভিযোগে স্বপ্নের মাঝেই আপনি শ্রীঘরে চলে গেলেন। তাই সাবধান থাকুন।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

মানুষের মন আপনি কখনোই বুঝতে পারেন না। কারণ আপনার নিজেরই মন নেই। তাই মন তৈরি করার জন্য বেশি করে আলু খান। এমনিতেই আপনি বেশ আলু সাইজ শরীরের অধিকারী। বেশি করে আলু খান, পোলাও-কোরমার ওপর চাপ কমান- এটা আপনার প্রিয় শ্লোগান। তাই মন তৈরির জন্য যত পারেন খোসাসহ আলু খান।

রাশিফল মিলে যাওয়ার পুরোটাই নির্ভর করে নিজের ওপর। এই রাশিফল মিলে গেলে সব কৃতিত্ব জ্যোতিষির অর্থাৎ আমার। আর না মিললে সব দায়দায়িত্ব পাঠকের অর্থাৎ আপনার। তবে এই রাশিফল কিন্তু পুরোপুরি মজা করার জন্যই লেখা!

-জ্যোতিশ সম্রাট অরু আচার্য্য

আরও পড়ুন:

কেএইচ/ জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
সহজ ভাষায় এটাকে বলে ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসা। আর ব্যায়ামের ভাষায় স্কোয়াট। ভেঙে বললে, চেয়ারে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ও পিঠ সোজা রেখে দাঁড়ানো। হাত দুটো সামনের দিকে টানটান করে ছড়িয়ে রাখা। প্রতিদিন শরীরচর্চার সময় না পেলেও অন্তত মিনিট পাঁচেক এভাবে দাঁড়ানোর অভ্যাস আপনার শরীরে কী উপকার করতে পারে দেখে নিন- বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ শরীরচর্চার সময় না পেলেও নিয়ম করে মিনিট পাঁচেক স্কোয়াট আপনাকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে পারে। লাফানো, দৌড়ানো, হাঁটাহাঁটিতে পায়ের পেশীর যে উপকার মেলে, স্কোয়াট তার অনেকটাই পুষিয়ে দেয়। শুধু পেশীর জোর বাড়ানোই নয়, টেস্টোস্টেরন ও গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে বিশেষ কার্যকর এই ব্যায়াম। যার জেরে পেশীর বৃদ্ধি ও ভরকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। সারা শরীরে শক্তির সমান বণ্টনের ক্ষেত্রেও বিশেষ কাজ করে এই ব্যায়াম। স্কোয়াট করলে শুধু পেশীর উপকার নয় বরং হাঁটাহাঁটিতে যে পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন হয়, তার চেয়েও বেশি ফ্যাট ঝরাতে পারে এই ব্যায়াম। স্কোয়াটের ফলে যেসব মাংসপেশি সুগঠিত হয়, তার প্রতি পাউন্ডের জন্য অতিরিক্ত ৫০-৭০ ক্যালোরি বার্ন হয়। ফলে মাত্র ১০ পাউন্ড পেশী থেকেই মিলতে পারে ৫০০-৭০০ ক্যালোরি বার্ন। এই ব্যায়াম মাসখানেক করলে দৌড়ানো, লাফানো বা পরিশ্রম করার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। যারা খেলোয়াড়, তাদের ক্ষেত্রেও জোরে দৌড়াতে কিংবা বেশি লাফাতে সাহায্য করে স্কোয়াট। এই ব্যায়ামের প্রভাবে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হরমোন ক্ষরণ, কোষে কোষে পুষ্টিগুণ পৌঁছানোর কাজও সহজ হয়ে যায়। ফলে পেটের সমস্যা প্রতিরোধ, সারা শরীরে উপকারী বডি ফ্লুয়িড পৌঁছনোর মতো প্রয়োজনীয় জৈবিক কাজও অনেক সহজ করে তোলে এই স্কোয়াট অভ্যাস।   ডি/এসএস
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
বছরের শেষের দিকে এসে প্রতিবারই নিজের পছন্দের বইয়ের তালিকা জানান বিল গেটস। এবার এই তালিকার পাঁচটি বই সবাইকে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট চালু করতে গিয়ে হার্ভার্ড থেকে ঝরে পড়েন গেটস। বর্তমানে তিনি পৃথিবীর শীর্ষ দানশীল ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। ফোর্বস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর বিল গেটস প্রায় ৫০টি বই পড়ার সময় পান। এরপর নিজের পছন্দের বইগুলোর তালিকা প্রকাশ করেন এবং অন্যদের পড়ার পরামর্শ দেন। এবার বিল গেটস যে বইগুলো পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন- টারা ওয়েস্টওভারের 'এডুকেটেড' প্রকাশিত গ্রন্থটিতে নিজের চলমান স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন টারা ওয়েস্টওভার। বইটি সম্পর্কে ব্লগে বিল গেটস লিখেছেন, 'আমি কখনো ভাবিনি, এমন পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হবো। তিনি একজন ভালো লেখক। বইটিতে যখন আমি তাঁর শৈশব সম্পর্কে পড়ছিলাম বিষয়টি আমার মনে গভীরভাবে প্রতিফলিত হচ্ছিল। পল শেয়ারির 'আর্মি অব নান' এই বইয়ে মূলত যুদ্ধে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, এটা খুব জটিল বিষয়। কিন্তু শেয়ারি এর পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং খুঁটিনাটি সবকিছু তুলে ধরেছেন। জন ক্যারেরিউয়ের 'ব্যাড ব্লাড' এই বইয়ে পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক জন ক্যারেরিউ মাল্টিবিলিয়ন ডলারের বায়োটেক ফার্ম থেরানস'র উত্থান-পতনের ভেতরের গল্প উপস্থাপন করেছেন। 'ব্যাড ব্লাড' নিউ ইয়র্ক টাইমসের তালিকা অনুযায়ী বেস্ট সেলার গ্রন্থ এবং এটি নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে। বইটি সম্পর্কে বিল গেটস জানান, আমি যতটা আশা করেছিলাম তার চেয়েও এই গল্পটা ভালো। বইটা পড়তে শুরু করার পর এটা আমি কখনও রাখতেই পারছিলাম না। ইউভাল নোয়াহ হারিরির 'টুয়েন্টি-ওয়ান লেসনস ফর দ্য টুয়েন্টি-ফার্স্ট সেঞ্চুরি' গত আগস্টে প্রকাশিত বইটিতে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই বই সম্পর্কে বিল গেটস লিখেছেন, হারারি যা লিখেছেন তার সবকিছুরই বড় একজন ফ্যান আমি। তাঁর এই বইটিও এর ব্যতিক্রম নয়। এতে পৃথিবীর অতীত ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে নজর দেয়া হয়েছে। বর্তমানে যে চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবেলা করছি সে সম্পর্কে চিন্তার একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে অনেক কাজে আসবে এই বই। অ্যান্ডি পুডিকমবির 'দ্য হেডস্পেস গাইড টু মেডিটেশন অ্যান্ড মাইন্ডফুলনেস' দিনে মাত্র ১০ মিনিটের মেডিটেশনে যে অনেক উপকার পাওয়া যাবে বইটি পাঠে সে বিষয়ে জানা যাবে। 'হেডস্পেস' নামের প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অ্যান্ডি পুডিকমবি মেডিটেশন ও মনোসংযোগ চর্চার সহজ ও কার্যকর কৌশলগুলো সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী থেকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হওয়া পর্যন্ত পুডিকমবি কীভাবে মেডিটেশন করেছেন এবং কীভাবে সঠিকভাবে মেডিটেশন করতে হয় তার ব্যাখ্যা করেছেন বইটিতে। ডি/
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
উপকরণ ফুলকপি ১টি (মাঝারি), হলুদের গুঁড়া প্রয়োজন মতো, মরিচের গুঁড়া পরিমাণমতো, পাপড়িকার গুঁড়া এক চা চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা কোয়ার্টার চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ একটি (কুচি), ধনেপাতা দুই টেবিল চামচ, চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার দুই টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, বেকিং পাউডার কোয়ার্টার চা চামচ, বেসন পরিমাণমতো, তেল ভাজার জন্য যতটুকু প্রয়োজন। প্রস্তুত প্রণালি ফুলকপি ধুয়ে কেটে নিন। খুব বেশি ছোট টুকরা করবেন না। প্যানে পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। পানি গরম হলে ফুলকপির টুকরা দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন প্যান। আশি শতাংশ পর্যন্ত সেদ্ধ করুন ফুলকপি। এর বেশি সেদ্ধ করবেন না। পানি ঝরিয়ে অর্ধেক অংশ নিয়ে নিন পাকোড়া তৈরির জন্য। কোয়ার্টার চা চামচ হলুদের গুঁড়া, এক চা চামচ মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, পাপড়িকার গুঁড়া, কোয়ার্টার চা চামচ আদা বাটা, এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার, লবণ দিয়ে মেখে নিন ফুলকপির টুকরা। পাপড়িকার গুঁড়া সুন্দর একটি স্মোকি ফ্লেভার যোগ করবে ও লালচে রঙ নিয়ে আসবে পাকোড়ায়। তবে এটি না থাকলে ব্যবহার না করলেও চলবে। অল্প করে বেসন দিয়ে মাখাতে হবে সব উপকরণ। কয়েক চা চামচ বেসন ও পানি দিয়ে এমনভাবে মাখান যেন ফুলকপির চারপাশে বেসনের কোটিং লেগে থাকে। প্যানে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভাজতে হবে পাকোড়া। মাঝারি আঁচে ভাজবেন। ডি/  
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
গ্যাস্ট্রিকের কারণে অনেকেই মারাত্মক সমস্যায় পড়েন। ঠিকমতো কোনও কিছুই খেতে পারেন না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে নিয়মিত কয়েকটি খাবার খেলে। চলুন দেখে নেয়া যাক গ্যাস্ট্রিক দূর করতে কি খাবেন- গুড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রেহাই দিতে পারে গুড়। বুক জ্বালাপোড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায় ততক্ষণ মুখে রেখে দিন। তবে এ সমাধান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয়। লবঙ্গ গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দুটি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চুষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি। আদা বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। পুদিনা পাতা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন। তুলসী পাতা ঔষধি গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা কে না জানে। অ্যাসিডিটি দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা শুরু হলে ৫/৬টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে দেখুন, ভালো ফল পাবেন। এছাড়া প্রতিদিন তুলসী পাতা পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেলে একেবারে দূর হবে গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সমস্যা। বোরহানি বদহজম থেকে রক্ষা করে বোরহানি। এ পানীয়টি টক দই, বিট লবণ ইত্যাদি অ্যাসিডিটি বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি। প্রতিদিন খাবারের পর এক গ্লাস বোরহানি পানের অভ্যাস করতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। ডি/এ
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
খুশি বা যেকোনও বিজয় উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে ঘরের তৈরি কালোজাম। দেখে নিন কিভাবে কালোজাম তৈরি করবেন- উপকরণ ময়দা আধা কাপের চেয়ে একটু বেশি, গুঁড়া দুধ ২ কাপ, ডিম ২টি, বেকিং পাউডার ২ চা চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, তরল দুধ ২ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, সিরার জন্য চিনি ৬ কাপ, পানি ৩ কাপ।  প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল গরম করুন। এরপর বাটিতে দুটো ডিমে ২ টেবিল চামচ তরল দুধ এবং ৩ টেবিল চামচ ঘি একসঙ্গে খুব ভালো করে ফেটে নিতে হবে। এবার অন্য একটা প্লেটে গুঁড়া দুধ, ময়দা এবং ২ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার দিয়ে মিক্স করে নিয়ে ফেটে রাখা ডিমের মিশ্রণটিতে ভালো করে মাখিয়ে নিন। হাতের তালুতে সামান্য ঘি লাগিয়ে পছন্দের শেপ অনুযায়ী গোল গোল গোল্লা করে নিন। চুলায় তেল গরম করে গরম তেলে মিষ্টিগুলো ঢিমা আঁচে কালচে করে ভাজুন। তবে এদিকে খেয়াল রাখতে হবে যেন চুলার জ্বাল বেড়ে না যায়। বেশি আঁচে ভাজলে মিষ্টিগুলো কাঁচা আর ভেতরে গুটির মতো শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। এবার অন্য একটি কড়াইতে চিনি ও পানি দিয়ে মিষ্টির জন্য সিরা করে নিন। ভাজা মিষ্টিগুলো বলক ওঠা সিরায় ছেড়ে দিয়ে ৫-৬ মিনিটের জন্য রেখে দিন। মিডিয়াম আঁচে চুলার ওপর কিছুক্ষণ রাখুন। এবার চুলা বন্ধ করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। ২ ঘণ্টা পর পরিবেশন করুন। আকর্ষণীয় উপায়ে পরিবেশন করতে কালোজামের ওপর মাওয়া ছড়িয়ে দিন। ডি/এসএস
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
আরও পড়ুন
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে