ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

এ সপ্তাহটা আপনার কেমন যাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০১৮, ০৯:২০ এএম

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল)

কেমন কাটলো আপনার গত সপ্তাহ? নিশ্চয় ভাল! যে ছেলে বান্ধবীদের সামনে মাথা নিচু করে থাকে তার পুরো সপ্তাহ ভাল তো কাটবেই! যাই হোক, আপনার এ সপ্তাহের প্লানিং যেন সুপরিকল্পিত হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন। আবার ভুল করে বসবেন না যেন। মেষ রাশির মেয়েরা গত সপ্তাহে বেশ আনন্দে ছিলেন। এ সপ্তাহে সেই আনন্দের ছিটেফোঁটাও অবশিষ্ট থাকবে না। সুতরাং সাবধানতা অবলম্বন করুন।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)

বৃষ রাশির জাতক জাতিকাদের জন্য বেশ কিছ সুসংবাদ অপেক্ষা করছে এ সপ্তাহে। এমন সব সুসংবাদ যা শুনে আপনি আনন্দে ধেই ধেই করে নাচতে শুরু করবেন। আপনার নাচ দেখে আশেপাশের গরু-ছাগল দৌঁড়ে আসবে! তারা আপনাকে একান্ত আপন মনে করে আপনার নাচের সঙ্গে তাল মেলাবে। তবে গরু-ছাগলের সঙ্গে নাচতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে হাত-পা ভেঙ্গে বসবেন না যেন! এ সপ্তাহে আপনার অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

মিথুন (২২ মে-২১ জুন)

গত সপ্তাহে বেড়াতে গিয়ে আপনি পুকুরের মাঝে পড়েছেন। পুকুরের ঘোলা পানি খেয়ে বাথরুমের সঙ্গে আপনার নিয়মিত যোগাযোগও হয়েছে! এ সপ্তাহে আপনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন। সেগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে নিয়মিত ঘোলা পানি খাওয়ার সিদ্ধান্ত! কারণ আপনার প্রিয় স্থান বাথরুম। বেডরুমের চেয়ে বাথরুমে থাকতেই আপনি বেশি পছন্দ করেন। এ সপ্তাহে পড়াশোনার দিকে মনোযোগ দিতে একদমই ভুল করবেন না। ভুল করলেই আপনার পড়াশোনা লাটে উঠবে।

কর্কট (২২জুন-২২ জুলাই)

কর্কট রাশির জাতকদের বলছি, এ সপ্তাহের মধ্যেই ভাল হয়ে যান। খুব বেশি সময় কিন্তু আর আপনার হাতে নেই। দিন-রাত মেয়ে মানুষের পেছনে ঘুরঘুর করা আপনার স্বভাবে পরিণত হয়েছে! এ স্বভাব পরিবর্তন করুন। নইলে কপালে দুর্ভোগ আছে। কর্কট রাশির মেয়েরা ইদানীং অন্যদের সঙ্গে কর্কশ আচরণ করছেন! আপনারা এ স্বভাব থেকে বের হয়ে আসুন। ক্যাম্পাসে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠুন। সময় আপনার ভাল কাটবেই।

সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)

সিংহ আমি বনের রাজা, কেশর আছে ঘাড়ে- এ লাইনটি আপনার খুব প্রিয়। তবে আগেই বলেছি কাজে-কর্মে আপনি এখন পর্যন্ত সিংহ হয়ে উঠতে পারেননি। চেষ্টা করুন। অবশ্যই আপনি সফল হবেন। সিংহ রাশির জাতকরা এমনিতেই কিছুটা লাজুক প্রকৃতির। অবশ্য আপনার এই লাজুক স্বভাবের জন্য মেয়েরা আপনাকে পছন্দই করে। আপনাকে বিড়ালের মতো পোষ মানিয়ে রাখতে চায়! সিংহ রাশির জাতিকারা এ সপ্তাহে বিপদে পড়তে পারেন। তাই সাবধানে চলাফেরা করুন।

কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

কন্যা রাশির কন্যারা কানাকানিতে বেশ পারদর্শী। আপনারা সকাল বিকাল বান্ধবীদের সঙ্গে কানাকানি করেন। কানাকানি বোঝেন তো? কানে কানে যে কথা তাই কানাকানি। আপনার এ কানাকানির পরিমাণ এ সপ্তাহে আরও বাড়বে। তবে কিছু সুসংবাদও রয়েছে আপনার জন্য। যেমন এ সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্যের বিশেষ উন্নতি ঘটবে। ফলে বাংলা সিনেমাতে অভিনয়ের প্রস্তাব পাবেন। নাহ! আপনার ভবিষ্যৎ সত্যিই উজ্জ্বল! কন্যা রাশির জাতকরা এ সপ্তাহে হারানো সম্পদ ফিরে পাবেন।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

খুব তো কাজ করলেন গত সপ্তাহে। টাকা-পয়সাও ভালই কামালেন। কিন্তু এতো টাকা দিয়ে করবেন কী বলুনতো! এখন পর্যন্ত আপনার ভাগ্যে বউ জোটেনি। ও ভুলেই গিয়েছি, বউ না থাকলেও আপনার একাধিক বান্ধবী রয়েছে! তাদের পেছনেই তো আপনি যাবতীয় টাকা-পয়সা খরচ করেন! চিন্তামুক্ত থাকুন। আপনার রাশি বলছে এ সপ্তাহেও আপনার ভাগ্যে অর্থপ্রাপ্তি রয়েছে। তুলা রাশির জাতিকাদের জন্যও এ সপ্তাহ বেশ শুভ। কেননা এ সপ্তাহে আপনারা পরিবারের চাপমুক্ত থাকবেন।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

বৃশ্চিক রাশির জাতিকারা রূপচর্চা করতে বেশ পছন্দ করেন। দিনের প্রায় অর্ধেকটাই আপনি পার করেন রূপচর্চা করে! যেহেতু আপনি এখনো অবিবাহিত তাই আপনার রূপচর্চা সামগ্রীর যোগান দিতে আপনার বাবাকে ভালই বেগ পেতে হয়। অবশ্য এ বিষয়টা আপনার বাবা আপনাকে কখনোই বুঝতে দেন না। মেয়ের মুখের হাসিই তার কাছে সবচেয়ে দামি। নাহ! সত্যিই আপনি ভাগ্যবতী। এ সপ্তাহে বাবার মন যুগিয়ে চলুন। বৃশ্চিক রাশির জাতকরাও এ সপ্তাহ পার করবেন কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই।

ধনু (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

ধনু রাশির জাতক জাতিকাদের জন্য এ সপ্তাহ এক অন্যরকম সপ্তাহ। আমি আবার বলছি, এক অন্যরকম সপ্তাহ। এ সপ্তাহে আপনি বন্ধু-বান্ধবীদের দ্বারা সংবর্ধিত হবেন। ক্যাম্পাসে আপনার জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবে বহু গুণ। আপনি হবেন ক্যাম্পাস স্টার! জুনিয়ররা আপনাকে রীতিমত ঘিরে ধরবে। আপনার অটোগ্রাফ নিতে অটোগ্রাফ শিকারিদের লাইন পড়ে যাবে! এক কথায় বলতে গেলে এ সপ্তাহ আপনার জটিল কাটবে। তবে এই জনপ্রিয়তার মেয়াদ কিন্তু মাত্র এক সপ্তাহ!

মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

ক্যাম্পাসে আপনি মদন নামে পরিচিত! আপনার বন্ধু-বান্ধব আপনাকে আদর করে মদন নামে ডাকে। কোনো অনুষ্ঠানে মদন টাইপ কাউকে প্রয়োজন হলে আপনিই সবার আগে আমন্ত্রিত হন! তারচেয়েও বড় কথা এই মদন পরিচয়টিকে আপনি উপভোগ করেন! এগিয়ে যান। উন্নতি আপনার অনিবার্য। গত সপ্তাহে মকর রাশির জাতিকারা মোবাইলে কথা বলা কমিয়ে নিজের স্বভাব পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন। এটা ভাল লক্ষণ। এ সপ্তাহ ছেলে মকর এবং মেয়ে মকর- উভয়েরই ভাল কাটবে।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

আজকাল আপনি মোবাইল নিয়ে একটু বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। মোবাইলে কিভাবে কথা বলা হয়, কি কথা বেশি বলা হয়, রোমান্টিক কথা কখন বলা হয়, কোথায় নেটওয়ার্ক ভাল পাওয়া যায়- এসব বিষয় নিয়ে আপনি গবেষণায় নেমেছেন। আপনি মনে করছেন আপনার এই গবেষণা দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণে লাগবে। কিন্তু আপনার এই ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণিত করে মোবাইল অপারেটররা আপনার সবগুলো সিমের সংযোগ এ সপ্তাহেই বিচ্ছিন্ন করে দেবে! সুতরাং সাবধান।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

আচ্ছা বলুনতো মাইজার শব্দের অর্থ কী? ঠিকই বলেছেন, মাইজার শব্দের অর্থ হলো কৃপণ। এ সপ্তাহে ক্যাম্পাসে গিয়ে এই কৃপণ উপাধিই আপনার কপালে জুটবে। তবে আপনার বন্ধু-বান্ধব আপনাকে কৃপণ নয়, ‘কিপ্টা বাবা’ বলে ডাকবে। আর ‘কিপ্টা বাবা’ উপাধি পেয়ে আপনি পানি পড়া, সুতা পড়া দেয়া শুরু করবেন এবং এসবে অন্যদের কোনো কাজ না হওয়ায় উপহার হিসেবে উত্তম-মধ্যম ভালই পাবেন! তাই এ সপ্তাহে হাত খুলে খরচ করুন।

রাশিফল মিলে যাওয়ার পুরোটাই নির্ভর করে নিজের ওপর। এই রাশিফল মিলে গেলে সব কৃতিত্ব জ্যোতিষীর অর্থাৎ আমার। আর না মিললে সব দায়দায়িত্ব পাঠকের অর্থাৎ আপনার। তবে এই রাশিফল কিন্তু পুরোপুরি মজা করার জন্যই লেখা!

-জ্যোতিষ সম্রাট অরু আচার্য্য

কেএইচ/জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
সহজ ভাষায় এটাকে বলে ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসা। আর ব্যায়ামের ভাষায় স্কোয়াট। ভেঙে বললে, চেয়ারে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ও পিঠ সোজা রেখে দাঁড়ানো। হাত দুটো সামনের দিকে টানটান করে ছড়িয়ে রাখা। প্রতিদিন শরীরচর্চার সময় না পেলেও অন্তত মিনিট পাঁচেক এভাবে দাঁড়ানোর অভ্যাস আপনার শরীরে কী উপকার করতে পারে দেখে নিন- বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ শরীরচর্চার সময় না পেলেও নিয়ম করে মিনিট পাঁচেক স্কোয়াট আপনাকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে পারে। লাফানো, দৌড়ানো, হাঁটাহাঁটিতে পায়ের পেশীর যে উপকার মেলে, স্কোয়াট তার অনেকটাই পুষিয়ে দেয়। শুধু পেশীর জোর বাড়ানোই নয়, টেস্টোস্টেরন ও গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে বিশেষ কার্যকর এই ব্যায়াম। যার জেরে পেশীর বৃদ্ধি ও ভরকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। সারা শরীরে শক্তির সমান বণ্টনের ক্ষেত্রেও বিশেষ কাজ করে এই ব্যায়াম। স্কোয়াট করলে শুধু পেশীর উপকার নয় বরং হাঁটাহাঁটিতে যে পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন হয়, তার চেয়েও বেশি ফ্যাট ঝরাতে পারে এই ব্যায়াম। স্কোয়াটের ফলে যেসব মাংসপেশি সুগঠিত হয়, তার প্রতি পাউন্ডের জন্য অতিরিক্ত ৫০-৭০ ক্যালোরি বার্ন হয়। ফলে মাত্র ১০ পাউন্ড পেশী থেকেই মিলতে পারে ৫০০-৭০০ ক্যালোরি বার্ন। এই ব্যায়াম মাসখানেক করলে দৌড়ানো, লাফানো বা পরিশ্রম করার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। যারা খেলোয়াড়, তাদের ক্ষেত্রেও জোরে দৌড়াতে কিংবা বেশি লাফাতে সাহায্য করে স্কোয়াট। এই ব্যায়ামের প্রভাবে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হরমোন ক্ষরণ, কোষে কোষে পুষ্টিগুণ পৌঁছানোর কাজও সহজ হয়ে যায়। ফলে পেটের সমস্যা প্রতিরোধ, সারা শরীরে উপকারী বডি ফ্লুয়িড পৌঁছনোর মতো প্রয়োজনীয় জৈবিক কাজও অনেক সহজ করে তোলে এই স্কোয়াট অভ্যাস।   ডি/এসএস
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
বছরের শেষের দিকে এসে প্রতিবারই নিজের পছন্দের বইয়ের তালিকা জানান বিল গেটস। এবার এই তালিকার পাঁচটি বই সবাইকে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট চালু করতে গিয়ে হার্ভার্ড থেকে ঝরে পড়েন গেটস। বর্তমানে তিনি পৃথিবীর শীর্ষ দানশীল ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। ফোর্বস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর বিল গেটস প্রায় ৫০টি বই পড়ার সময় পান। এরপর নিজের পছন্দের বইগুলোর তালিকা প্রকাশ করেন এবং অন্যদের পড়ার পরামর্শ দেন। এবার বিল গেটস যে বইগুলো পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন- টারা ওয়েস্টওভারের 'এডুকেটেড' প্রকাশিত গ্রন্থটিতে নিজের চলমান স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন টারা ওয়েস্টওভার। বইটি সম্পর্কে ব্লগে বিল গেটস লিখেছেন, 'আমি কখনো ভাবিনি, এমন পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হবো। তিনি একজন ভালো লেখক। বইটিতে যখন আমি তাঁর শৈশব সম্পর্কে পড়ছিলাম বিষয়টি আমার মনে গভীরভাবে প্রতিফলিত হচ্ছিল। পল শেয়ারির 'আর্মি অব নান' এই বইয়ে মূলত যুদ্ধে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, এটা খুব জটিল বিষয়। কিন্তু শেয়ারি এর পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং খুঁটিনাটি সবকিছু তুলে ধরেছেন। জন ক্যারেরিউয়ের 'ব্যাড ব্লাড' এই বইয়ে পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক জন ক্যারেরিউ মাল্টিবিলিয়ন ডলারের বায়োটেক ফার্ম থেরানস'র উত্থান-পতনের ভেতরের গল্প উপস্থাপন করেছেন। 'ব্যাড ব্লাড' নিউ ইয়র্ক টাইমসের তালিকা অনুযায়ী বেস্ট সেলার গ্রন্থ এবং এটি নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে। বইটি সম্পর্কে বিল গেটস জানান, আমি যতটা আশা করেছিলাম তার চেয়েও এই গল্পটা ভালো। বইটা পড়তে শুরু করার পর এটা আমি কখনও রাখতেই পারছিলাম না। ইউভাল নোয়াহ হারিরির 'টুয়েন্টি-ওয়ান লেসনস ফর দ্য টুয়েন্টি-ফার্স্ট সেঞ্চুরি' গত আগস্টে প্রকাশিত বইটিতে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই বই সম্পর্কে বিল গেটস লিখেছেন, হারারি যা লিখেছেন তার সবকিছুরই বড় একজন ফ্যান আমি। তাঁর এই বইটিও এর ব্যতিক্রম নয়। এতে পৃথিবীর অতীত ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে নজর দেয়া হয়েছে। বর্তমানে যে চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবেলা করছি সে সম্পর্কে চিন্তার একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে অনেক কাজে আসবে এই বই। অ্যান্ডি পুডিকমবির 'দ্য হেডস্পেস গাইড টু মেডিটেশন অ্যান্ড মাইন্ডফুলনেস' দিনে মাত্র ১০ মিনিটের মেডিটেশনে যে অনেক উপকার পাওয়া যাবে বইটি পাঠে সে বিষয়ে জানা যাবে। 'হেডস্পেস' নামের প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অ্যান্ডি পুডিকমবি মেডিটেশন ও মনোসংযোগ চর্চার সহজ ও কার্যকর কৌশলগুলো সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী থেকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হওয়া পর্যন্ত পুডিকমবি কীভাবে মেডিটেশন করেছেন এবং কীভাবে সঠিকভাবে মেডিটেশন করতে হয় তার ব্যাখ্যা করেছেন বইটিতে। ডি/
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
উপকরণ ফুলকপি ১টি (মাঝারি), হলুদের গুঁড়া প্রয়োজন মতো, মরিচের গুঁড়া পরিমাণমতো, পাপড়িকার গুঁড়া এক চা চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা কোয়ার্টার চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ একটি (কুচি), ধনেপাতা দুই টেবিল চামচ, চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার দুই টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, বেকিং পাউডার কোয়ার্টার চা চামচ, বেসন পরিমাণমতো, তেল ভাজার জন্য যতটুকু প্রয়োজন। প্রস্তুত প্রণালি ফুলকপি ধুয়ে কেটে নিন। খুব বেশি ছোট টুকরা করবেন না। প্যানে পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। পানি গরম হলে ফুলকপির টুকরা দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন প্যান। আশি শতাংশ পর্যন্ত সেদ্ধ করুন ফুলকপি। এর বেশি সেদ্ধ করবেন না। পানি ঝরিয়ে অর্ধেক অংশ নিয়ে নিন পাকোড়া তৈরির জন্য। কোয়ার্টার চা চামচ হলুদের গুঁড়া, এক চা চামচ মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, পাপড়িকার গুঁড়া, কোয়ার্টার চা চামচ আদা বাটা, এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার, লবণ দিয়ে মেখে নিন ফুলকপির টুকরা। পাপড়িকার গুঁড়া সুন্দর একটি স্মোকি ফ্লেভার যোগ করবে ও লালচে রঙ নিয়ে আসবে পাকোড়ায়। তবে এটি না থাকলে ব্যবহার না করলেও চলবে। অল্প করে বেসন দিয়ে মাখাতে হবে সব উপকরণ। কয়েক চা চামচ বেসন ও পানি দিয়ে এমনভাবে মাখান যেন ফুলকপির চারপাশে বেসনের কোটিং লেগে থাকে। প্যানে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভাজতে হবে পাকোড়া। মাঝারি আঁচে ভাজবেন। ডি/  
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
গ্যাস্ট্রিকের কারণে অনেকেই মারাত্মক সমস্যায় পড়েন। ঠিকমতো কোনও কিছুই খেতে পারেন না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে নিয়মিত কয়েকটি খাবার খেলে। চলুন দেখে নেয়া যাক গ্যাস্ট্রিক দূর করতে কি খাবেন- গুড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রেহাই দিতে পারে গুড়। বুক জ্বালাপোড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায় ততক্ষণ মুখে রেখে দিন। তবে এ সমাধান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয়। লবঙ্গ গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দুটি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চুষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি। আদা বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। পুদিনা পাতা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন। তুলসী পাতা ঔষধি গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা কে না জানে। অ্যাসিডিটি দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা শুরু হলে ৫/৬টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে দেখুন, ভালো ফল পাবেন। এছাড়া প্রতিদিন তুলসী পাতা পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেলে একেবারে দূর হবে গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সমস্যা। বোরহানি বদহজম থেকে রক্ষা করে বোরহানি। এ পানীয়টি টক দই, বিট লবণ ইত্যাদি অ্যাসিডিটি বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি। প্রতিদিন খাবারের পর এক গ্লাস বোরহানি পানের অভ্যাস করতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। ডি/এ
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
খুশি বা যেকোনও বিজয় উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে ঘরের তৈরি কালোজাম। দেখে নিন কিভাবে কালোজাম তৈরি করবেন- উপকরণ ময়দা আধা কাপের চেয়ে একটু বেশি, গুঁড়া দুধ ২ কাপ, ডিম ২টি, বেকিং পাউডার ২ চা চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, তরল দুধ ২ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, সিরার জন্য চিনি ৬ কাপ, পানি ৩ কাপ।  প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল গরম করুন। এরপর বাটিতে দুটো ডিমে ২ টেবিল চামচ তরল দুধ এবং ৩ টেবিল চামচ ঘি একসঙ্গে খুব ভালো করে ফেটে নিতে হবে। এবার অন্য একটা প্লেটে গুঁড়া দুধ, ময়দা এবং ২ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার দিয়ে মিক্স করে নিয়ে ফেটে রাখা ডিমের মিশ্রণটিতে ভালো করে মাখিয়ে নিন। হাতের তালুতে সামান্য ঘি লাগিয়ে পছন্দের শেপ অনুযায়ী গোল গোল গোল্লা করে নিন। চুলায় তেল গরম করে গরম তেলে মিষ্টিগুলো ঢিমা আঁচে কালচে করে ভাজুন। তবে এদিকে খেয়াল রাখতে হবে যেন চুলার জ্বাল বেড়ে না যায়। বেশি আঁচে ভাজলে মিষ্টিগুলো কাঁচা আর ভেতরে গুটির মতো শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। এবার অন্য একটি কড়াইতে চিনি ও পানি দিয়ে মিষ্টির জন্য সিরা করে নিন। ভাজা মিষ্টিগুলো বলক ওঠা সিরায় ছেড়ে দিয়ে ৫-৬ মিনিটের জন্য রেখে দিন। মিডিয়াম আঁচে চুলার ওপর কিছুক্ষণ রাখুন। এবার চুলা বন্ধ করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। ২ ঘণ্টা পর পরিবেশন করুন। আকর্ষণীয় উপায়ে পরিবেশন করতে কালোজামের ওপর মাওয়া ছড়িয়ে দিন। ডি/এসএস
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
আরও পড়ুন
ভ্যাট দিচ্ছে জনগণ, দেশের হচ্ছে উন্নয়ন
সোমবার থেকে জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ
মেলার সময় বাড়ছে না, হচ্ছে না আয়কর সপ্তাহ
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে