ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

এ সপ্তাহটি আপনার কেমন যাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০১৮, ০৮:২৬ এএম
আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৮, ০৮:২২ এএম

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল)

আপনি গান গাইতে খুব পছন্দ করেন। আপনার গান শুনতেও অনেকে পছন্দ করে। যেমন ট্যাপ, শাওয়ার, টাওয়েল, কমোড-এরা আপনার গানের নির্বাক ভক্ত! এ সপ্তাহে আপনি গান গাওয়ার সময় সাবধান হন। কারণ গান গাইতে গাইতে আপনার মধ্যে উন্মাদনা চলে আসতে পারে। তাই গানের সঙ্গে সঙ্গে আপনি নাচবেনও। আর নাচতে গিয়ে বাথরুমেই পড়ে যেতে পারেন। তো সাবধান থাকাই উত্তম। এ সপ্তাহে আপনার প্রিয় গানের তালিকায় থাকতে পারে, ‘রূপবানে নাচে কোমর দুলাইয়া!’

বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)

স্বপ্ন দেখতে দেখতে আপনি এ সপ্তাহ পার করবেন বলে মনে হচ্ছে। কারণ আপনার রাশি বলছে, এ সপ্তাহে আপনি বাস্তবে থাকবেন না। বাস্তব বহির্ভূত একটা সপ্তাহ পার করবেন। স্বপ্নে থাকার বড় সুবিধা হলো আপনি যাই করবেন কোনো খরচ হবে না। এমনকি স্বপ্নে বান্ধবীর সঙ্গে ডেটিং করতে গিয়ে যা খুশি তাই করবেন! স্বপ্নে সে বাধাও দেবে না। তো স্বপ্নময় হোক আপনার সপ্তাহ। তবে শনিবারে স্বপ্ন দেখবেন না।

মিথুন (২২ মে-২১ জুন)

নদী আপনার খুবই প্রিয়। নদীর ধারে হাটতে নির্মল বাতাসে নিজেকে মেলে ধরতে আপনার খুবই ভাল লাগে। শুধু তাই নয়, নদীর বুকে অবগাহন করতেই আপনি বেশি পছন্দ করেন! এ সপ্তাহে আপনি নদীর কাছাকাছি থাকবেন। এমনও হতে পারে, নদীর কাছে আপনাকে যেতে হবে না, নদীই আপনার কাছে আসবে। নদী এবং নদীর পানিতো নিচের দিকেই যায়। তাই না?

কর্কট (২২জুন-২২ জুলাই)

আপনি প্রেম করতে খুব পছন্দ করেন। এজন্য আপনাকে সবাই প্রেমিক পুরুষ হিসেবেই জানে। আপনার কাছে প্রেম হলো একটা চলমান প্রক্রিয়া! এ সপ্তাহে আপনি প্রেমে ভরপুর থাকবেন। বেশ কয়েকটি অফার আপনার কাছে চলে আসবে। তবে অফারগুলোতে রাজি হওয়ার আগে একটু সাবধান হওয়া উত্তম। বেশি প্রেমে পড়ার কারণে আপনার স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে।

সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)

স্বপ্নে পাওয়া কোন মহৌষধ নিয়ে এ সপ্তাহে আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। তবে সেটা কি ধরনের ব্যবসা নিশ্চয় অনুমান করতে পারছেন! তবে যে কোনো ব্যবসাই আপনার জন্য শুভ। তাই স্বপ্নে কোনো কিছু না পেলে ক্যাম্পাসে বাদাম বিক্রির ব্যবসায় নামতে পারেন। এতে নিজের ডেটিংয়ের সময় যেমন বাদাম কিনতে হবে না তেমনি অন্যের ডেটিংয়ে সহায়তা করতে পারবেন। তো দেরি না করাই ভাল।

কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

স্মরণীয় কোনো কাজ করবেন এ সপ্তাহে। এই যেমন ফকিরকে ১ টাকা ভিক্ষা দেয়া। প্রিয় বন্ধুকে একটা সিগারেট খাওয়ানো। এ ধরনের স্মরণীয় কাজ করে আপনি হঠাৎ করে বিখ্যাত হয়ে যেতে পারেন! এছাড়া পুরো সপ্তাহ আপনার জন্য অত্যন্ত শুভ। গাড়িতে ওঠার সময় অতিরিক্ত সর্তকতা অবলম্বন করুন। টাকা-পয়সা খরচ করার ব্যাপারে একটু সাবধান হোন। প্রয়োজনে টিকিট না কেটে বাসে উঠুন। আপনার জন্য এটা তো আর নতুন কিছু না!

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

যাদু বোঝেন তো? বুঝলে ভাল, না বুঝলে আরও ভাল। আপনি এ সপ্তাহে কারো যাদুতে মুগ্ধ হবেন। তবে এ যাদু কোনো যাদুকরের যাদু নয়। বিপরীত লিঙ্গের যাদু! সপ্তাহ শেষে সেই যাদু আপনার ধ্বংসের কারণ হতে পারে। তাছাড়া এ সপ্তাহে আপনার মানিব্যাগের অবস্থা ভাল থাকবে। তাই খরচ করার ব্যাপারে কোনো ধরনের কার্পণ্য করবেন না। এমনিতেই আপনার হাত খুব বেশি চলে।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

আপনার বড় সম্পদ আপনার হাসি। মুচকি হাসি দিয়ে আপনার জীবনে অনেক কিছুই আপনি অর্জন করেছেন। তবে সেই হাসি কিছুটা ম্লান হতে পারে এ সপ্তাহে। কারণ দাঁতে ব্যথা কিংবা ঠোঁটে ব্যথা জাতীয় কোনো রোগে আপনি আক্রান্ত হবেন। ক্যাম্পাসে আপনি এমনিতেই খুব ফেমাস। এ সপ্তাহে সেই ফেমাসনেস আরো বাড়বে! সেটা আরো ভাল হবে আপনার জন্য। এগিয়ে চলুন।

ধনু (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

জানেন তো ঘরোয়া রাজনীতির উপর নিষেধাজ্ঞা অনেকটাই শিথিল। তাই এ সপ্তাহে নিশ্চিন্তে রাজনীতি করতে পারেন! আপনার রাশি বলছে রাজনীতি আপনার জন্য শুভ। তাই এখনই রাজনীতিতে নামুন। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে চলুন। কয়েক বছর পর আপনার নির্দিষ্ট একটা ঠিকানা হবে। সেটা যে চৌদ্দশিক এটা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন! অনেকে এটাকে শ্বশুরবাড়িও বলে। বিয়ে না করে যদি শ্বশুরবাড়ি পান সেটা কি কম হবে! তাই আর দেরি করা আপনাকে মানায় না।

মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

ছোটখাট অসুখ আপনাকে এ সপ্তাহে বেশ ভোগাবে। তাই নিজের দিকে খেয়াল রাখবেন। প্রেম থেকে দূরে থাকবেন। প্রেম আপনার জীবনে সৌভাগ্য ডেকে নাও আনতে পারে। ক্যাম্পাসের তরুণ শিক্ষকদের কাছ থেকেও দূরে থাকবেন! এছাড়া খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে একটু সাবধান হোন। যা পাবেন তাই খাবেন- এ জাতীয় নীতি পরিহার করুন। আপনি তো আর গরু-ছাগল নন। যদিও আজকাল গরু-ছাগলও সবকিছু খায় না!

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

টিভি দেখতে আপনি খুবই পছন্দ করেন। এ সপ্তাহে আপনি টিভি দেখবেন প্রচুর। তবে সেটা মনে মনে। কারণ প্রতিদিনের মতো এ সপ্তাহেও আপনার প্রিয় সিরিয়াল দেখতে গিয়েও বাসার কারেন্ট চলে যাবে। এক্ষেত্রে সুবিধা হলো প্রিয় সিরিয়ালের কাহিনী আপনি নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারবেন। তাই নো টেনশন। কিন্তু চোখের দিকেও বিশেষ নজর দিন।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। এই কথাটা আপনি কিছুতেই বিশ্বাস করেন না। এ সপ্তাহে এই কথাটা আপনাকে বিশ্বাস করতেই হবে। কারণ পুরো সপ্তাহে আপনি সবাইকে দিয়েই যাবেন! টাকা থেকে শুরু করে চিনিবিহীন সবচেয়ে মিষ্টি জিনিসও। তবে মনে বিশ্বাস রাখুন আগামী সপ্তাহ আপনার জন্য প্রাপ্তি সপ্তাহ। তো ইচ্ছেমতো সবাইকে বিলিয়ে যান। তবে বিলানোর ক্ষেত্রে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করুন। কি সাবধানতা সেটা আপনি বেশ ভাল করেই জানেন।

রাশিফল মিলে যাওয়ার পুরোটাই নির্ভর করে নিজের ওপর। এই রাশিফল মিলে গেলে সব কৃতিত্ব জ্যোতিশির অর্থাৎ আমার। আর না মিললে সব দায়দায়িত্ব পাঠকের অর্থাৎ আপনার। তবে এই রাশিফল কিন্তু পুরোপুরি মজা করার জন্যই লেখা!

-জ্যোতিষ সম্রাট অরু আচার্য্য

কেএইচ/জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
সহজ ভাষায় এটাকে বলে ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসা। আর ব্যায়ামের ভাষায় স্কোয়াট। ভেঙে বললে, চেয়ারে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ও পিঠ সোজা রেখে দাঁড়ানো। হাত দুটো সামনের দিকে টানটান করে ছড়িয়ে রাখা। প্রতিদিন শরীরচর্চার সময় না পেলেও অন্তত মিনিট পাঁচেক এভাবে দাঁড়ানোর অভ্যাস আপনার শরীরে কী উপকার করতে পারে দেখে নিন- বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ শরীরচর্চার সময় না পেলেও নিয়ম করে মিনিট পাঁচেক স্কোয়াট আপনাকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে পারে। লাফানো, দৌড়ানো, হাঁটাহাঁটিতে পায়ের পেশীর যে উপকার মেলে, স্কোয়াট তার অনেকটাই পুষিয়ে দেয়। শুধু পেশীর জোর বাড়ানোই নয়, টেস্টোস্টেরন ও গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে বিশেষ কার্যকর এই ব্যায়াম। যার জেরে পেশীর বৃদ্ধি ও ভরকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। সারা শরীরে শক্তির সমান বণ্টনের ক্ষেত্রেও বিশেষ কাজ করে এই ব্যায়াম। স্কোয়াট করলে শুধু পেশীর উপকার নয় বরং হাঁটাহাঁটিতে যে পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন হয়, তার চেয়েও বেশি ফ্যাট ঝরাতে পারে এই ব্যায়াম। স্কোয়াটের ফলে যেসব মাংসপেশি সুগঠিত হয়, তার প্রতি পাউন্ডের জন্য অতিরিক্ত ৫০-৭০ ক্যালোরি বার্ন হয়। ফলে মাত্র ১০ পাউন্ড পেশী থেকেই মিলতে পারে ৫০০-৭০০ ক্যালোরি বার্ন। এই ব্যায়াম মাসখানেক করলে দৌড়ানো, লাফানো বা পরিশ্রম করার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। যারা খেলোয়াড়, তাদের ক্ষেত্রেও জোরে দৌড়াতে কিংবা বেশি লাফাতে সাহায্য করে স্কোয়াট। এই ব্যায়ামের প্রভাবে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হরমোন ক্ষরণ, কোষে কোষে পুষ্টিগুণ পৌঁছানোর কাজও সহজ হয়ে যায়। ফলে পেটের সমস্যা প্রতিরোধ, সারা শরীরে উপকারী বডি ফ্লুয়িড পৌঁছনোর মতো প্রয়োজনীয় জৈবিক কাজও অনেক সহজ করে তোলে এই স্কোয়াট অভ্যাস।   ডি/এসএস
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
বছরের শেষের দিকে এসে প্রতিবারই নিজের পছন্দের বইয়ের তালিকা জানান বিল গেটস। এবার এই তালিকার পাঁচটি বই সবাইকে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট চালু করতে গিয়ে হার্ভার্ড থেকে ঝরে পড়েন গেটস। বর্তমানে তিনি পৃথিবীর শীর্ষ দানশীল ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। ফোর্বস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর বিল গেটস প্রায় ৫০টি বই পড়ার সময় পান। এরপর নিজের পছন্দের বইগুলোর তালিকা প্রকাশ করেন এবং অন্যদের পড়ার পরামর্শ দেন। এবার বিল গেটস যে বইগুলো পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন- টারা ওয়েস্টওভারের 'এডুকেটেড' প্রকাশিত গ্রন্থটিতে নিজের চলমান স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন টারা ওয়েস্টওভার। বইটি সম্পর্কে ব্লগে বিল গেটস লিখেছেন, 'আমি কখনো ভাবিনি, এমন পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হবো। তিনি একজন ভালো লেখক। বইটিতে যখন আমি তাঁর শৈশব সম্পর্কে পড়ছিলাম বিষয়টি আমার মনে গভীরভাবে প্রতিফলিত হচ্ছিল। পল শেয়ারির 'আর্মি অব নান' এই বইয়ে মূলত যুদ্ধে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, এটা খুব জটিল বিষয়। কিন্তু শেয়ারি এর পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং খুঁটিনাটি সবকিছু তুলে ধরেছেন। জন ক্যারেরিউয়ের 'ব্যাড ব্লাড' এই বইয়ে পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক জন ক্যারেরিউ মাল্টিবিলিয়ন ডলারের বায়োটেক ফার্ম থেরানস'র উত্থান-পতনের ভেতরের গল্প উপস্থাপন করেছেন। 'ব্যাড ব্লাড' নিউ ইয়র্ক টাইমসের তালিকা অনুযায়ী বেস্ট সেলার গ্রন্থ এবং এটি নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে। বইটি সম্পর্কে বিল গেটস জানান, আমি যতটা আশা করেছিলাম তার চেয়েও এই গল্পটা ভালো। বইটা পড়তে শুরু করার পর এটা আমি কখনও রাখতেই পারছিলাম না। ইউভাল নোয়াহ হারিরির 'টুয়েন্টি-ওয়ান লেসনস ফর দ্য টুয়েন্টি-ফার্স্ট সেঞ্চুরি' গত আগস্টে প্রকাশিত বইটিতে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই বই সম্পর্কে বিল গেটস লিখেছেন, হারারি যা লিখেছেন তার সবকিছুরই বড় একজন ফ্যান আমি। তাঁর এই বইটিও এর ব্যতিক্রম নয়। এতে পৃথিবীর অতীত ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে নজর দেয়া হয়েছে। বর্তমানে যে চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবেলা করছি সে সম্পর্কে চিন্তার একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে অনেক কাজে আসবে এই বই। অ্যান্ডি পুডিকমবির 'দ্য হেডস্পেস গাইড টু মেডিটেশন অ্যান্ড মাইন্ডফুলনেস' দিনে মাত্র ১০ মিনিটের মেডিটেশনে যে অনেক উপকার পাওয়া যাবে বইটি পাঠে সে বিষয়ে জানা যাবে। 'হেডস্পেস' নামের প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অ্যান্ডি পুডিকমবি মেডিটেশন ও মনোসংযোগ চর্চার সহজ ও কার্যকর কৌশলগুলো সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী থেকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হওয়া পর্যন্ত পুডিকমবি কীভাবে মেডিটেশন করেছেন এবং কীভাবে সঠিকভাবে মেডিটেশন করতে হয় তার ব্যাখ্যা করেছেন বইটিতে। ডি/
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
উপকরণ ফুলকপি ১টি (মাঝারি), হলুদের গুঁড়া প্রয়োজন মতো, মরিচের গুঁড়া পরিমাণমতো, পাপড়িকার গুঁড়া এক চা চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা কোয়ার্টার চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ একটি (কুচি), ধনেপাতা দুই টেবিল চামচ, চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার দুই টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, বেকিং পাউডার কোয়ার্টার চা চামচ, বেসন পরিমাণমতো, তেল ভাজার জন্য যতটুকু প্রয়োজন। প্রস্তুত প্রণালি ফুলকপি ধুয়ে কেটে নিন। খুব বেশি ছোট টুকরা করবেন না। প্যানে পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। পানি গরম হলে ফুলকপির টুকরা দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন প্যান। আশি শতাংশ পর্যন্ত সেদ্ধ করুন ফুলকপি। এর বেশি সেদ্ধ করবেন না। পানি ঝরিয়ে অর্ধেক অংশ নিয়ে নিন পাকোড়া তৈরির জন্য। কোয়ার্টার চা চামচ হলুদের গুঁড়া, এক চা চামচ মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, পাপড়িকার গুঁড়া, কোয়ার্টার চা চামচ আদা বাটা, এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার, লবণ দিয়ে মেখে নিন ফুলকপির টুকরা। পাপড়িকার গুঁড়া সুন্দর একটি স্মোকি ফ্লেভার যোগ করবে ও লালচে রঙ নিয়ে আসবে পাকোড়ায়। তবে এটি না থাকলে ব্যবহার না করলেও চলবে। অল্প করে বেসন দিয়ে মাখাতে হবে সব উপকরণ। কয়েক চা চামচ বেসন ও পানি দিয়ে এমনভাবে মাখান যেন ফুলকপির চারপাশে বেসনের কোটিং লেগে থাকে। প্যানে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভাজতে হবে পাকোড়া। মাঝারি আঁচে ভাজবেন। ডি/  
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
গ্যাস্ট্রিকের কারণে অনেকেই মারাত্মক সমস্যায় পড়েন। ঠিকমতো কোনও কিছুই খেতে পারেন না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে নিয়মিত কয়েকটি খাবার খেলে। চলুন দেখে নেয়া যাক গ্যাস্ট্রিক দূর করতে কি খাবেন- গুড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রেহাই দিতে পারে গুড়। বুক জ্বালাপোড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায় ততক্ষণ মুখে রেখে দিন। তবে এ সমাধান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয়। লবঙ্গ গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দুটি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চুষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি। আদা বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। পুদিনা পাতা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন। তুলসী পাতা ঔষধি গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা কে না জানে। অ্যাসিডিটি দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা শুরু হলে ৫/৬টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে দেখুন, ভালো ফল পাবেন। এছাড়া প্রতিদিন তুলসী পাতা পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেলে একেবারে দূর হবে গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সমস্যা। বোরহানি বদহজম থেকে রক্ষা করে বোরহানি। এ পানীয়টি টক দই, বিট লবণ ইত্যাদি অ্যাসিডিটি বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি। প্রতিদিন খাবারের পর এক গ্লাস বোরহানি পানের অভ্যাস করতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। ডি/এ
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
খুশি বা যেকোনও বিজয় উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে ঘরের তৈরি কালোজাম। দেখে নিন কিভাবে কালোজাম তৈরি করবেন- উপকরণ ময়দা আধা কাপের চেয়ে একটু বেশি, গুঁড়া দুধ ২ কাপ, ডিম ২টি, বেকিং পাউডার ২ চা চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, তরল দুধ ২ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, সিরার জন্য চিনি ৬ কাপ, পানি ৩ কাপ।  প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল গরম করুন। এরপর বাটিতে দুটো ডিমে ২ টেবিল চামচ তরল দুধ এবং ৩ টেবিল চামচ ঘি একসঙ্গে খুব ভালো করে ফেটে নিতে হবে। এবার অন্য একটা প্লেটে গুঁড়া দুধ, ময়দা এবং ২ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার দিয়ে মিক্স করে নিয়ে ফেটে রাখা ডিমের মিশ্রণটিতে ভালো করে মাখিয়ে নিন। হাতের তালুতে সামান্য ঘি লাগিয়ে পছন্দের শেপ অনুযায়ী গোল গোল গোল্লা করে নিন। চুলায় তেল গরম করে গরম তেলে মিষ্টিগুলো ঢিমা আঁচে কালচে করে ভাজুন। তবে এদিকে খেয়াল রাখতে হবে যেন চুলার জ্বাল বেড়ে না যায়। বেশি আঁচে ভাজলে মিষ্টিগুলো কাঁচা আর ভেতরে গুটির মতো শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। এবার অন্য একটি কড়াইতে চিনি ও পানি দিয়ে মিষ্টির জন্য সিরা করে নিন। ভাজা মিষ্টিগুলো বলক ওঠা সিরায় ছেড়ে দিয়ে ৫-৬ মিনিটের জন্য রেখে দিন। মিডিয়াম আঁচে চুলার ওপর কিছুক্ষণ রাখুন। এবার চুলা বন্ধ করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। ২ ঘণ্টা পর পরিবেশন করুন। আকর্ষণীয় উপায়ে পরিবেশন করতে কালোজামের ওপর মাওয়া ছড়িয়ে দিন। ডি/এসএস
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
আরও পড়ুন
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে