ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শবে বরাতে হালুয়া-রুটির প্রচলন যেভাবে এলো

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৪১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র শাবান মাসের ১৪ তারিখ রাতই মুসলমানদের কাছে পরিচিত শবে বরাত হিসেবে। এ রাতকে ঘিরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় নফল ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন। সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় ইবাদত, যা ভোরে ফজর নামাজ আদায়ের মাধ্যমে শেষ হয়।

শবে বরাত উপলক্ষে মুসলিম পরিবারগুলোতে দেখা যায় বিশেষ আয়োজন। ইবাদতের পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রেও থাকে নানা প্রস্তুতি। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ও জনপ্রিয় আয়োজন হলো হরেক রকমের হালুয়া ও রুটি। শুধু নিজেদের পরিবারের মধ্যেই নয়, প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনদের মাঝেও হালুয়া-রুটি বিতরণ করার একটি সামাজিক রীতি গড়ে উঠেছে।

তবে ইতিহাসবিদদের মতে, শবে বরাতে হালুয়া-রুটির প্রচলন কোনো ধর্মীয় বিধান বা ফরজ আমলের অংশ নয়। বরং এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ, যার মূল উদ্দেশ্য হলো আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এই পবিত্র রাতের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া।

ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়, হালুয়া মূলত মিষ্টি খাবারের প্রতীক হিসেবেই প্রচলিত। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে শবে বরাত পালনের সূচনা হয় উনিশ শতকের শেষভাগে। সে সময় ঢাকার নবাবরা শবে বরাতকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করতেন। আলোকসজ্জা, দান-খয়রাত ও মিষ্টি বিতরণ ছিল সেই আয়োজনের অংশ। তখনকার দিনে মিষ্টি মূলত ঘরেই তৈরি করা হতো। ফলে সহজলভ্য মিষ্টি হিসেবে হালুয়া প্রস্তুত ও বিতরণের রীতি গড়ে ওঠে।

ইতিহাসবিদরা আরও জানান, নবাবদের শাসনব্যবস্থা, মুসলমানদের সামাজিক আধিপত্য এবং ধর্মীয় অনুশাসন এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে প্রকাশ করতেই শবে বরাতে বড় ধরনের উৎসবের আয়োজন হতো। পরবর্তীতে পাকিস্তান আমলে শবে বরাতের দিন সরকারি ছুটি ঘোষিত হলে এর আয়োজন আরও বিস্তৃত হয়। এর ধারাবাহিকতায় খাবারের তালিকায় স্থায়ী জায়গা করে নেয় হালুয়া।

এ ছাড়া হাদিস থেকে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা.) মিষ্টি খাবার পছন্দ করতেন। তাঁর উম্মতের মধ্যেও মিষ্টি খাবারের প্রতি একটি স্বাভাবিক আগ্রহ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের ধারণা, এই প্রেক্ষাপটেও শবে বরাতের ইবাদতের সঙ্গে মিষ্টি খাবার, বিশেষ করে হালুয়া খাওয়ার রীতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
আরও পড়ুন
বিশ্ব রুটি দিবস আজ 
মানসিক শান্তির খোঁজে ২০ বছরের ডাক্তারি পেশা ছেড়ে খুললেন বান রুটির দোকান
চট্টগ্রাম বোর্ড: এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ
পেট ভরা রাখবে যে খাবার