ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

যে সময়ে ঘুমালে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
প্রতীকী ছবি

নিয়মিত দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া মানুষের হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে এমন তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। জার্নাল অব দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, রাতজাগা বা তথাকথিত ‘নাইট আউল’দের মধ্যে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ভোরে ঘুম থেকে ওঠা মানুষের চেয়ে বেশি।

গবেষণায় প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিল ৩৯ থেকে ৭৪ বছর। প্রায় ১৪ বছর ধরে তাদের ঘুমের অভ্যাস ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হয়।

গবেষকেরা আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত ‘লাইফস এসেনশিয়াল এইট’ সূচক ব্যবহার করে হৃদ্‌স্বাস্থ্য মূল্যায়ন করেন। এতে খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, ধূমপান, ঘুমের মান, শরীরের ওজন, রক্তে চর্বি, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ এই আটটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, যারা নিজেদের রাতজাগা মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং যাদের স্বাস্থ্যসূচক তুলনামূলকভাবে দুর্বল, তাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বাড়তি ঝুঁকির পেছনে রয়েছে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, কম শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত ওজন ও অনিয়ন্ত্রিত রক্তে শর্করা। তবে হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ঝুঁকির কারণ পরিসংখ্যানগতভাবে আলাদা করে বিবেচনা করলে দেখা যায় শুধু দেরিতে ঘুমানোই সরাসরি হৃদ্‌রোগের কারণ নয় বরং এটি একটি সূত্র।

আরও পড়ুন

ঘুমের সময় হৃদ্‌স্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিকভাবে কমে আসে, যা হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী। পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

গবেষকদের পরামর্শ, হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত ও মানসম্মত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান পরিহার এবং নিয়মিত ব্যায়াম জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ জীবনযাপন বজায় রাখা গেলে রাতজাগা অভ্যাসজনিত ঝুঁকিও অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৫ মিনিটে যে ভুলগুলো এড়ালে বাঁচতে পারে প্রাণ 
হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়াতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের চেয়েও যা জরুরি
বিচ্ছেদের কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক
‘ব্রাজিলের খেলা দেখে’ বাংলাদেশি সমর্থকের হার্ট অ্যাটাক