ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সুন্দর ত্বকের আড়ালে লুকিয়ে ছিল রোগ, জানালেন ইয়ামি গৌতম

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২১ পিএম
ইয়ামি গৌতম। ছবি: সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের সৌন্দর্য ও মসৃণ ত্বকের প্রশংসা প্রায়ই শোনা যায়। তার সতেজ মুখ আর গোলাপি আভা যেন সবসময়ই নজর কাড়ে অনুরাগীদের। তবে অনেকেই জানেন না, এই সুন্দর ত্বকের আড়ালেই এক সময় লুকিয়ে ছিল জটিল সমস্যা। সম্প্রতি অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘কেরাটোসিস পিলারিস’ নামে এক ধরনের ত্বকের রোগে ভুগেছেন তিনি।

এক সময় তার ত্বকে লালচে র‌্যাশ ও ছোট ছোট দানা দেখা দিয়েছিল। তবুও সেই অবস্থাকে আড়াল না করে তিনি স্বাভাবিকভাবেই ফটোশুট করেছেন এবং নিজের অভিজ্ঞতার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।

কী এই কেরাটোসিস পিলারিস?

কেরাটোসিস পিলারিস তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত একটি ত্বকের সমস্যা। অনেকেই একে ‘চিকেন স্কিন’ বলে থাকেন। এ রোগে ত্বকে ছোট ছোট লালচে দানা তৈরি হয়। ফলে ত্বক খসখসে ও রুক্ষ হয়ে ওঠে। অনেক ক্ষেত্রে এসব দানা ফুলে ফোস্কার মতোও দেখা দিতে পারে। সাধারণত হাত, বাহু, গলা, বুক বা নিতম্বের অংশে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে এটি ছোঁয়াচে নয় এবং মারাত্মক সংক্রমণও নয়।

কেন হয় এই সমস্যা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের প্রোটিন কেরাটিন অতিরিক্ত জমে গেলে রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। তখন সেখানে মৃতকোষ ও ধুলো-ময়লা জমে ছোট দানার মতো ফুসকুড়ি তৈরি হয়। ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে এবং ত্বকে লালচে র‌্যাশ দেখা দেয়। কখনও কখনও ত্বক এতটাই খসখসে হয়ে যায় যে তা মাছের আঁশের মতো দেখায়। এ ছাড়া বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অনেকেরই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, কিংবা একজিমা বা কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলেও কেরাটোসিস পিলারিস হতে পারে।

আরও পড়ুন


কীভাবে মিলতে পারে উপশম?

সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ঘরোয়া উপায়েও উপকার পাওয়া যেতে পারে। নারকেল তেল ত্বকের জন্য উপকারী। এতে থাকা লরিক অ্যাসিড কেরাটিন জমা কমাতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গোসলের পর হালকা ভেজা ত্বকে নারকেল তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।

তাছাড়া অ্যাপল সাইডার ভিনেগারও কাজে লাগতে পারে। এতে থাকা ম্যালিক অ্যাসিড ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে তুলার সাহায্যে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কয়েক মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হয়। তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এ ছাড়া দুই চামচ চিনি ও এক চামচ মধু বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে হালকা স্ক্রাবের মতো ব্যবহার করলে ত্বকের মৃতকোষ দূর হতে পারে। টক দই ১০–১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলেও উপকার মেলে। কারণ এতে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড কেরাটিনের আধিক্য কমাতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক যত্ন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিলে কেরাটোসিস পিলারিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আরটিভি/জামাঅ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নারী-পুরুষের শার্টের বোতাম বিপরীত দিকে থাকে কেন?
পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে আর নারীদের বাম দিকে কেন থাকে? এ বিষয়ে কি কখনো ভেবে দেখেছেন? এ বিষয়ে অবশ্য কেউই তেমন নিশ্চিত নন। তবে অনেক ইতিহাসবিদের ধারণা, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে থাকার কারণ হলো পোশাকে অস্ত্র রাখার ব্যবস্থার মাধ্যমেই এ ঘটনার চল হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ইতিহাসবিদ ড. ক্লো চ্যাপিন টাইমের সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানান, পুরুষের পোশাকের বোতাম ডান দিকে থাকার এই শৈলী সামরিক বাহিনী থেকে আসতে পারে। শার্টে বন্দুক লুকানো থাকলে এক্ষেত্রে হাত দ্রুত পৌঁছানো সহজ। বোতামগুলো ডানদিকে থাকলে ডান হাতটি শার্ট বা জ্যাকেটে আরও সহজভাবে ঢুকিয়ে বের করা যায়। আবার কিছু পণ্ডিত যুক্তি দেন, তরবারি রাখার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে। এ জেন্টলম্যান’স ওয়ারড্রোবের পল কিয়ার্স গার্ডিয়ানকে জানান, বেশিরভাগ মানুষই তলোয়ার সব সময় বাম দিকে পরিধান করেন, যাতে এটি ডান হাতে ধরা যায় সহজেই।’ বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা জানিয়েছেন, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে হওয়ার কারণ হলো অস্ত্র সম্পর্কিত। অর্থাৎ শার্টের বোতাম ডানপাশে হলে অস্ত্র বাম পাশে রাখলে ডান হাত দিয়ে তা সহজেই বের করা যায়। তাহলে নারীদের পোশাকের বোতাম বাম দিকে কেন? শার্ট ব্র্যান্ড এলিজাবেথ ও ক্লার্কের প্রতিষ্ঠাতা মেলানি মুরের মতে, ১৩ শতকে যখন বোতাম আবিষ্কৃত হয়েছিল, তখন ধনী নারীদের পোশাক বেশ ভারি হত। বিশেষ করে ওই সময় ধনী নারীরা দাসীর সাহায্য ছাড়া নিজেরা পোশাক পরতে পারতেন না। সেক্ষেত্রে পোশাকের বোতাম লাগানোর কাজও দাসীরাই সারতেন। এজন্য বাম পাশে বোতাম লাগানো হত, যাতে সেগুলো সহজেই লাগাতে পারেন দাসীরা। তখন থেকেই হয়তো এটি ধারণা প্রচলিত। আরেকটি তত্ত্ব হলো, বেশিরভাগ নারীই বাম হাতে বাচ্চাদের ধরেন। এক্ষেত্রে যাতে তাদের বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ হয় এজনই শার্টের বোতাম বাম দিকে রাখা হয়। যাতে জরুরি মুহূর্তে তারা সহজেই বোতাম খুলতে পারেন। তবে অতীতের এই ধারণাকে এখন তোয়াক্কা করেন না বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থা। এখন নারীদের শার্টের বোতামও ডান দিকে রাখা হয়। সূত্র: ইনসাইডার/টাইম/গার্ডিয়ান আরটিভি/এসআর
নারী-পুরুষের শার্টের বোতাম বিপরীত দিকে থাকে কেন?
আজ স্বপ্ন দেখার দিন
স্বপ্ন মানুষকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে না, বরং সেই স্বপ্ন পূরণের পথও দেখায়।
আজ স্বপ্ন দেখার দিন
ত্বকের যত্নে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সিরাম মাখার সঠিক নিয়ম 
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত সিরামের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।
ত্বকের যত্নে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সিরাম মাখার সঠিক নিয়ম 
রিলস ভিডিও দেখে সঙ্গীকে বিচার করছেন? সম্পর্কে আসতে পারে বিপদ
ফিটনেস, ত্বকের যত্ন, স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে শুরু করে সম্পর্ক—সব বিষয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের পরামর্শ পাওয়া যায়।
রিলস ভিডিও দেখে সঙ্গীকে বিচার করছেন? সম্পর্কে আসতে পারে বিপদ
পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাতে যে ৩ অভ্যাস জরুরি
পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস (PCOS) এখন অনেক নারীরই পরিচিত সমস্যা।
পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাতে যে ৩ অভ্যাস জরুরি
আরও পড়ুন
কেন দেড় বছর ধরে কোরআন ও ইসলামিক আইনকানুন শেখেন ইয়ামি?