ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মদ ছেড়ে রাইস বিয়ারে মজেছে জেন-জি, এই পানীয় কতটুকু স্বাস্থ্যকর?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

এক সময় জনপ্রিয় হয়েছিল কম্বুচা। এখন আলোচনায় এসেছে উত্তর-পূর্ব ভারতের ঐতিহ্যবাহী পানীয় ‘রাইস বিয়ার’। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন জি-এর মধ্যে অ্যালকোহল গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বিকল্প ও ঐতিহ্যবাহী ফারমেন্টেড পানীয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমীক্ষা বলছে, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে মদ্যপানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। প্রায় ২১.৫ শতাংশ জেন জি একেবারেই অ্যালকোহল গ্রহণ করেন না এবং প্রায় ৩৯ শতাংশ খুব কম বা মাঝে মাঝে পান করেন। এই পরিবর্তনের ফলে বিকল্প পানীয়ের বাজারেও নতুন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

রাইস বিয়ার কী?

রাইস বিয়ার মূলত চাল থেকে তৈরি একটি ফারমেন্টেড পানীয়, যা দীর্ঘদিন ধরে অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের অংশ। স্থানীয়ভাবে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত যেমন বাখার, আমাও বা এপাক। কোথাও আবার আপং, জুডিমা বা রোহি নামেও পাওয়া যায়।

প্রস্তুত প্রণালীতে চালের গুঁড়োর সঙ্গে ভেষজ মিশিয়ে সেদ্ধ চালের সঙ্গে ফারমেন্ট করা হয়, যা মাটির বা বাঁশের পাত্রে রাখা হয়। এতে সাধারণত ৫% থেকে ১০% পর্যন্ত অ্যালকোহল থাকে।

বর্তমানে শহুরে ক্যাফেগুলোতেও রাইস বিয়ার পরিবেশন করা হচ্ছে, যদিও সেগুলো অনেক সময় ঐতিহ্যবাহী রূপ থেকে কিছুটা ভিন্ন ফ্লেভার যোগ করা বা পাতলা করে পরিবেশন করা হয়।

জনপ্রিয়তা বাড়ছে কেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার এবং ‘নতুন কিছু ট্রাই করার’ প্রবণতা রাইস বিয়ারের জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। অনেক তরুণের কাছে এটি একটি বিকল্প লাইফস্টাইল চয়েস হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যকর কি না?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাইস বিয়ারে ফারমেন্টেশনের কারণে কিছু উপকারী মাইক্রোব থাকতে পারে, যা সীমিত পরিমাণে হজমে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি কোনোভাবেই সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর পানীয় নয়।

কারণ এতে অ্যালকোহল থাকে। নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে পান করলে লিভারের ক্ষতি, হৃদরোগের ঝুঁকি, ডিহাইড্রেশন এবং মানসিক প্রভাবসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ফলে বিশেষজ্ঞদের মতে, রাইস বিয়ারকে ‘হেলদি ড্রিংক’ হিসেবে দেখা ঠিক নয় বরং এটি একটি অ্যালকোহলযুক্ত ঐতিহ্যবাহী পানীয়, যা সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
বিজেপিকে হারাল জেন-জিদের নতুন আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’
জেন-জিরা কেন মিলেনিয়াল পুরুষদের প্রেমে পড়ছে?