ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

মদ ছেড়ে রাইস বিয়ারে মজেছে জেন-জি, এই পানীয় কতটুকু স্বাস্থ্যকর?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

এক সময় জনপ্রিয় হয়েছিল কম্বুচা। এখন আলোচনায় এসেছে উত্তর-পূর্ব ভারতের ঐতিহ্যবাহী পানীয় ‘রাইস বিয়ার’। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন জি-এর মধ্যে অ্যালকোহল গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বিকল্প ও ঐতিহ্যবাহী ফারমেন্টেড পানীয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমীক্ষা বলছে, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে মদ্যপানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। প্রায় ২১.৫ শতাংশ জেন জি একেবারেই অ্যালকোহল গ্রহণ করেন না এবং প্রায় ৩৯ শতাংশ খুব কম বা মাঝে মাঝে পান করেন। এই পরিবর্তনের ফলে বিকল্প পানীয়ের বাজারেও নতুন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

রাইস বিয়ার কী?

রাইস বিয়ার মূলত চাল থেকে তৈরি একটি ফারমেন্টেড পানীয়, যা দীর্ঘদিন ধরে অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের অংশ। স্থানীয়ভাবে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত যেমন বাখার, আমাও বা এপাক। কোথাও আবার আপং, জুডিমা বা রোহি নামেও পাওয়া যায়।

প্রস্তুত প্রণালীতে চালের গুঁড়োর সঙ্গে ভেষজ মিশিয়ে সেদ্ধ চালের সঙ্গে ফারমেন্ট করা হয়, যা মাটির বা বাঁশের পাত্রে রাখা হয়। এতে সাধারণত ৫% থেকে ১০% পর্যন্ত অ্যালকোহল থাকে।

বর্তমানে শহুরে ক্যাফেগুলোতেও রাইস বিয়ার পরিবেশন করা হচ্ছে, যদিও সেগুলো অনেক সময় ঐতিহ্যবাহী রূপ থেকে কিছুটা ভিন্ন ফ্লেভার যোগ করা বা পাতলা করে পরিবেশন করা হয়।

জনপ্রিয়তা বাড়ছে কেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার এবং ‘নতুন কিছু ট্রাই করার’ প্রবণতা রাইস বিয়ারের জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। অনেক তরুণের কাছে এটি একটি বিকল্প লাইফস্টাইল চয়েস হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যকর কি না?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাইস বিয়ারে ফারমেন্টেশনের কারণে কিছু উপকারী মাইক্রোব থাকতে পারে, যা সীমিত পরিমাণে হজমে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি কোনোভাবেই সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর পানীয় নয়।

কারণ এতে অ্যালকোহল থাকে। নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে পান করলে লিভারের ক্ষতি, হৃদরোগের ঝুঁকি, ডিহাইড্রেশন এবং মানসিক প্রভাবসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ফলে বিশেষজ্ঞদের মতে, রাইস বিয়ারকে ‘হেলদি ড্রিংক’ হিসেবে দেখা ঠিক নয় বরং এটি একটি অ্যালকোহলযুক্ত ঐতিহ্যবাহী পানীয়, যা সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
বিজেপিকে হারাল জেন-জিদের নতুন আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’
জেন-জিরা কেন মিলেনিয়াল পুরুষদের প্রেমে পড়ছে?