ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

জেন-জিরা কেন মিলেনিয়াল পুরুষদের প্রেমে পড়ছে? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি 

বর্তমানে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন এক প্রবণতা নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেক জেন-জি তরুণীই সমবয়সী ছেলেদের বদলে বয়সে কিছুটা বড় পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা দেখা যাচ্ছে।

কলকাতার একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এক জেন-জি তরুণীর গল্প একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সেই তরুণী সদ্য যৌবনে পা দিয়েছে। আর তার প্রেমিক বয়সে প্রায় দশ বছর বড়। শুরুতে বন্ধুদের কাছ থেকে নানা মন্তব্য শুনতে হয়েছে তাকে। কেউ বলেছে, বড় বয়সী মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক করলে নিশ্চয়ই সব আবদার সহজে পূরণ হয়। আবার কেউ মনে করেছে, নিশ্চয়ই অর্থের কারণেই এই সম্পর্ক। কিন্তু এসব কথা সে হেসে উড়িয়ে দিয়েছে। তার কথায়, বয়স নয় বরং ওই মানুষের সঙ্গে কথা বললে তার মনে হয় সে যেন একটি স্থির জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনা নতুন নয়। বহুদিন ধরেই দেখা যায়। অনেক নারী বয়সে কিছুটা বড় পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন। এর পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো মানসিক পরিপক্বতা। অনেক সময় বয়সে বড় মানুষের মধ্যে জীবনের অভিজ্ঞতা ও স্থিরতা বেশি থাকে। যা সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল করে।

আরও পড়ুন

অনেকে মনে করেন, বয়সে বড় মানেই আর্থিক নিশ্চয়তা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি শুধু অর্থের নয়। আজকের তরুণীরা এমন সঙ্গী চান, যিনি নিজের জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্থির থাকেন। আর মানসিকভাবে পাশে দাঁড়াতে পারেন।

বর্তমান প্রজন্ম ছোটবেলা থেকেই ডিজিটাল মাধ্যমের সঙ্গে বড় হয়েছে। ফলে তারা খুব দ্রুত বুঝতে পারে কোথায় মানসিক স্বস্তি রয়েছে আর কোথায় নেই। যে সম্পর্ক তাদের শান্তি দেয়, সেখানেই তারা থাকতে চায়।

তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই যা দিয়ে বলা যায় সব জেন-জি তরুণীই বয়সে বড় পুরুষদের পছন্দ করেন। কিন্তু একটি বিষয় পরিষ্কার, এখন অনেক নারীর কাছে অর্থের নিশ্চয়তার চেয়ে মানসিক নিরাপত্তাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর সঙ্গী যদি মানসিকভাবে পাশে দাঁড়াতে পারেন, তাহলে বয়সের পার্থক্য তাদের কাছে কেবলই একটি সংখ্যা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর... 
নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক
প্রেমের টানে রাশিয়ায় গিয়ে গুপ্তচর মামলায় ১৫ বছরের কারাদণ্ড
বিয়েতে অস্বীকৃতি প্রেমিকের, দুই সন্তানের গলা কেটে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মা