ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কখন ফল খেলে মিলবে উপকার?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফল খাওয়ার সময় নিয়ে আমাদের সমাজে বহুদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত আছে। তা হল, খালি পেটে পানি আর ভরা পেটে ফল খেতে হয়। তবে আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে, এই ধারণার পেছনে শক্ত কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং দিনের যেকোনো সময় ফল খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী।

খালি পেটে ফল খাওয়ার ভুল ধারণা

অনেকে মনে করেন, খাবারের সঙ্গে ফল খেলে হজমে সমস্যা হয় বা পেটে গ্যাস তৈরি হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সত্য নয়। ফলে থাকা আঁশ হজম প্রক্রিয়াকে কিছুটা ধীর করতে পারে। তবে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং ফল যে কোনো সময়ই নিরাপদভাবে খাওয়া যায়।

পুষ্টিগুণ কি নষ্ট হয়?

আরেকটি প্রচলিত ধারণা হলো, খাবারের আগে বা পরে ফল খেলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। বাস্তবে মানবদেহের হজম প্রক্রিয়া সব সময় পুষ্টি শোষণের জন্য প্রস্তুত থাকে। তাই খালি পেটে বা খাবারের সঙ্গে যেকোনোভাবেই ফল খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কীভাবে ফল খাওয়া হচ্ছে। খালি পেটে ফল খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই ফলের সঙ্গে প্রোটিন বা আঁশযুক্ত খাবার খেলে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।

সকাল না বিকেল, কোন সময় ভালো?

অনেকে মনে করেন, ফল শুধু সকালে খাওয়া উচিত বা বিকেলে খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু এই ধারণারও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। দিনের যেকোনো সময় ফল খাওয়া স্বাস্থ্যকর। শরীরের হজম ব্যবস্থা সব সময় খাবার গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকে।

তাই ফল খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়ের কঠোর নিয়ম নেই। খালি পেটে বা ভরা পেটে যেভাবেই হোক, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল রাখা জরুরি। বিশেষ শারীরিক অবস্থায় কিছু নিয়ম মানা প্রয়োজন হলেও সাধারণভাবে ফল খাওয়ার সময় নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি হলো নিয়মিত ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
পাওনা ছয়শ টাকা চাওয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে জখম
ফল প্রকাশে বিলম্ব, একাডেমিক ভোগান্তিতে বুটেক্স শিক্ষার্থীরা
একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ, দুই ধাপে আসন পেল যত শিক্ষার্থী
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল প্রকাশ আজ রাত ৮টায়