ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

কখন ফল খেলে মিলবে উপকার?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফল খাওয়ার সময় নিয়ে আমাদের সমাজে বহুদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত আছে। তা হল, খালি পেটে পানি আর ভরা পেটে ফল খেতে হয়। তবে আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে, এই ধারণার পেছনে শক্ত কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং দিনের যেকোনো সময় ফল খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী।

খালি পেটে ফল খাওয়ার ভুল ধারণা

অনেকে মনে করেন, খাবারের সঙ্গে ফল খেলে হজমে সমস্যা হয় বা পেটে গ্যাস তৈরি হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সত্য নয়। ফলে থাকা আঁশ হজম প্রক্রিয়াকে কিছুটা ধীর করতে পারে। তবে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং ফল যে কোনো সময়ই নিরাপদভাবে খাওয়া যায়।

পুষ্টিগুণ কি নষ্ট হয়?

আরেকটি প্রচলিত ধারণা হলো, খাবারের আগে বা পরে ফল খেলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। বাস্তবে মানবদেহের হজম প্রক্রিয়া সব সময় পুষ্টি শোষণের জন্য প্রস্তুত থাকে। তাই খালি পেটে বা খাবারের সঙ্গে যেকোনোভাবেই ফল খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কীভাবে ফল খাওয়া হচ্ছে। খালি পেটে ফল খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই ফলের সঙ্গে প্রোটিন বা আঁশযুক্ত খাবার খেলে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।

সকাল না বিকেল, কোন সময় ভালো?

অনেকে মনে করেন, ফল শুধু সকালে খাওয়া উচিত বা বিকেলে খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু এই ধারণারও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। দিনের যেকোনো সময় ফল খাওয়া স্বাস্থ্যকর। শরীরের হজম ব্যবস্থা সব সময় খাবার গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকে।

তাই ফল খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়ের কঠোর নিয়ম নেই। খালি পেটে বা ভরা পেটে যেভাবেই হোক, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল রাখা জরুরি। বিশেষ শারীরিক অবস্থায় কিছু নিয়ম মানা প্রয়োজন হলেও সাধারণভাবে ফল খাওয়ার সময় নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি হলো নিয়মিত ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ইবিতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন সর্বনিম্ন অ্যাকাডেমিক ফলধারী!
সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্য
এইচএসসিতে ক্যাডেট কলেজগুলোর ঈর্ষণীয় ফলাফল
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, জেনে নিন নিয়ম