ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রাণবন্ত হাসির অন্যতম আকর্ষণ ঠোঁট। কিন্তু নানা কারণে ঠোঁটের রঙ কালচে হয়ে গেলে অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েন। বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পান না অনেকেই। তবে সঠিক যত্ন ও কিছু ঘরোয়া উপায় নিয়মিত অনুসরণ করলে ধীরে ধীরে ঠোঁটের কালচে ভাব কমানো সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা জানান, ঠোঁট কালো হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, আবহাওয়ার পরিবর্তন, ধূমপান, নিম্নমানের প্রসাধনী ব্যবহার, ঠোঁটের সাজ না তুলে ঘুমানো, সূর্যের তীব্র রশ্মি এবং শরীরে পানির ঘাটতি। এসব কারণে ঠোঁটের রঙ বদলে যেতে পারে।

ঠোঁট ভালো রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। প্রতিদিন রাতে দাঁত ব্রাশ করার সময় হালকা ভাবে ঠোঁট পরিষ্কার করলে মরা কোষ দূর হয়। নরম ব্রাশ দিয়ে আলতো করে ঘষলেও ঠোঁট সতেজ থাকে।

আরও পড়ুন

ঘরোয়া কিছু উপায়ও বেশ কার্যকর। যেমন লেবুর রস ও বাদাম তেলের মিশ্রণ ঠোঁটে আলতো করে লাগালে আর্দ্রতা ফিরে আসে। এতে কালচে ভাব কমতে পারে। একইভাবে লেবু ও মধুর মিশ্রণ, অ্যালোভেরা, নারিকেল তেল কিংবা পুদিনা পাতার রসও ঠোঁটের যত্নে উপকারী বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া বরফ দিয়ে হালকা মালিশ, চিনি ও জলপাই তেল দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করা কিংবা দুধের সরের সঙ্গে ডালিম বীজের গুঁড়ো ব্যবহার করলেও ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ ফিরে আসতে সাহায্য করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, বাইরে থেকে ফিরে ঠোঁটের সাজ অবশ্যই ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত। পাশাপাশি ঠোঁট আর্দ্র রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পানি পান করা, ভালো মানের ঠোঁটের মলম ব্যবহার করা এবং নিয়মিত পরিচর্যা করলে ঠোঁটের শুষ্কতা ও কালচে ভাব কমে।

প্রাকৃতিক উপায়ে গোলাপের পাপড়ি, গাজরের রস, কমলার খোসা, শসার রস বা টমেটোর পেস্ট ব্যবহার করেও ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বাড়ানো যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

তবে খুব কম দামের বা অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত ঠোঁটের প্রসাধনী ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। নিয়মিত যত্ন নিলে ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ ও সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে? ঘিয়েই মিলতে পারে কোমলতার ছোঁয়া