ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে? ঘিয়েই মিলতে পারে কোমলতার ছোঁয়া

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে? ঘিয়েই মিলতে পারে কোমলতার ছোঁয়া । ছবি: সংগৃহীত

ঠোঁট ফেটে যাওয়া, শুষ্ক হয়ে খসখসে হয়ে যাওয়া কিংবা প্রাণহীন দেখানো— এমন সমস্যা শুধু শীতেই নয়, বছরের যে কোনো সময়েই দেখা দিতে পারে। অনেকেই এ সমস্যার সমাধানে দামি প্রসাধনীর ওপর নির্ভর করেন। তবে রান্নাঘরের একটি পরিচিত উপাদানই হতে পারে ঠোঁটের প্রাকৃতিক যত্নের সহজ সমাধান। আর সেটি হলো ঘি।

স্বাস্থ্য রক্ষায় ঘিয়ের উপকারিতা বহু আগেই স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে ত্বক ও ঠোঁটের যত্নেও যে ঘি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তা অনেকেরই অজানা। ঘিতে থাকা প্রাকৃতিক চর্বি ও পুষ্টিগুণ ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঠোঁট থাকে কোমল ও মসৃণ।

ঘিয়ের সঙ্গে কয়েকটি সহজলভ্য উপাদান মিশিয়ে ঘরেই তৈরি করা যায় কার্যকর ঠোঁটের যত্নের মিশ্রণ।

ঘি ও মধু

এক চা-চামচ ঘির সঙ্গে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। এই মিশ্রণ ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ফাটা ঠোঁট দ্রুত কোমল করে।

ঘি ও নারকেল তেল

সমপরিমাণ ঘি ও নারকেল তেল মিশিয়ে একটি পরিষ্কার পাত্রে সংরক্ষণ করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের শুষ্কতা কমে এবং ঠোঁট নরম থাকে।

আরও পড়ুন

ঘি ও গোলাপের পাপড়ি

তাজা গোলাপের পাপড়ি বেটে ঘির সঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ঠোঁটে ব্যবহার করুন। এতে ঠোঁটের রুক্ষতা কমার পাশাপাশি স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও ফিরতে পারে।

ঘি ও বিটের রস

এক চা-চামচ ঘির সঙ্গে সামান্য বিটের রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে ঠোঁটের শুষ্কতা কমে। পাশাপাশি ঠোঁটে হালকা প্রাকৃতিক আভাও যোগ হতে পারে।

ঘি ও ভিটামিন ই

এক টেবিল-চামচ ঘির সঙ্গে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে ব্যবহার করলে ঠোঁটের আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে। এটি ঠোঁটকে কোমল রাখতেও সহায়তা করে।

ঠোঁটের যত্নে সবসময় বাজারের প্রসাধনীর প্রয়োজন হয় না। ঘরোয়া কিছু উপাদানও হতে পারে কার্যকর সমাধান। নিয়মিত যত্নে ঘিয়ের এই সহজ মিশ্রণগুলো ঠোঁটকে রাখতে পারে নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করবেন যেভাবে