ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে? ঘিয়েই মিলতে পারে কোমলতার ছোঁয়া

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে? ঘিয়েই মিলতে পারে কোমলতার ছোঁয়া । ছবি: সংগৃহীত

ঠোঁট ফেটে যাওয়া, শুষ্ক হয়ে খসখসে হয়ে যাওয়া কিংবা প্রাণহীন দেখানো— এমন সমস্যা শুধু শীতেই নয়, বছরের যে কোনো সময়েই দেখা দিতে পারে। অনেকেই এ সমস্যার সমাধানে দামি প্রসাধনীর ওপর নির্ভর করেন। তবে রান্নাঘরের একটি পরিচিত উপাদানই হতে পারে ঠোঁটের প্রাকৃতিক যত্নের সহজ সমাধান। আর সেটি হলো ঘি।

স্বাস্থ্য রক্ষায় ঘিয়ের উপকারিতা বহু আগেই স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে ত্বক ও ঠোঁটের যত্নেও যে ঘি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তা অনেকেরই অজানা। ঘিতে থাকা প্রাকৃতিক চর্বি ও পুষ্টিগুণ ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঠোঁট থাকে কোমল ও মসৃণ।

ঘিয়ের সঙ্গে কয়েকটি সহজলভ্য উপাদান মিশিয়ে ঘরেই তৈরি করা যায় কার্যকর ঠোঁটের যত্নের মিশ্রণ।

ঘি ও মধু

এক চা-চামচ ঘির সঙ্গে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। এই মিশ্রণ ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ফাটা ঠোঁট দ্রুত কোমল করে।

ঘি ও নারকেল তেল

সমপরিমাণ ঘি ও নারকেল তেল মিশিয়ে একটি পরিষ্কার পাত্রে সংরক্ষণ করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের শুষ্কতা কমে এবং ঠোঁট নরম থাকে।

আরও পড়ুন

ঘি ও গোলাপের পাপড়ি

তাজা গোলাপের পাপড়ি বেটে ঘির সঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ঠোঁটে ব্যবহার করুন। এতে ঠোঁটের রুক্ষতা কমার পাশাপাশি স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও ফিরতে পারে।

ঘি ও বিটের রস

এক চা-চামচ ঘির সঙ্গে সামান্য বিটের রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে ঠোঁটের শুষ্কতা কমে। পাশাপাশি ঠোঁটে হালকা প্রাকৃতিক আভাও যোগ হতে পারে।

ঘি ও ভিটামিন ই

এক টেবিল-চামচ ঘির সঙ্গে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে ব্যবহার করলে ঠোঁটের আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে। এটি ঠোঁটকে কোমল রাখতেও সহায়তা করে।

ঠোঁটের যত্নে সবসময় বাজারের প্রসাধনীর প্রয়োজন হয় না। ঘরোয়া কিছু উপাদানও হতে পারে কার্যকর সমাধান। নিয়মিত যত্নে ঘিয়ের এই সহজ মিশ্রণগুলো ঠোঁটকে রাখতে পারে নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
একসময় প্রিয়জনের চিঠির অপেক্ষায় দিন গুনত মানুষ। ডাকপিয়নের হাতে চিঠি এলেই আনন্দে ভরে উঠত মন।
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
বিশ্ব ডিম দিবস আজ
আজ ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডিম দিবস।
বিশ্ব ডিম দিবস আজ
আরও পড়ুন
ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করবেন যেভাবে