ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

তীব্র রোদের গরমে বাইরে বের হলে স্বস্তি দেবে যেসব রঙের পোশাক 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৪১ এএম
তীব্র রোদের তাপে পোশাকের রঙেই লুকিয়ে স্বস্তি । ছবি: সংগৃহীত

গরমের দিনে রোদে বের হলে আমরা সাধারণত হালকা কাপড় পরার কথা ভাবি। কিন্তু শুধু কাপড়ের ধরন নয়, পোশাকের রঙও শরীর কতটা গরম অনুভব করবে, সেটিতে বড় প্রভাব ফেলে—এমনটাই বলছে নতুন একটি গবেষণা।

জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের গবেষক তোশিয়াকি ইচিনোজ এবং তার গবেষণা দল এ বিষয়ে একটি পরীক্ষা চালান। সেখানে নয়টি ম্যানিকিনকে (মানবদেহ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কৃত্রিম প্রতিরূপ- মডেল) বিভিন্ন রঙের পোলো শার্ট পরিয়ে দীর্ঘ সময় সরাসরি রোদের মধ্যে রাখা হয়। রংগুলোর মধ্যে ছিল সাদা, কালো, লাল, হলুদ, নীল এবং কয়েক ধরনের সবুজ।

নির্দিষ্ট সময় পর প্রতিটি পোশাকের তাপমাত্রা মেপে দেখা যায়, রঙভেদে তাপ শোষণের পার্থক্য অনেক বেশি। সবচেয়ে কম তাপ শোষণ করেছে সাদা রঙের পোশাক। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি তাপ ধরে রেখেছে কালো রঙ।

আরও পড়ুন

গবেষণায় দেখা যায়, সাদা রঙের পাশাপাশি হলুদ, ধূসর এবং লাল রঙের পোশাকও তুলনামূলকভাবে কম তাপ শোষণ করে। ফলে গরমে কিছুটা বেশি স্বস্তি দিতে পারে। বিশেষ করে লাল রঙের ফলাফল গবেষকদের জন্যও ছিল কিছুটা বিস্ময়কর, কারণ সাধারণভাবে লালকে উষ্ণ রঙ হিসেবে ধরা হয়।

অন্যদিকে, পরীক্ষায় দেখা গেছে নীল রঙের পোশাক তুলনামূলকভাবে বেশি তাপ শোষণ করে। অর্থাৎ দীর্ঘ সময় তীব্র রোদে থাকলে নীল পোশাক ততটা আরামদায়ক নাও হতে পারে।

গবেষকদের মতে, তীব্র গরমে বাইরে বের হওয়ার সময় পোশাকের রঙ নির্বাচন করাও শরীরকে স্বস্তিতে রাখার একটি সহজ উপায় হতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
আশুলিয়ার পোশাক কারখানায় আগুন
সংসারের হাল ধরতে নামেন ব্যবসায়ে, এখন মাসে আয় লাখ টাকা
রিও সিনেমার সেই নীল পাখি কি সত্যিই বিলুপ্ত
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড