ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

মন খারাপে দুঃখের গান শুনলেই কেন চোখ ভিজে যায় 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
মন খারাপের সময় স্যাড সং বা দুঃখের গান শুনলে মন ভেঙে পড়ে, চোখ ভিজে যায় । ছবি: সংগৃহীত

মন খারাপের দিনে হঠাৎ কোনো দুঃখের গান বেজে উঠলে অনেকেরই চোখে পানি চলে আসে। তখন মনে হয়, গানটি যেন একেবারে নিজের জীবনের কথাই বলছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। এর পেছনে কাজ করে মস্তিষ্ক ও আবেগের গভীর সম্পর্ক।

আবেগ আর সুরের অদৃশ্য যোগ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের আবেগ ও মস্তিষ্কের সঙ্গে সঙ্গীতের এক গভীর যোগাযোগ রয়েছে। এই কারণেই গান আমাদের ভেতরের লুকানো অনুভূতিকে হঠাৎ করে জাগিয়ে তুলতে পারে। মন খারাপ থাকলে সেই প্রভাব আরও বেড়ে যায়।

মানসিকভাবে দুর্বল বা বিপর্যস্ত অবস্থায় মানুষ নিজের আবেগকে স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সেই সময় কোনো দুঃখের গান কানে এলে আবেগ আরও তীব্র হয়ে ওঠে, অনেক সময় তা চোখের পানি হয়ে কান্নায় বেরিয়ে আসে।

স্মৃতির দরজা খুলে দেয় গান

গান শুধু বিনোদন নয়, এটি স্মৃতি ও অনুভূতির সঙ্গেও যুক্ত। কোনো পরিচিত সুর বা লিরিকস পুরোনো স্মৃতি, হারানো সম্পর্ক বা কষ্টের মুহূর্তকে আবারও মনে করিয়ে দিতে পারে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঙ্গীত মস্তিষ্কের স্মৃতি ও আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশকে সক্রিয় করে। ফলে মন খারাপের সময় গান শোনার ফলে পুরোনো দুঃখ আরও তীব্রভাবে অনুভূত হতে পারে।

কান্না কি খারাপ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আবেগের প্রকাশ সব সময় ক্ষতিকর নয়। অনেকের ক্ষেত্রে দুঃখের গান শোনা এক ধরনের মানসিক মুক্তি হিসেবে কাজ করে। এতে জমে থাকা আবেগ বেরিয়ে আসে এবং মন কিছুটা হালকা হয়।

তবে সতর্ক থাকার কথাও জানিয়েছেন তারা। যদি কোনো গান বারবার পুরোনো কষ্টে আটকে রাখে এবং হতাশা বাড়িয়ে দেয়। তবে তা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

মন খারাপের গান অনেক সময় আমাদের ভেতরের আবেগকে নাড়া দেয়, কখনো চোখে পানি আনে, আবার কখনো মনকে হালকা করতেও সাহায্য করে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
যশোরে ‘শেখের বেটি আইতাছে’ স্লোগানে মিছিল, এবার কড়া পদক্ষেপ পুলিশের
মিরপুরে ফের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তিতে যাত্রীরা
আফগানিস্তানে ‘ইসলামবিরোধী’ দাবি করে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ করল তালেবান
উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যা করে মাংস খাওয়ায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার