ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কাজের চাপের ব্যস্ততার মধ্যেও সন্তানকে সময় দেবেন যে সহজ কৌশলে 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
কাজের চাপের ব্যস্ততার মধ্যেও সন্তানকে সময় দেবেন যে সহজ কৌশলে  ছবি: সংগৃহীত

কাজের চাপে অনেক অভিভাবকই সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না। ফলে শিশুর মানসিক বিকাশ ও অভিভাবকের সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে স্মার্টফোন ও অনলাইন গেমিংয়ের কারণে শিশুরা আরও বেশি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সহজ একটি অভ্যাসই বদলে দিতে পারে সম্পর্কের মান—যা পরিচিত ‘১০+১০+১০ মিনিট নিয়ম’ নামে।

কী এই ১০+১০+১০ নিয়ম?

এই নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সন্তানের সঙ্গে ১০ মিনিট করে একান্ত সময় কাটাতে হবে।

১. ঘুম থেকে ওঠার পর ১০ মিনিট
২. স্কুল বা দিনের কাজ শেষে ফিরেই ১০ মিনিট
৩. ঘুমোতে যাওয়ার আগে ১০ মিনিট

এই সময়গুলোতে কোনো মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না বা অন্য কোনো কাজে মন দেওয়া যাবে না। সম্পূর্ণ মনোযোগ থাকতে হবে সন্তানের দিকে।

আরও পড়ুন

কেন এই সময়গুলো গুরুত্বপূর্ণ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরের সময় শিশুর পুরো দিনের মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে। এই সময়ে বাবা-মায়ের ভালোবাসা পেলে শিশু নিরাপদ বোধ করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

আবার ঘুমোতে যাওয়ার আগে সন্তানের সঙ্গে কথা বলা, গল্প শোনা বা আদর করা তাদের মানসিক চাপ কমায় এবং শান্তভাবে ঘুমাতে সাহায্য করে।

কীভাবে সম্পর্ক মজবুত হয়?

দিনে মাত্র ৩০ মিনিট হলেও যদি পুরো মনোযোগ দিয়ে সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো যায়, তাহলে অভিভাবক ও সন্তানের মধ্যে শক্তিশালী আবেগগত বন্ধন তৈরি হয়। এই সময় শিশুর কথা শোনা, তার সঙ্গে খেলা বা সাধারণ আলাপচারিতাও সম্পর্ককে আরও গভীর করে।

ব্যস্ত জীবনেও সন্তানের জন্য আলাদা করে সময় বের করা কঠিন নয়। দিনে মাত্র তিনবার ১০ মিনিটের মনোযোগই শিশুর মানসিক বিকাশ, আত্মবিশ্বাস এবং অভিভাবকের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা 
গর্ভাবস্থায় অনেক নারী হঠাৎ কিছু বিষয় ভুলে যাওয়ার সমস্যায় পড়েন।
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা 
জেনে নিন ইসবগুল খাওয়ার উপকারিতা
কোষ্ঠকাঠিন্য হলেই অনেকের মনে পড়ে ইসবগুলের ভুসির কথা। পানিতে মিশিয়ে খাওয়া পরিচিত এই খাবারটি দীর্ঘদিন ধরে পেট পরিষ্কার রাখতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে ইসবগুলের উপকারিতা শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
জেনে নিন ইসবগুল খাওয়ার উপকারিতা
বোটক্স নেওয়ার আগে জানুন স্নায়ুর এই ঝুঁকিগুলো
বয়সের ছাপ কমানো থেকে শুরু করে মাইগ্রেনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ—বিভিন্ন কারণে বোটক্স ব্যবহার করা হয়।
বোটক্স নেওয়ার আগে জানুন স্নায়ুর এই ঝুঁকিগুলো
শুয়ে থাকলেই পা নাড়ানোর ইচ্ছা? আজ সচেতন হওয়ার দিন
রাতে বিছানায় শুয়ে আছেন, কিন্তু পায়ে কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে।
শুয়ে থাকলেই পা নাড়ানোর ইচ্ছা? আজ সচেতন হওয়ার দিন
শিয়ালের মাংস, তক্ষক ও জোঁকের তেল, রোগ সারানোর সত্যতা কতটা?
শিয়ালের মাংস খেলে বাতের ব্যথা সারে, তক্ষক খেলে হাঁপানি থেকে যৌনক্ষমতা নানা রোগের চিকিৎসা হয়, আবার জোঁকের তেল নাকি সারিয়ে দেয় বাত-ব্যথা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে এমন নানা লোকবিশ্বাস। তবে এসব দাবির পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটা?
শিয়ালের মাংস, তক্ষক ও জোঁকের তেল, রোগ সারানোর সত্যতা কতটা?
আরও পড়ুন
সন্তান দেখাশোনায় বছরে ৯ হাজার ডলার সহায়তা, কারা পাবেন
নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী
আজকের নামাজের সময়সূচি
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের