ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শিশুদের অ্যালার্জি কমানোর নতুন পদ্ধতি জানা গেল গবেষণায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ১১:০২ এএম
সময়মতো ডিমসহ অ্যালার্জিযুক্ত খাবার খাওয়ালে কমে শিশুদের অ্যালার্জি, নতুন গবেষণা   । ছবি: সংগৃহীত

শিশুদের খাবারে ডিমসহ অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে এমন খাবার দেরিতে দেওয়ার পুরোনো ধারণা এখন বদলে গেছে। নতুন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ছয় মাস বয়সের মধ্যেই ডিমসহ অ্যালার্জি-ঝুঁকিপূর্ণ খাবার দেওয়া শুরু করলে শিশুদের মধ্যে ডিমের অ্যালার্জি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে।

‘জামা পেডিয়াট্রিকস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এই নতুন নির্দেশনা চালুর পর শিশুদের মধ্যে ডিম অ্যালার্জির হার ১৭ শতাংশেরও বেশি কমেছে।

গবেষকেরা বলছেন, বিজ্ঞানভিত্তিক নির্দেশনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে জনসংখ্যা পর্যায়ে বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

কীভাবে বদলালো আগের ধারণা

আগে ধারণা ছিল, যেসব পরিবারের মধ্যে অ্যালার্জির ইতিহাস আছে, তাদের শিশুকে ডিমসহ অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবার দেরিতে খাওয়াতে হবে—প্রায় এক থেকে তিন বছর বয়স পর্যন্ত।

কিন্তু পরবর্তীতে গবেষণায় দেখা যায়, এই দেরি আসলে অ্যালার্জি প্রতিরোধে সাহায্য করে না। বরং উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে।

এরপর নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, ছয় মাস বয়স থেকেই ধীরে ধীরে এসব খাবার শিশুকে খাওয়ানো শুরু করা উচিত।

আরও পড়ুন

গবেষণায় কী পাওয়া গেছে

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে ৭ হাজারের বেশি শিশুর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা যায়, নতুন নির্দেশনা চালুর পর ছয় মাসের মধ্যে ডিম খাওয়ানো শুরু করার হার ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৭ শতাংশে পৌঁছেছে।

একই সঙ্গে ডিম অ্যালার্জির হার ৯.২ শতাংশ থেকে কমে ৭.৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি থাকা শিশুদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে।

কেন আগেভাগে খাবার দেওয়া কাজে দেয়

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছোট বয়সেই খাবারের সঙ্গে পরিচিত হলে সেটিকে নিরাপদ হিসেবে চিনতে শেখে। ফলে ভবিষ্যতে অ্যালার্জির ঝুঁকি কমে যায়।

যেসব শিশুর ত্বকের সমস্যা বা একজিমা থাকে, তাদের ক্ষেত্রে আগেভাগে খাবার পরিচয় করানো আরও গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মত

গবেষকদের মতে, এই ফলাফল দেখাচ্ছে যে, সময়মতো নীতিমালা পরিবর্তন এবং তা বাস্তবায়ন করলে জনস্বাস্থ্যে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তারা বলছেন, আগে যেসব পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তা যথেষ্ট প্রমাণভিত্তিক ছিল না—এবং এখনকার নতুন তথ্য সেটিকে সংশোধন করছে।

সতর্কতা ও পরামর্শ

চিকিৎসকেরা বলছেন, শিশুকে খাবার দেওয়ার আগে অবশ্যই তার শারীরিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে। যেমন—বসে থাকা, মাথা নিয়ন্ত্রণ করতে পারা এবং খাবার গিলতে পারার সক্ষমতা।

এক বছরের নিচে শিশুকে খুব সতর্কভাবে নরম করে খাবার দিতে হবে, যাতে শ্বাসরোধের ঝুঁকি না থাকে।

নতুন গবেষণা বলছে, ভয় নয়—সঠিক সময়ে সঠিক খাবার দেওয়াই হতে পারে অ্যালার্জি প্রতিরোধের চাবিকাঠি। সময়মতো ডিমসহ খাবার পরিচয় করানো শিশুদের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যকে আরও নিরাপদ করতে পারে।

সূত্র: সিএনএন


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
বদলে গেল এক মন্ত্রণালয়ের নাম
বাগানে ৯ বছরের শিশুকে একা পান বৃদ্ধ, অতঃপর...
৫০ অফিসার নিয়োগ দেবে শিশু হাসপাতাল
শিকলে বেঁধে মাদরাসার শিশুকে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল