ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

রাইস কুকার নাকি প্রেশার কুকার, প্রতিদিনের রান্নায় কোনটি সেরা? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
রাইস কুকার নাকি প্রেশার কুকার, প্রতিদিনের রান্নায় কোনটি সেরা?  । ছবি: সংগৃহীত

রান্নাঘরের অন্যতম প্রয়োজনীয় দুটি জিনিস হলো রাইস কুকার ও প্রেশার কুকার। দুটির নামের সঙ্গে কুকার থাকলেও কাজের ধরন একেবারেই আলাদা। কেউ ঝটপট ভাত রান্নার জন্য রাইস কুকার পছন্দ করেন, আবার কেউ সব ধরনের রান্নার জন্য ভরসা রাখেন প্রেশার কুকারে। তাহলে প্রতিদিনের রান্নার জন্য কোনটি বেশি উপকারী?

রাইস কুকার: সহজে ভাত রান্নার সঙ্গী

রাইস কুকার একটি স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র। এতে চাল, পানি ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সুইচ চালু করলেই এটি নিজে থেকেই রান্নার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

ভাত রান্না হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে এটি নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যায় এবং ভাত গরম রাখার ব্যবস্থায় চলে যায়। ফলে দীর্ঘ সময় ভাত গরম ও ঝরঝরে থাকে।

ভাত, খিচুড়ি, ওটস বা হালকা রান্নার জন্য রাইস কুকার বেশ সুবিধাজনক। বিশেষ করে যারা একা থাকেন, ছোট পরিবার বা কর্মব্যস্ত জীবনে রান্নার সময় কম পান—তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী।

তবে এর ব্যবহার কিছুটা সীমিত। সব ধরনের রান্না এতে করা যায় না।

আরও পড়ুন

প্রেশার কুকার: সব রান্নার ভরসা

প্রেশার কুকার বাষ্পের চাপ ব্যবহার করে খাবার দ্রুত সেদ্ধ করে। এর কারণে ডাল, মাংস, সবজি, তরকারি বা শক্ত খাবার কম সময়ে রান্না করা যায়।

সাধারণ রান্নাঘরে প্রেশার কুকারের ব্যবহার অনেক বেশি। কারণ এতে শুধু ভাত নয়, নানা ধরনের রান্না করা সম্ভব।

বর্তমানে গ্যাসের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক প্রেশার কুকারও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

কোনটি কার জন্য ভালো?

যারা প্রতিদিন নানা ধরনের রান্না করেন, তাদের জন্য প্রেশার কুকার বেশি কার্যকর। কারণ একটি পাত্রেই অনেক ধরনের রান্না করা যায় এবং সময়ও কম লাগে।

অন্যদিকে, যারা শুধু ভাত বা হালকা খাবার দ্রুত তৈরি করতে চান, তাদের জন্য রাইস কুকার ভালো বিকল্প।

রান্নার ধরন ও প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে কুকার বেছে নেওয়া উচিত। বড় পরিবারের নিয়মিত রান্নার জন্য প্রেশার কুকার বেশি সুবিধার, আর ব্যস্ত জীবন বা ছোট পরিবারের জন্য রাইস কুকার হতে পারে সহজ সমাধান।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
রাইস কুকারের সর্বোত্তম ব্যবহারে যা করতে হবে