ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রাইস কুকার নাকি প্রেশার কুকার, প্রতিদিনের রান্নায় কোনটি সেরা? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
রাইস কুকার নাকি প্রেশার কুকার, প্রতিদিনের রান্নায় কোনটি সেরা?  । ছবি: সংগৃহীত

রান্নাঘরের অন্যতম প্রয়োজনীয় দুটি জিনিস হলো রাইস কুকার ও প্রেশার কুকার। দুটির নামের সঙ্গে কুকার থাকলেও কাজের ধরন একেবারেই আলাদা। কেউ ঝটপট ভাত রান্নার জন্য রাইস কুকার পছন্দ করেন, আবার কেউ সব ধরনের রান্নার জন্য ভরসা রাখেন প্রেশার কুকারে। তাহলে প্রতিদিনের রান্নার জন্য কোনটি বেশি উপকারী?

রাইস কুকার: সহজে ভাত রান্নার সঙ্গী

রাইস কুকার একটি স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র। এতে চাল, পানি ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সুইচ চালু করলেই এটি নিজে থেকেই রান্নার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

ভাত রান্না হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে এটি নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যায় এবং ভাত গরম রাখার ব্যবস্থায় চলে যায়। ফলে দীর্ঘ সময় ভাত গরম ও ঝরঝরে থাকে।

ভাত, খিচুড়ি, ওটস বা হালকা রান্নার জন্য রাইস কুকার বেশ সুবিধাজনক। বিশেষ করে যারা একা থাকেন, ছোট পরিবার বা কর্মব্যস্ত জীবনে রান্নার সময় কম পান—তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী।

তবে এর ব্যবহার কিছুটা সীমিত। সব ধরনের রান্না এতে করা যায় না।

আরও পড়ুন

প্রেশার কুকার: সব রান্নার ভরসা

প্রেশার কুকার বাষ্পের চাপ ব্যবহার করে খাবার দ্রুত সেদ্ধ করে। এর কারণে ডাল, মাংস, সবজি, তরকারি বা শক্ত খাবার কম সময়ে রান্না করা যায়।

সাধারণ রান্নাঘরে প্রেশার কুকারের ব্যবহার অনেক বেশি। কারণ এতে শুধু ভাত নয়, নানা ধরনের রান্না করা সম্ভব।

বর্তমানে গ্যাসের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক প্রেশার কুকারও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

কোনটি কার জন্য ভালো?

যারা প্রতিদিন নানা ধরনের রান্না করেন, তাদের জন্য প্রেশার কুকার বেশি কার্যকর। কারণ একটি পাত্রেই অনেক ধরনের রান্না করা যায় এবং সময়ও কম লাগে।

অন্যদিকে, যারা শুধু ভাত বা হালকা খাবার দ্রুত তৈরি করতে চান, তাদের জন্য রাইস কুকার ভালো বিকল্প।

রান্নার ধরন ও প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে কুকার বেছে নেওয়া উচিত। বড় পরিবারের নিয়মিত রান্নার জন্য প্রেশার কুকার বেশি সুবিধার, আর ব্যস্ত জীবন বা ছোট পরিবারের জন্য রাইস কুকার হতে পারে সহজ সমাধান।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন অনেকেই। কেউ দ্রুত ফল পেতে চান, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে চান।
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
আরও পড়ুন
রাইস কুকারের সর্বোত্তম ব্যবহারে যা করতে হবে