ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

চুলে চিরুনি কতবার চালাবেন? বেশি আঁচড়ালেই হতে পারে ক্ষতি  

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬, ০৯:০২ এএম
চুলে চিরুনি কতবার চালাবেন? বেশি আঁচড়ালেই হতে পারে ক্ষতি   । ছবি: সংগৃহীত

চুল সুন্দর, মসৃণ ও স্বাস্থ্যবান রাখতে অনেকেই বারবার চিরুনি ব্যবহার করেন। কেউ কেউ মনে করেন, যত বেশি আঁচড়ানো যাবে, তত দ্রুত চুল লম্বা হবে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণা ঠিক নয়। বরং অতিরিক্ত আঁচড়ালে চুলের ক্ষতিও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বারবার চিরুনি চালালে চুল দ্রুত বাড়ে— এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। অতিরিক্ত জোরে বা বেশি আঁচড়ালে চুল ভেঙে যেতে পারে, আগা ফেটে যেতে পারে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে চুল পড়াও বাড়তে পারে।

তবে একেবারেই চুল না আঁচড়ানোও ঠিক নয়। নিয়মিত আলতোভাবে চুল আঁচড়ালে জট কমে, মাথার ত্বকে জমে থাকা ধুলাবালি ও ঝরে পড়া চুল পরিষ্কার হয়। এতে পরে জট ছাড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত টান পড়ার আশঙ্কাও কমে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যাদের চুল সোজা বা হালকা ঢেউ খেলানো, তারা সপ্তাহে অন্তত তিন দিন বা প্রয়োজন হলে দিনে এক থেকে দুইবার আলতোভাবে চুল আঁচড়াতে পারেন। তবে ভেজা অবস্থায় এমন চুলে চিরুনি ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ ভেজা চুল তখন বেশি নরম থাকে এবং সহজেই ভেঙে যেতে পারে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে যাদের চুল খুব কোঁকড়ানো, তাদের ক্ষেত্রে নিয়ম ভিন্ন। এই ধরনের চুল শুকনো অবস্থায় আঁচড়ানো উচিত নয়। চুল ধোয়ার সময় উপযুক্ত জট ছাড়ানোর উপকরণ ব্যবহার করে ধীরে ধীরে জট ছাড়ানোই ভালো।

চিরুনি বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে। ভেজা চুলের জন্য নরম ও নমনীয় চিরুনি ব্যবহার করা ভালো। আর শুকনো চুলে নরম ব্রিসলযুক্ত চিরুনি ব্যবহার করলে মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল চুলের পুরো অংশে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে চুল আরও মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের যত্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক নিয়মে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চুল আঁচড়ানো। কারণ অতিরিক্ত নয়, বরং সঠিকভাবে চুল আঁচড়ালেই চুল থাকবে সুস্থ ও সুন্দর।

সূত্র: বিবিসি


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে