ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

নিয়মিত পার্লারে গেলে বদলে যেতে পারে আপনার সৌন্দর্যচর্চা 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ পিএম
নিয়মিত পার্লারে গেলে বদলে যেতে পারে আপনার সৌন্দর্যচর্চা  । ছবি: সংগৃহীত

চুল কাটা বা ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন হলেই অনেকেই বিউটি পার্লারে বা সেলুনে যান। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বিশেষ অনুষ্ঠানের আগে নয়, নিয়মিত পার্লারে বা সেলুনের সেবা নিলে চুল, ত্বক এবং মানসিক স্বাস্থ্যেরও উপকার হয়।

বাড়িতে যত্ন নেওয়া জরুরি হলেও কিছু সেবা রয়েছে, যা দক্ষ হাতে করানোই ভালো। নিয়মিত পরিচর্যা করলে শুধু সৌন্দর্যই নয়, চুল ও ত্বকের সুস্থতাও দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা সম্ভব।

কেন নিয়মিত পার্লারে বা সেলুনে যাবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সেলুনে প্রশিক্ষিত কর্মীরা ত্বক ও চুলের ধরন বুঝে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিচর্যা করেন। পাশাপাশি উন্নত মানের প্রসাধনী ও বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা অনেক সময় ঘরে করা সম্ভব হয় না।

এছাড়া ব্যস্ত জীবনে নিজের জন্য কিছু সময় বের করে নেওয়াও মানসিক স্বস্তি এনে দেয়।

চুলের যত্নে যেসব উপকার মিলবে-

দুইমুখো চুলের সমস্যা কমে

নিয়মিত চুল কাটা ও পরিচর্যা করলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ কেটে যায়। ফলে চুল আরও স্বাস্থ্যবান ও প্রাণবন্ত দেখায়।

চুলের গোড়া ভালো থাকে

মাথার ত্বকের পরিচর্যা ও মালিশ রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। এতে চুলের গোড়া শক্ত থাকে এবং সুস্থভাবে নতুন চুল গজানোর পরিবেশ তৈরি হয়।

আরও পড়ুন

শুষ্ক ও রুক্ষ চুলের যত্ন হয়

বিশেষ পরিচর্যা ও মানসম্মত উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে চুলের শুষ্কতা কমে। ফলে চুল হয় নরম, মসৃণ ও সহজে আঁচড়ানো যায়।

ত্বকের যত্নে কী লাভ?

ব্রণের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে

ত্বকের ধরন বুঝে পরিচর্যা করলে ব্রণ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যার যত্ন নেওয়া সহজ হয়।

মরা চামড়া দূর হয়

নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যায় জমে থাকা মরা কোষ দূর হয়। এতে ত্বক আরও উজ্জ্বল, সতেজ ও প্রাণবন্ত দেখায়।

বয়সের ছাপ কমাতে সহায়ক

বিশেষ ধরনের ত্বক পরিচর্যা বলিরেখা, সূক্ষ্ম দাগ এবং ত্বকের রুক্ষতা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্যেরও উপকার

সৌন্দর্যচর্চা কেন্দ্রে কিছু সময় কাটানো অনেকের জন্য মানসিক প্রশান্তিরও একটি উপায়। আরামদায়ক পরিবেশ, পরিচর্যা এবং নিজের জন্য সময় বের করে নেওয়া মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

এছাড়া নতুনভাবে চুল কাটা বা ত্বকের পরিচর্যার পর নিজেকে আরও আত্মবিশ্বাসী মনে হয়। নিজের চেহারা নিয়ে ভালো অনুভূতি আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দেয়।

শুধু সৌন্দর্য নয়, নিজের যত্নও

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সৌন্দর্যচর্চা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নয়, এটি নিজের যত্ন নেওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এতে চুল ও ত্বক সুস্থ থাকে, মানসিক চাপ কমে এবং নিজের প্রতি ইতিবাচক অনুভূতিও বাড়ে।

চুল ও ত্বকের সুস্থতা ধরে রাখতে শুধু ঘরোয়া যত্নের ওপর নির্ভর না করে সময়মতো সেলুনের সেবা নেওয়াও উপকারী হতে পারে। নিয়মিত পরিচর্যা আপনার চুল ও ত্বককে যেমন ভালো রাখবে, তেমনি মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাসও বাড়াতে সাহায্য করবে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
কাঁচা ও পাকা দুই ধরনের কলাই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে পাকার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কলার শর্করা, স্বাদ, গঠন ও হজমের ওপর প্রভাবের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। কাঁচা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ বেশি থাকে।
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
ফলের মধ্যে আপেল বেশ জনপ্রিয়। সুস্বাদু এই ফলটি লাল, সবুজ ও হলুদসহ বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি আপেলের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, নানা জাত ও পরিবেশগত গুরুত্ব। এসব বৈচিত্র্য তুলে ধরতে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর পালিত হয় অ্যাপল ডে, যা ন্যাশনাল অ্যাপল ডে নামেও পরিচিত। অ্যাপল ডে কী ও কেন পালিত হয়? অ্যাপল ডে শুধু আপেল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। আপেলের বিভিন্ন জাতের পরিচিতি বাড়ানো, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরিও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বাজারে সাধারণত কয়েক ধরনের আপেল বেশি দেখা গেলেও বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার জাত। এসব আপেলের রং, আকার, স্বাদ ও গন্ধে রয়েছে ভিন্নতা। দিবসটি মানুষকে আপেলের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। এ ছাড়া ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপেল দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। অ্যাপল দিবসের ইতিহাস অ্যাপল দিবসের সূচনা হয় ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে। পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড (Common Ground) ওই বছরের ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনের পুরোনো অ্যাপল মার্কেটে অনুষ্ঠিত প্রথম আয়োজনে প্রায় ৪০টি স্টলে বিভিন্ন জাতের আপেল, আপেলগাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে আপেল নিয়ে কাজ করা লেখক ও চিত্রকররাও অংশ নেন। যুক্তরাজ্যে ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাতের পরিচিতি হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন শহর, গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে অ্যাপল দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের প্রদর্শনী, ফলের স্বাদ গ্রহণ, রান্নার আয়োজন এবং বাগান পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপেল সম্পর্কে ৬টি মজার তথ্য ১. বিশ্বে আপেলের হাজার হাজার জাত রয়েছে আপেল বলতে শুধু লাল বা সবুজ ফলকেই বোঝায় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বে আপেলের ৭ হাজার ৫০০টিরও বেশি জাত রয়েছে। জাতভেদে এসব আপেলের স্বাদ, রং, আকার ও ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। ২. আপেল পানিতে ভাসে আপেলের ভেতরের প্রায় ২৫ শতাংশ জায়গা বাতাসে পূর্ণ। এ কারণে আপেলের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হওয়ায় এটি সাধারণত পানিতে ভেসে থাকে। ৩. আপেল ও গোলাপ একই পরিবারের আপেল ও গোলাপ দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও উদ্ভিদবিজ্ঞানে এরা একই পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের নাম রোজেসি (Rosaceae)। নাশপাতি, পিচ ও বরইও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ৪. আপেলের আদি উৎস মধ্য এশিয়া গৃহপালিত আপেলের উৎপত্তির ইতিহাস মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্তমান কাজাখস্তান অঞ্চলে পাওয়া বুনো আপেলকে আধুনিক আপেলের পূর্বপুরুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ৫. আপেল দিয়ে তৈরি হয় নানা খাবার সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি আপেল দিয়ে জুস, জ্যাম, পাই, কেক, সালাদ ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল থেকে সাইডারও তৈরি করা হয়। ৬. আপেল দিবসে থাকে নানা আয়োজন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের জাত চেনা, ফলের রস তৈরি, আপেল দিয়ে রান্না, বাগান পরিচর্যা এবং শিশুদের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন জাতের আপেল শনাক্ত করতেও সহায়তা করেন। আপেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা আপেল খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। এতে থাকা খাদ্যআঁশ হজমে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আপেল খাওয়া হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে শুধু আপেল খেয়ে শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। আপেল খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াও জরুরি। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপেল দিবসের গুরুত্ব জাতীয় আপেল দিবস একটি ফলকে কেন্দ্র করে পালিত হলেও এর গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। আপেলের বৈচিত্র্য রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেয় এই দিবস। ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ প্রতিবছর ২১ অক্টোবর মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একটি ফলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কৃষি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির দীর্ঘ সম্পর্ক। আরটিভি/এসকে
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পীদের হাত ধরে বদলেছে রান্নার কৌশল, জনপ্রিয় হয়েছে বিভিন্ন দেশের খাবার, তৈরি হয়েছে নতুন স্বাদের ধারণা। তাদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
আরও পড়ুন
পার্লারে সুন্দর হতে গিয়ে ডেকে আনছেন হেপাটাইটিসের ঝুঁকি
শেভিং করেও পাবেন পার্লারের মতো মসৃণ ত্বক
কর্মীকে মারধরের পর চুল কেটে দিলেন বিউটি পার্লারের মালিক