ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শুধু মুখ নয়, হাতেও চাই যত্ন

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
হাতের লোশনেই মিলবে নরম ত্বক । ছবি: সংগৃহীত

শীত হোক বা গরম, সারাদিন নানা কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় হাত। বারবার হাত ধোয়া, সাবান, ডিটারজেন্ট, ধুলাবালি, রোদ ও দূষণের কারণে হাতের ত্বক দ্রুত শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় ত্বক ফেটে যাওয়া, জ্বালাপোড়া বা খসখসে ভাবও দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতের ত্বক শরীরের অনেক অংশের তুলনায় পাতলা এবং এতে প্রাকৃতিক তেল তৈরির গ্রন্থিও কম থাকে। তাই হাতের ত্বক আর্দ্রতা দ্রুত হারায়। এ কারণে নিয়মিত হাতের লোশন ব্যবহার করলে ত্বক নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর রাখা সহজ হয়।

কেন হাতের আলাদা যত্ন প্রয়োজন?

হাত সারাদিন পানি, সাবান, রাসায়নিক পদার্থ, ধুলাবালি ও রোদের সংস্পর্শে থাকে। এসব কারণে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। ফলে হাত শুষ্ক হয়ে যায় এবং ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ে।

হাতের লোশন ব্যবহারের ৬ উপকার:

১. ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে

হাতের লোশন ত্বকে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। এতে থাকা উপাদান ত্বককে দীর্ঘ সময় নরম ও কোমল রাখতে সাহায্য করে।

২. ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করে

হাতের ত্বক সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিয়মিত মলম ব্যবহার করলে ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থা মজবুত হয় এবং ত্বক ফেটে যাওয়া বা জ্বালাপোড়ার ঝুঁকি কমে।

আরও পড়ুন

৩. ত্বকের পুষ্টি জোগায়

হাতের লোশনে থাকা ভিটামিন, প্রাকৃতিক তেল ও পুষ্টিকর উপাদান ত্বকের কোমলতা, স্থিতিস্থাপকতা এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

৪. বাইরের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে

রোদ, দূষণ ও বিভিন্ন পরিষ্কারক রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে সুরক্ষা দিতে হাতের লোশন কার্যকর ভূমিকা রাখে।

৫. বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে

হাতেই অনেক সময় বয়সের ছাপ আগে দেখা যায়। নিয়মিত হাতের লোশন ব্যবহার করলে বলিরেখা, কালচে দাগ ও খসখসে ভাব কিছুটা কমানো সম্ভব।

৬. হাতকে রাখে নরম ও সতেজ

হাতের লোশন ব্যবহারের পর ত্বক আরও কোমল ও মসৃণ অনুভূত হয়। অনেক লোশনে হালকা সুগন্ধও থাকে, যা হাতকে দীর্ঘ সময় সতেজ রাখে।

হাতের লোশন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

হাত ধোয়ার পর ব্যবহার করুন

প্রতিবার হাত ধোয়ার পর ত্বকের স্বাভাবিক তেল কমে যায়। তাই হাত মুছে সঙ্গে সঙ্গে হাতের লোশন লাগানো ভালো।

পরিমাণমতো ব্যবহার করুন

অল্প পরিমাণ লোশন নিয়ে দুই হাতে ভালোভাবে মালিশ করুন। আঙুলের ফাঁকেও লোশন লাগাতে ভুলবেন না।

শুষ্ক অংশে বেশি যত্ন নিন

হাতের পেছনের অংশ, নখের চারপাশ ও আঙুলের গাঁট দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়। এসব জায়গায় একটু বেশি লোশন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

নিয়মিত ব্যবহার করুন

দিনে কয়েকবার হাতের লোশন ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং শুষ্কতা কমে।

ঘুমানোর আগে ব্যবহার করুন

রাতে ঘুমানোর আগে হাতের লোশন লাগালে দীর্ঘ সময় ত্বকে কাজ করার সুযোগ পায়। ফলে সকালে হাত আরও নরম ও কোমল অনুভূত হয়।

হাতের ত্বক সুস্থ রাখতে শুধু মুখের যত্ন নিলেই হবে না, হাতের যত্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হাতের লোশন ব্যবহার করলে শুষ্কতা, রুক্ষতা ও ত্বক ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি হাত দীর্ঘদিন নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর থাকে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা 
গর্ভাবস্থায় অনেক নারী হঠাৎ কিছু বিষয় ভুলে যাওয়ার সমস্যায় পড়েন।
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা 
জেনে নিন ইসবগুল খাওয়ার উপকারিতা
কোষ্ঠকাঠিন্য হলেই অনেকের মনে পড়ে ইসবগুলের ভুসির কথা। পানিতে মিশিয়ে খাওয়া পরিচিত এই খাবারটি দীর্ঘদিন ধরে পেট পরিষ্কার রাখতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে ইসবগুলের উপকারিতা শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
জেনে নিন ইসবগুল খাওয়ার উপকারিতা
বোটক্স নেওয়ার আগে জানুন স্নায়ুর এই ঝুঁকিগুলো
বয়সের ছাপ কমানো থেকে শুরু করে মাইগ্রেনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ—বিভিন্ন কারণে বোটক্স ব্যবহার করা হয়।
বোটক্স নেওয়ার আগে জানুন স্নায়ুর এই ঝুঁকিগুলো
শুয়ে থাকলেই পা নাড়ানোর ইচ্ছা? আজ সচেতন হওয়ার দিন
রাতে বিছানায় শুয়ে আছেন, কিন্তু পায়ে কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে।
শুয়ে থাকলেই পা নাড়ানোর ইচ্ছা? আজ সচেতন হওয়ার দিন
শিয়ালের মাংস, তক্ষক ও জোঁকের তেল, রোগ সারানোর সত্যতা কতটা?
শিয়ালের মাংস খেলে বাতের ব্যথা সারে, তক্ষক খেলে হাঁপানি থেকে যৌনক্ষমতা নানা রোগের চিকিৎসা হয়, আবার জোঁকের তেল নাকি সারিয়ে দেয় বাত-ব্যথা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে এমন নানা লোকবিশ্বাস। তবে এসব দাবির পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটা?
শিয়ালের মাংস, তক্ষক ও জোঁকের তেল, রোগ সারানোর সত্যতা কতটা?