ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

পাঁচ বছরের আগেই শিশুর সুস্থ বিকাশে জরুরি যেসব অভ্যাস

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৬ এএম

শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের বিকাশ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন নিয়মিত শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রতিদিন নড়াচড়া ও খেলাধুলার সুযোগ করে দেওয়া উচিত। হালকা কিংবা বেশি পরিশ্রমের—সব ধরনের শারীরিক কর্মকাণ্ডই তাদের সুস্থ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এক বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য কী করবেন?

এক বছরের কম বয়সী শিশুকে প্রতিদিন যতটা সম্ভব নড়াচড়া করতে উৎসাহিত করতে হবে। হামাগুড়ি দেওয়া, হাত বাড়িয়ে কিছু ধরার চেষ্টা, হাত-পা নাড়ানো, মাথা ঘোরানো এবং মেঝেতে নিরাপদ পরিবেশে খেলাধুলা তার শারীরিক বিকাশে সহায়তা করে।

যেসব শিশু এখনও হামাগুড়ি দিতে পারে না, তাদেরও প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট উপুড় হয়ে খেলতে দেওয়া উচিত। তবে এটি একটানা না করে দিনের বিভিন্ন সময়ে ভাগ করে করানো ভালো।

এক থেকে দুই বছরের শিশুর কতটা শরীরচর্চা দরকার?

এই বয়সী শিশুদের প্রতিদিন অন্তত তিন ঘণ্টা সক্রিয় থাকতে হবে। এর মধ্যে হাঁটা, দৌড়ানো, লাফানো, বল নিয়ে খেলা, সাইকেল চালানো, পানিতে খেলা কিংবা খেলার মাঠে সময় কাটানোর মতো বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থাকতে পারে।

আরও পড়ুন

তিন থেকে চার বছরের শিশুদের জন্য কী প্রয়োজন?

তিন থেকে চার বছরের শিশুদেরও প্রতিদিন অন্তত তিন ঘণ্টা বিভিন্ন ধরনের শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া উচিত। এর মধ্যে অন্তত এক ঘণ্টা তুলনামূলক বেশি পরিশ্রমের খেলাধুলা বা শরীরচর্চা থাকা প্রয়োজন। বাইরে খেলাধুলা করলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ আরও ভালো হয়।

দীর্ঘ সময় বসে থাকা ক্ষতিকর

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের দীর্ঘ সময় নিষ্ক্রিয় রাখা উচিত নয়। ঘুমের সময় ছাড়া টেলিভিশন দেখা, দীর্ঘ সময় গাড়িতে বসে থাকা বা এক জায়গায় আটকে রাখা শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অতিরিক্ত ওজনের শিশুরাও উপকৃত হয়

যেসব শিশুর ওজন বেশি, তাদের জন্যও নিয়মিত শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে তাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে, এমনকি ওজন দ্রুত না কমলেও শরীর সুস্থ থাকে।

প্রতিবন্ধী শিশুর ক্ষেত্রেও প্রয়োজন নিয়মিত নড়াচড়া

দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধকতা থাকলেও চিকিৎসকের ভিন্ন পরামর্শ না থাকলে শিশুকে নিয়মিত সক্রিয় রাখা উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী খেলাধুলা বা শরীরচর্চার ধরন পরিবর্তন করা যেতে পারে। এতে শিশুর আত্মবিশ্বাস, মানসিক স্বাস্থ্য এবং শারীরিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

যেসব খেলাধুলা শিশুর জন্য উপকারী

শিশুকে সক্রিয় রাখতে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অংশ নিতে দেওয়া যেতে পারে। যেমন— ব্লক দিয়ে খেলা, লাফানো, হাঁটা, নাচ, সাঁতার, খেলার মাঠে সময় কাটানো, ওঠানামা করা, দড়ি লাফ, লুকোচুরি, বল ছোড়া ও ধরা, সাইকেল চালানো এবং খোলা জায়গায় খেলাধুলা।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত নড়াচড়া ও খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তুললে শিশুর শরীর সুস্থ থাকার পাশাপাশি তার মেধা, আত্মবিশ্বাস এবং সামাজিক দক্ষতারও ইতিবাচক বিকাশ ঘটে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
উদ্বেগজনক নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, শুধু অক্টোবরেই ধর্ষণের শিকার ৫১
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জড়িতের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মাঝনদীতে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু
বাড়ির পাশের খালে পড়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু