ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

টি ব্যাগের চা কতটা নিরাপদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
টি ব্যাগের চা কি ক্ষতিকর? জানালেন পুষ্টিবিদ । ছবি: সংগৃহীত

দিনের শুরু থেকে সন্ধ্যার আড্ডা— এক কাপ চা যেন অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। তবে বাইরে দোকানে বা বাসায় গরম পানিতে টি ব্যাগ ডুবিয়ে তৈরি চা পান করা কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর উত্তর নির্ভর করে টি ব্যাগের মানের ওপর।

পুষ্টিবিদদের মতে, চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত চা পান করলে দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগের ঝুঁকি কমতে পারে। পাশাপাশি হৃদ্‌রোগ ও মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলজনিত সমস্যার আশঙ্কাও কমাতে সহায়ক হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এক কাপ চা মানসিক প্রশান্তিও এনে দেয়।

তবে টি ব্যাগ দিয়ে তৈরি চা সব সময় সমান নিরাপদ নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নমানের টি ব্যাগে অনেক সময় নাইলন বা অনুরূপ কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করা হয়। গরম পানির সংস্পর্শে এ ধরনের টি ব্যাগ থেকে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শরীরে প্রবেশের আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন এমন টি ব্যাগ ব্যবহার করলে ছোটখাটো বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে, উন্নতমানের কাগজের তৈরি টি ব্যাগ তুলনামূলক নিরাপদ বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা। এছাড়া প্রাকৃতিক উপাদান বা চা পাতার আবরণ দিয়ে তৈরি টি ব্যাগও ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টি ব্যাগের চেয়ে চা পাতা ফুটিয়ে চা তৈরি করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। এতে চায়ের উপকারী উপাদান পানিতে ভালোভাবে মিশে যায় এবং শরীর সহজে তা গ্রহণ করতে পারে। এর ফলে প্রদাহ কমাতে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে চায়ের উপকারিতা আরও বেশি পাওয়া যায়।

একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে তিন থেকে চার কাপ চা পান করতে পারেন। তবে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের চা না দেওয়াই ভালো। এছাড়া চায়ে অতিরিক্ত চিনি ও দুধ মেশানো হলে এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কমে যেতে পারে এবং শরীরের জন্য ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চা পান করতে চাইলে ভালো মানের টি ব্যাগ বেছে নেওয়া বা সরাসরি চা পাতা ফুটিয়ে তৈরি চা পান করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভুল মানুষ, তবুও বারবার প্রাক্তনকে মনে পড়ে কেন
সম্পর্ক শেষ হয়েছে অনেক দিন আগে। জীবনও নিজের মতো এগিয়ে চলছে। আপনি জানেন, মানুষটি আপনার জন্য সঠিক ছিলেন না।
ভুল মানুষ, তবুও বারবার প্রাক্তনকে মনে পড়ে কেন
অল্প বয়সেই চুল পড়া কিসের লক্ষণ
একসময় চুল পড়া বা টাক পড়াকে বয়স বাড়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হতো। তবে বর্তমানে অনেক তরুণের ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, কপালের দুই পাশ থেকে চুল সরে যাওয়া কিংবা মাথার ওপরের অংশে চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
অল্প বয়সেই চুল পড়া কিসের লক্ষণ
একা বাড়িতে হঠাৎ বুকে ব্যথা হলে যা করবেন 
হঠাৎ বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব হলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। এটি হৃদরোগের বিভিন্ন সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যার মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
একা বাড়িতে হঠাৎ বুকে ব্যথা হলে যা করবেন 
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন অনেকেই। কেউ দ্রুত ফল পেতে চান, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে চান।
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
আরও পড়ুন
এইচএসসি পাসেই স্কয়ার গ্রুপে চাকরির সুযোগ
চাঁদপুরে তিন মণ আলুর দামে এক কেজি ইলিশ 
কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর ৮৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর