ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রস্তুতিতে যে ৫ অভ্যাস বদলে দেবে পথচলা 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৫ এএম
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রস্তুতিতে এগিয়ে থাকতে মানুন ৫ পরামর্শ । ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষার পরই জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়। কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার এই সময়টায় একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা চিন্তা—সব মিলিয়ে অনেক শিক্ষার্থীই মানসিক চাপে থাকে।

অনেকে মনে করেন, এই বয়সে মস্তিষ্কের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। কৈশোরের শেষ দিকে মস্তিষ্কের সমস্যা সমাধান ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে যুক্ত অংশের বিকাশ তখনো চলতে থাকে। একই সময়ে আবেগপ্রবণতাও তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে।

এর সঙ্গে যোগ হয় পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, ক্যারিয়ার বেছে নেওয়ার চাপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রতিযোগিতা। ফলে এই সময়ে মানসিক চাপ বা আবেগের ওঠানামা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

তাই কঠিন এই সময়টাকে সামলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিতে কিছু অভ্যাস কাজে লাগতে পারে।

১. অল্প সময়ে বেশি নয়, দীর্ঘ পথের প্রস্তুতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কোনো স্বল্প সময়ের দৌড় নয়। সাধারণত কয়েক মাস ধরে এর প্রস্তুতি নিতে হয়। তাই শুরুতেই অতিরিক্ত পড়াশোনা করে ক্লান্ত হয়ে পড়ার বদলে ধীরে ধীরে ধারাবাহিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও প্রস্তুতির অংশ। এসব বাদ দিয়ে শুধু পড়াশোনায় মন দিলে একটা সময় পড়ার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।

দীর্ঘ দৌড়ের মতোই ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও নিজের শক্তি বুঝে এগোতে হবে।

আরও পড়ুন

২. রুটিন মেনে চলুন, মুঠোফোনে লাগাম দিন

সারাদিন বা সারারাত এলোমেলোভাবে পড়ার চেয়ে নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে পড়া বেশি কার্যকর। পড়ার সময় ভাগ করে নিতে হবে, মাঝে প্রয়োজনীয় বিরতি রাখতে হবে এবং আগের পড়া নিয়মিত ঝালিয়ে নিতে হবে।

সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজের অগ্রগতিও যাচাই করা যেতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি।

বর্তমানে মুঠোফোন ও ইন্টারনেটের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ছোট ভিডিও কিংবা অনলাইন খেলা সহজেই পড়াশোনার সময় কেড়ে নিতে পারে।

তাই পড়ার সময় মুঠোফোনের বার্তা আসার ব্যবস্থা বন্ধ রাখা, নির্দিষ্ট সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার পর্দা দেখা থেকে বিরত থাকা ভালো অভ্যাস হতে পারে।

৩. অন্যের সঙ্গে নিজেকে মেলাবেন না

কে কত ঘণ্টা পড়ছে, কে কতগুলো কোচিং করছে কিংবা পরীক্ষায় কে কত নম্বর পাচ্ছে—এসব দিয়ে নিজের যোগ্যতা বিচার করা ঠিক নয়।

প্রত্যেক মানুষের শেখার ধরন, আগ্রহ, দক্ষতা ও কাজের গতি আলাদা। তাই অন্যের প্রস্তুতির সঙ্গে নিজের প্রস্তুতিকে তুলনা না করে নিজের অগ্রগতির দিকে নজর দেওয়া উচিত।

কোনো দিন মনোযোগ কম থাকলে বা উদ্বেগ বেশি হলে নিজেকে ব্যর্থ মনে করার দরকার নেই। নিজেকে মনে করিয়ে দিতে হবে—কঠিন সময় সাময়িক, এটি কেটে যাবে।

অনেক সময় ভালো ঘুম, কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার কিংবা কিছুটা বিশ্রাম মস্তিষ্ককে আবার পড়াশোনার উপযোগী করে তুলতে পারে।

৪. একা সব সামলাতে যাবেন না

কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে কিংবা মানসিক চাপ বেশি মনে হলে সবকিছু একা সামলানোর চেষ্টা না করে সাহায্য নেওয়া উচিত।

শিক্ষক, বড় ভাই-বোন, পরিবার কিংবা মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতার সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে। প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং এটি নিজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার একটি অংশ।

৫. সাফল্য মানেই শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ই জীবনের একমাত্র সাফল্যের পথ নয়।

অন্যের তৈরি করে দেওয়া ‘ভালো বিষয়’ বা ‘খারাপ বিষয়’-এর ধারণার বাইরে গিয়ে নিজের আগ্রহ ও পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

নিজেকে প্রশ্ন করুন—কোন বিষয় পড়তে ভালো লাগে? কোন কাজ করতে গিয়ে আনন্দ ও কৌতূহল তৈরি হয়? ভবিষ্যতে কী ধরনের কাজ করতে চান? সমাজে কী ধরনের অবদান রাখতে চান?

এসব বিষয় বিবেচনা করেই ভবিষ্যৎ পড়াশোনা ও পেশার সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশি যুক্তিযুক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময়টা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটিই জীবনের শেষ পরীক্ষা নয়। এই সময়ে নিজের প্রতি আস্থা রাখা, নিজের যত্ন নেওয়া এবং অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের গতিতে এগিয়ে যাওয়া জরুরি।

শেখার আগ্রহ, দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা, কাজের প্রতি সততা, নিজের ও অন্যের প্রতি মমতা এবং মানসিকভাবে ভালো থাকার চেষ্টা—এসবই শেষ পর্যন্ত একটি সুখী ও অর্থপূর্ণ জীবনের ভিত্তি তৈরি করে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
সড়কে দড়ি ফেলে অপেক্ষা, ‘মুরগির’ বদলে এলো ডিবির দল
গুচ্ছের ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা মার্চে, কোন ইউনিটের কবে
ভর্তি পরীক্ষায় সিলেবাসে পরিবর্তন আনলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান