ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

ফোনের কভারে তেজপাতা রাখছেন অনেকেই, কারণ কী?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়েছে নতুন এক ট্রেন্ড। অনেকেই মোবাইল ফোনের কভারের ভেতরে রাখছেন শুকনো তেজপাতা। তাদের বিশ্বাস, এতে জীবনে আসে সৌভাগ্য, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও ইতিবাচকতা। কেউ কেউ আবার মনে করেন, তেজপাতা নেতিবাচক শক্তি থেকেও দূরে রাখে।

তবে ফোনের কভারে তেজপাতা রাখলেই কি সত্যিই ভাগ্য বদলায়। নাকি এটি শুধুই বিশ্বাস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ট্রেন্ড?

যেভাবে শুরু হলো তেজপাতার এই ট্রেন্ড

তেজপাতাকে ঘিরে সৌভাগ্য ও সাফল্যের ধারণা অবশ্য নতুন নয়। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতিতে তেজপাতাকে বিজয়, জ্ঞান ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। বিজয়ীদের সম্মান জানাতেও তেজপাতার মুকুট ব্যবহারের প্রচলন ছিল।

সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে তেজপাতার সঙ্গে সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি ও সুরক্ষার ধারণা যুক্ত হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই অনেকে তেজপাতাকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে সঙ্গে রাখেন।

বর্তমানে স্মার্টফোন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কাজ, যোগাযোগ থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক লেনদেন অনেক কিছুই এখন ফোনের মাধ্যমে হয়। তাই কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, ফোনের কভারের ভেতরে তেজপাতা রাখলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। এই ধারণা থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেজপাতা রাখা ফোনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে ভারতীয়দের মধ্যে এই ট্রেন্ডটি বেশি দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞান কী বলছে?

ফোনের কভারে তেজপাতা রাখলে অর্থ আসবে, ভাগ্য বদলাবে কিংবা নেতিবাচক শক্তি দূর হবে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। অর্থাৎ, বিষয়টি মূলত বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত আস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। তেজপাতাকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে সঙ্গে রাখা কারও মধ্যে মানসিকভাবে ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করতে পারে। তবে এর সঙ্গে ভাগ্য বা আর্থিক সাফল্যের সরাসরি বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

তেজপাতা রাখলে সতর্কতা জরুরি

এই ট্রেন্ড অনুসরণ করতে চাইলে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার। ফোনের কভারে অবশ্যই সম্পূর্ণ শুকনো তেজপাতা ব্যবহার করা উচিত। পাতা যেন ক্যামেরা, স্পিকার, চার্জিং পোর্ট বা কোনো বোতামের ওপর না পড়ে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

এ ছাড়া খুব মোটা পাতা ব্যবহার করে ফোনের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করা ঠিক নয়। পাতা ভেঙে গুঁড়া হয়ে গেলে কিংবা ধুলো জমলে সেটি সরিয়ে নতুন পাতা ব্যবহার করা ভালো। একই সঙ্গে ফোনের কভারের ভেতরের অংশ পরিষ্কার ও শুকনো রাখা জরুরি।

সবশেষে বলা যায়, ফোনের কভারে তেজপাতা রাখা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মজার একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রেন্ড হতে পারে। তবে এটিকে ভাগ্য বদলানোর বৈজ্ঞানিক উপায় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। জীবনে সাফল্য পেতে প্রয়োজন পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও বাস্তব প্রচেষ্টা শুধু কোনো ট্রেন্ড অনুসরণ করলেই ভাগ্য বদলে যায় না।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
কাঁচা ও পাকা দুই ধরনের কলাই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে পাকার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কলার শর্করা, স্বাদ, গঠন ও হজমের ওপর প্রভাবের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। কাঁচা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ বেশি থাকে।
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
ফলের মধ্যে আপেল বেশ জনপ্রিয়। সুস্বাদু এই ফলটি লাল, সবুজ ও হলুদসহ বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি আপেলের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, নানা জাত ও পরিবেশগত গুরুত্ব। এসব বৈচিত্র্য তুলে ধরতে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর পালিত হয় অ্যাপল ডে, যা ন্যাশনাল অ্যাপল ডে নামেও পরিচিত। অ্যাপল ডে কী ও কেন পালিত হয়? অ্যাপল ডে শুধু আপেল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। আপেলের বিভিন্ন জাতের পরিচিতি বাড়ানো, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরিও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বাজারে সাধারণত কয়েক ধরনের আপেল বেশি দেখা গেলেও বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার জাত। এসব আপেলের রং, আকার, স্বাদ ও গন্ধে রয়েছে ভিন্নতা। দিবসটি মানুষকে আপেলের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। এ ছাড়া ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপেল দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। অ্যাপল দিবসের ইতিহাস অ্যাপল দিবসের সূচনা হয় ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে। পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড (Common Ground) ওই বছরের ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনের পুরোনো অ্যাপল মার্কেটে অনুষ্ঠিত প্রথম আয়োজনে প্রায় ৪০টি স্টলে বিভিন্ন জাতের আপেল, আপেলগাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে আপেল নিয়ে কাজ করা লেখক ও চিত্রকররাও অংশ নেন। যুক্তরাজ্যে ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাতের পরিচিতি হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন শহর, গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে অ্যাপল দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের প্রদর্শনী, ফলের স্বাদ গ্রহণ, রান্নার আয়োজন এবং বাগান পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপেল সম্পর্কে ৬টি মজার তথ্য ১. বিশ্বে আপেলের হাজার হাজার জাত রয়েছে আপেল বলতে শুধু লাল বা সবুজ ফলকেই বোঝায় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বে আপেলের ৭ হাজার ৫০০টিরও বেশি জাত রয়েছে। জাতভেদে এসব আপেলের স্বাদ, রং, আকার ও ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। ২. আপেল পানিতে ভাসে আপেলের ভেতরের প্রায় ২৫ শতাংশ জায়গা বাতাসে পূর্ণ। এ কারণে আপেলের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হওয়ায় এটি সাধারণত পানিতে ভেসে থাকে। ৩. আপেল ও গোলাপ একই পরিবারের আপেল ও গোলাপ দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও উদ্ভিদবিজ্ঞানে এরা একই পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের নাম রোজেসি (Rosaceae)। নাশপাতি, পিচ ও বরইও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ৪. আপেলের আদি উৎস মধ্য এশিয়া গৃহপালিত আপেলের উৎপত্তির ইতিহাস মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্তমান কাজাখস্তান অঞ্চলে পাওয়া বুনো আপেলকে আধুনিক আপেলের পূর্বপুরুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ৫. আপেল দিয়ে তৈরি হয় নানা খাবার সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি আপেল দিয়ে জুস, জ্যাম, পাই, কেক, সালাদ ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল থেকে সাইডারও তৈরি করা হয়। ৬. আপেল দিবসে থাকে নানা আয়োজন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের জাত চেনা, ফলের রস তৈরি, আপেল দিয়ে রান্না, বাগান পরিচর্যা এবং শিশুদের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন জাতের আপেল শনাক্ত করতেও সহায়তা করেন। আপেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা আপেল খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। এতে থাকা খাদ্যআঁশ হজমে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আপেল খাওয়া হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে শুধু আপেল খেয়ে শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। আপেল খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াও জরুরি। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপেল দিবসের গুরুত্ব জাতীয় আপেল দিবস একটি ফলকে কেন্দ্র করে পালিত হলেও এর গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। আপেলের বৈচিত্র্য রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেয় এই দিবস। ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ প্রতিবছর ২১ অক্টোবর মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একটি ফলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কৃষি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির দীর্ঘ সম্পর্ক। আরটিভি/এসকে
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
আরও পড়ুন
অজু ছাড়া মোবাইল স্ক্রিনে কোরআনের আয়াত স্পর্শ করা যাবে?
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
মোবাইলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব
এবার বাবর আজমদের ফোন জব্দ করল পিসিবি