ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

বয়স বাড়লেও শরীর শক্তিশালী রাখতে নারীদের যে ৩ অভ্যাস জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:২০ এএম
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম ও নিজের যত্ন নেওয়া জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওজনের তুলনায় শক্তি ধরে রাখা বা বাড়ানো জরুরি। বাড়তি মেদ কমিয়ে পেশির শক্তি বাড়াতে পারলে শরীরকে আরও সচল ও কর্মক্ষম রাখা সম্ভব। এ জন্য তিনটি বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকর।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসতে থাকে। ধীরে ধীরে পেশির শক্তি কমে, শরীরে বাড়তি মেদ জমতে পারে এবং আগের মতো চটপটে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই শুধু ওজন কমানোর দিকে নজর না দিয়ে শরীরের ওজনের তুলনায় শক্তি কতটা রয়েছে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

শক্তি ও ওজনের অনুপাত কী?

সহজভাবে বললে, নিজের ওজনের তুলনায় শরীর কতটা শক্তিশালী, সেটিই শক্তি ও ওজনের অনুপাত। শরীরের ওজন কম হলেই যে শক্তি বেশি হবে, এমন নয়। বরং বাড়তি মেদ কমিয়ে পেশির শক্তি বাড়ানোই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

পুষ্টিবিদের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীদের এই অনুপাত ধরে রাখার পাশাপাশি সম্ভব হলে বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত। এতে শরীর হালকা, চটপটে ও সচল রাখা সহজ হয়।

আরও পড়ুন

যোগাসনে বাড়বে শরীরের সক্ষমতা

পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যেসব যোগাসন (যোগব্যায়াম) কঠিন মনে হয়, সেগুলো ধীরে ধীরে শেখা যেতে পারে। শীর্ষাসন, সর্বাঙ্গাসন ও হলাসনের মতো যোগাসন শরীরের ভারসাম্য ও সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

এসব আসনে শরীরের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজের শরীরের ভার বহনের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত অনুশীলনে শরীরের নিচের অংশের সক্ষমতা বাড়তে পারে। পাশাপাশি রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এগুলো ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কঠিন যোগাসন করার আগে সঠিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শক্তিবর্ধক ব্যায়ামেও গুরুত্ব

শরীরের পেশির শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন শক্তিবর্ধক ব্যায়াম করা যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বসে ওঠার ব্যায়াম, ভার তোলার ব্যায়াম, হাতে ভার নিয়ে চাপ দেওয়ার ব্যায়ামসহ বিভিন্ন অনুশীলন।

এসব ব্যায়াম শরীরের বিভিন্ন পেশিকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে শরীরের ওজন ও শক্তির মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা সহজ হয়।

নিজের জন্যও সময় রাখতে হবে

শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভালো থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদের মতে, শুধু বাইরের সম্পর্ক ও দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত না থেকে নিজের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক তৈরি করা দরকার।

নিজের পছন্দের কাজ করা, শখ পূরণ করা, নতুন কিছু শেখা কিংবা নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মতো বিষয়গুলো মন ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। আর মন ভালো থাকলে শরীরের ওপরও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে শুধু ওজন কমানোর চিন্তা না করে শরীরের শক্তি, পেশি, মানসিক সুস্থতা ও দৈনন্দিন কর্মক্ষমতার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
সকালের নাশতায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস অনেক বাঙালিরই। কেউ আগের রাতের বেঁচে যাওয়া ভাত খান, আবার কেউ গরম ভাতের সঙ্গে ডিমভাজি কিংবা সবজি খেয়ে দিন শুরু করেন।
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় দ্রুত দেখা দিতে পারে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা কিংবা ঘুমের সমস্যা।
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
আরও পড়ুন
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪
বিশ্বের ৩৫ দেশে ভিসামুক্ত-অন অ্যারাইভাল সুবিধা পাবেন বাংলাদেশিরা
মতিঝিলে মেট্রোর নিচে পাতা ছিল শক্তিশালী বোমা, যা বলছে পুলিশ
শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ-উত্তর কোরিয়া এখন একই অবস্থানে