ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

হিংসুক আত্মীয়কে সরাসরি ব্লক না করে দূরে রাখার তরুণদের নতুন কৌশল ‘সফট ব্লকিং’

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫০ এএম
সরাসরি ব্লক না করেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা যায়। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে সরাসরি ব্লক না করেও নিজের ব্যক্তিগত জীবন থেকে দূরে রাখা যায়। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এমনই এক নীরব কৌশল। নাম ‘সফট ব্লকিং’।

কার সঙ্গে কোথায় ঘুরতে গেলেন, কোথায় খেতে গেলেন কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে কী ঘটছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব তথ্য সহজেই অনেকের নজরে পড়ে। বিশেষ করে আত্মীয়স্বজনের কেউ যদি নিয়মিত এসব খোঁজখবর নিতে থাকেন, তখন অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েন।

সরাসরি ব্লক করে দিলে আবার পারিবারিক বা সামাজিক সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। তাই কাউকে পুরোপুরি ব্লক না করে ধীরে ধীরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূরত্ব তৈরি করার পথ বেছে নিচ্ছেন অনেকে।

সফট ব্লকিং কী?

সফট ব্লকিং হলো কাউকে সরাসরি ব্লক না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সঙ্গে নীরবে দূরত্ব তৈরি করা। এর কয়েকটি উপায় রয়েছে।

কারও পোস্ট বা গল্প নিজের সামনে না আসার জন্য তাঁকে নীরব করে রাখা যায়। আবার নিজের পোস্ট বা গল্প নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে লুকিয়েও রাখা যায়।

এছাড়া কাউকে অনুসরণ না করা, নিজের অনুসারীর তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া কিংবা তাঁর বার্তার উত্তর দেওয়ার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়াও এই পদ্ধতির মধ্যে পড়ে।

কেন এই পথ বেছে নিচ্ছেন অনেকে?

নিজের গোপনীয়তা রক্ষা

ব্যক্তিগত জীবনের সব তথ্য সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান না অনেকেই। তাই নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য আড়াল করতেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর

সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে সরাসরি বিরোধে না গিয়ে দূরত্ব বজায় রাখার একটি উপায় হতে পারে এটি।

দ্বন্দ্ব এড়াতে

কাউকে সরাসরি কিছু বলতে গেলে অশান্তি বা তর্ক তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতি এড়াতেও অনেকে নীরবে দূরত্ব তৈরি করেন।

সফট ব্লকিংয়ে কষ্ট বেশি হতে পারে?

সরাসরি কাউকে ব্লক করলে বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট থাকে। কিন্তু সফট ব্লকিংয়ের ক্ষেত্রে কেন এমন আচরণ করা হচ্ছে, তা অনেক সময় বোঝা যায় না।

ফলে যিনি এই পরিস্থিতির মুখে পড়েন, তাঁর মনে নানা প্রশ্ন তৈরি হতে পারে—কী ভুল হয়েছে, কেন তাঁকে এড়িয়ে চলা হচ্ছে, কিংবা তিনি আদৌ কোনো ভুল করেছেন কি না। এই অনিশ্চয়তা মানসিক অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

সব সময় কি সফট ব্লকিং ভালো?

বিষয়টি নির্ভর করে উদ্দেশ্যের ওপর। বিচ্ছেদের পর নিজের মানসিক শান্তির জন্য প্রাক্তন সঙ্গীর কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে এটি করা হলে তা ব্যক্তিগত সীমারেখা রক্ষার একটি উপায় হতে পারে।

তবে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধবোধে ভোগানো, তাঁর কাছ থেকে বারবার জানতে চাওয়া বা নিজের পেছনে ছুটতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে এমন আচরণ করা হলে তা এক ধরনের মানসিক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হয়ে উঠতে পারে।

তাই দীর্ঘদিনের বন্ধু বা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে হুট করে নীরবে দূরত্ব না বাড়িয়ে প্রয়োজনে খোলাখুলি কথা বলাই ভালো।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
সকালের নাশতায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস অনেক বাঙালিরই। কেউ আগের রাতের বেঁচে যাওয়া ভাত খান, আবার কেউ গরম ভাতের সঙ্গে ডিমভাজি কিংবা সবজি খেয়ে দিন শুরু করেন।
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় দ্রুত দেখা দিতে পারে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা কিংবা ঘুমের সমস্যা।
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
আরও পড়ুন
গ্রামীণ জনপদে ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহার করা হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দেওয়া হলো সময়সীমা
মধ্যরাতে অচেতন তরুণীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে দুই তরুণ, যা জানা যাচ্ছে
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মাউশির নির্দেশনা