ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

শিশুদের নিয়ে বিমানে ভ্রমণ? যা জানা জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
শিশুকে নিয়ে বিমান ভ্রমণের আগে বয়স, আসন, খাবার, পোশাক ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি । ছবি: সংগৃহীত

প্রথমবার শিশুকে নিয়ে বিমান সফর করলে অনেক অভিভাবকের মনেই নানা প্রশ্ন থাকে। কত মাস বয়সে বিমানে ওঠানো নিরাপদ, কোথায় বসানো ভালো, কানে ব্যথা হলে কী করবেন—এসব বিষয়ে আগে থেকে প্রস্তুতি থাকলে পুরো সফরই হতে পারে অনেক স্বস্তির।

শিশুকে নিয়ে বিমান ভ্রমণ কখনও প্রয়োজনের কারণে, আবার কখনও বেড়ানোর জন্য করতে হয়। তবে একরত্তিকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবার আকাশপথে পাড়ি দেওয়ার আগে কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা জরুরি। সামান্য প্রস্তুতি শিশুর জন্য বিমানযাত্রাকে অনেক আরামদায়ক করে তুলতে পারে।

বয়সের বিষয়টি আগে ভাবুন

শিশুকে নিয়ে বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে বয়স নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে। নির্দিষ্টভাবে এমন কোনো নিয়ম নেই যে নির্দিষ্ট বয়সের আগে শিশুকে বিমানে নেওয়া যাবে না। এমনকি সাত দিনের শিশুকেও বিমানে নেওয়া সম্ভব। তবে নবজাতকের সংক্রমণ ও ঠান্ডা লাগার ঝুঁকি থাকায় সম্ভব হলে অন্তত দুই থেকে তিন মাস বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভালো।

ছোট শিশুর জন্য ঝুলন্ত বিছানা

ছয় মাসের কম বয়সী এবং নির্দিষ্ট ওজনের শিশুদের জন্য অনেক বিমান সংস্থায় বিশেষ ঝুলন্ত বিছানার ব্যবস্থা থাকে। দীর্ঘ যাত্রা হলে আগে থেকেই এই সুবিধার জন্য আবেদন করে রাখা ভালো। সাধারণত বিমানে ওঠার আগেই এটি বুক করতে হয়।

আরও পড়ুন

কোথায় বসাবেন শিশুকে?

শিশুর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জানালার পাশের আসন বেছে নেওয়া ভালো। মাঝের সারি বা চলাচলের পথের পাশের আসনে অসাবধানতায় গরম পানীয় কিংবা মালপত্র পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

সঙ্গে রাখা যাবে দুধ ও প্রয়োজনীয় খাবার

নবজাতকের জন্য বুকের দুধ বা দুধ তৈরির প্রয়োজনীয় পানি নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়মে ছাড় থাকে। নিরাপত্তা তল্লাশির সময় কর্মকর্তাকে বিষয়টি আগে জানালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা আলাদাভাবে করা যেতে পারে।

উড়ার সময় কানে ব্যথা কমাবেন যেভাবে

বিমান আকাশে ওঠার সময় এবং অবতরণের সময় কানের ভেতরের চাপের পরিবর্তনের কারণে শিশুর অস্বস্তি হতে পারে। এ সময় শিশুকে দুধ পান করানো বা চুষি দিলে কানের ভেতরের চাপ সামলাতে সুবিধা হতে পারে এবং ব্যথার আশঙ্কা কমতে পারে।

পোশাক ও ডাইপারে নজর

বিমানে শিশুকে হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরানো ভালো। বিমানে ওঠার ঠিক আগে ডাইপার বদলে নিলে সুবিধা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত দুই থেকে তিন সেট পোশাক সঙ্গে রাখুন। যাত্রাপথে পোশাক নোংরা বা ভিজে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বদলে দিতে পারবেন।

বিমানের শব্দেও সতর্কতা

বিমান মাটিতে নামার সময় হঠাৎ বেশি শব্দ হতে পারে। এতে শিশু অস্বস্তি বোধ করতে পারে। শিশুর কানে তুলো ব্যবহার করে শব্দের তীব্রতা কিছুটা কমানো যেতে পারে। এতে শিশুকে শান্ত রাখতেও সুবিধা হতে পারে।

সঙ্গে রাখুন পছন্দের খেলনা

দীর্ঘ সময় বিমানে বসে থাকা শিশুর জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। তাই ছোট খেলনা, বই কিংবা বয়স উপযোগী বিনোদনের ব্যবস্থা সঙ্গে রাখতে পারেন। প্রয়োজন হলে পর্দায় কার্টুন দেখিয়েও শিশুকে ব্যস্ত রাখা যায়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভুলবেন না

দেশের ভেতরে বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে শিশুর সাধারণত ছবিযুক্ত পরিচয়পত্রের প্রয়োজন হয় না। তবে শিশুর বয়স প্রমাণের জন্য জন্মনিবন্ধনের একটি অনুলিপি সঙ্গে রাখা ভালো। আর বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে শিশুর নিজস্ব পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক।

একটু প্রস্তুতিই কমাবে ভ্রমণের ঝামেলা

শিশুকে নিয়ে বিমান সফর নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার প্রয়োজন নেই। আগে থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রাখা, শিশুর বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী আসন নির্বাচন করা এবং উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় বিশেষ যত্ন নেওয়াই পারে যাত্রাকে অনেক সহজ করে দিতে।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
উদ্বেগজনক নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, শুধু অক্টোবরেই ধর্ষণের শিকার ৫১
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জড়িতের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মাঝনদীতে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু
বাড়ির পাশের খালে পড়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু