ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্ব চিঠি দিবস আজ

হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার সেই চিঠির দিনে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ এএম
হাতে লেখা চিঠি ও ডাকবাক্স—দ্রুত যোগাযোগের যুগেও যে স্মৃতি আর আবেগ হারিয়ে যায়নি। ছবি : সংগৃহীত

একটি সাদা কাগজ। হাতে লেখা কয়েকটি কথা। ভাঁজ করে খামের ভেতর রাখা। খামের ওপর প্রাপকের নাম ও ঠিকানা লিখে সেটি ফেলে দেওয়া ডাকবাক্সে। তারপর অপেক্ষা—কবে চিঠি পৌঁছাবে, কবে আসবে উত্তর?

উত্তর আসার দিনটি যেন ছিল ছোট্ট এক উৎসব। ডাকপিয়নের হাতে প্রিয় মানুষের চিঠি দেখলেই মুখে ফুটে উঠত হাসি। কখনও সেই চিঠিতে থাকত ভালোবাসা, কখনও অভিমান, কখনও দূরে থাকা আপনজনের খবর। আবার কখনও কয়েকটি সাধারণ কথাই হয়ে উঠত সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি।

আজ সেই দৃশ্য অনেকটাই অতীতের গল্প। মুঠোফোনের এক ছোঁয়ায় মুহূর্তেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে যায় বার্তা। তবু হাতে লেখা চিঠির আবেদন যেন পুরোপুরি ফুরিয়ে যায়নি। বরং দ্রুত যোগাযোগের এই সময়ে চিঠি হয়ে উঠেছে আরও ব্যক্তিগত, আরও আবেগময় এবং আরও দুর্লভ।

আজ বিশ্ব চিঠি দিবস

প্রতি বছর ১ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব চিঠি দিবস। এই দিবসের উদ্দেশ্য মানুষকে আবার কাগজ-কলমে চিঠি লেখার অভ্যাসে ফিরিয়ে আনা।

২০১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার লেখক, আলোকচিত্রী ও শিল্পী রিচার্ড সিম্পকিন সিডনির ওয়েভারলি কলেজে দিবসটির সূচনা করেন। চিঠি লেখার প্রতি তাঁর নিজের আগ্রহ থেকেই এই উদ্যোগের শুরু।

আরও পড়ুন

চিঠি_বক্স

১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে সিম্পকিন অস্ট্রেলিয়ার যাঁদের কিংবদন্তি মনে করতেন, তাঁদের কাছে চিঠি লিখতেন। অনেকের কাছ থেকেই তিনি উত্তর পেয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা পরে ২০০৫ সালে ‘অস্ট্রেলিয়ান লিজেন্ডস’ বইয়ে তুলে ধরেন। এরপর চিঠি লেখার আনন্দ আরও মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন বিশ্ব চিঠি দিবস।

চিঠি মানেই ছিল অপেক্ষা

চিঠির সবচেয়ে আলাদা দিক ছিল তার ধীরগতি। এখন কেউ বার্তা পাঠিয়ে কয়েক মিনিট উত্তর না পেলেই অস্থির হয়ে পড়েন। অথচ চিঠির সময়ে অপেক্ষাটাই ছিল যোগাযোগের স্বাভাবিক অংশ।

চিঠি লেখার সময় মানুষকে ভাবতে হতো—কী লিখবেন, কোন কথাটি আগে বলবেন, কীভাবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করবেন। ফলে চিঠির প্রতিটি বাক্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকত সময়, মনোযোগ ও আবেগ।

রিচার্ড সিম্পকিনের উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্যও ছিল এই মনোযোগী লেখার অভ্যাস ফিরিয়ে আনা। তাৎক্ষণিক বার্তার মতো চিঠি লিখে সঙ্গে সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া যায় না। নিজের কথা গুছিয়ে লিখতে হয়, প্রাপককে নিয়ে ভাবতে হয়।

ডাকবাক্স ছিল দূরের মানুষের কাছে যাওয়ার দরজা

একসময় রাস্তার পাশে থাকা ছোট্ট ডাকবাক্সই ছিল দূরের মানুষের কাছে নিজের কথা পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম। হাতে লেখা চিঠি সেখানে ফেলে দিয়ে মানুষ অপেক্ষা করত ডাকপিয়নের জন্য।

চিঠি_বক্স_3

যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগের ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮৫৮ সালে শহরের রাস্তায় চিঠি সংগ্রহের বাক্স স্থাপন শুরু হয়। ফলে প্রতিবার ডাকঘরে গিয়ে চিঠি জমা দেওয়ার প্রয়োজন থাকত না। রাস্তার সংগ্রহ বাক্সেই চিঠি ফেলে দেওয়া যেত।

ডাকব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে দূরে থাকা মানুষদের যোগাযোগও সহজ হয়। উনিশ শতকে ডাকের খরচ কমে আসা এবং ডাকব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দূরে থাকা বন্ধু, পরিবার ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও বাড়ে।

বাংলার জীবনেও চিঠির আলাদা জায়গা

বাংলার জীবনেও একসময় চিঠি ছিল খুব পরিচিত একটি বিষয়। বাড়ির সামনে ডাকপিয়ন এসে কারও নাম ধরে ডাকছেন—এই দৃশ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অপেক্ষা, আনন্দ ও উৎকণ্ঠা।

দূরে থাকা সন্তান বাবা-মাকে চিঠি লিখেছেন। স্বামী লিখেছেন স্ত্রীকে। বন্ধু লিখেছে বন্ধুকে। কেউ জানিয়েছে চাকরির খবর, কেউ পরীক্ষার ফল। কেউ লিখেছে বাড়ির অভাব-অভিযোগ। আবার কেউ শুধু লিখেছে—ভালো আছি, তুমি কেমন আছ?

চিঠি সবসময় আনুষ্ঠানিক কথার জায়গা ছিল না। অনেক সময় মুখোমুখি বলা সম্ভব হয়নি এমন কথাও চিঠির পাতায় লেখা যেত। অভিমান, ভালোবাসা, অনুশোচনা, অপেক্ষা কিংবা মনের গোপন কথাগুলো জায়গা পেত কয়েকটি হাতে লেখা লাইনে।

হাতের লেখাতেই লুকিয়ে থাকত মানুষের ছোঁয়া

একটি চিঠির নিজস্ব একটা শরীর আছে। কাগজের ভাঁজ, খামের ওপর হাতের লেখা, কালির দাগ, ভুল করে কেটে দেওয়া কোনো শব্দ—সব মিলিয়ে চিঠিটি হয়ে উঠত আলাদা এক স্মৃতি।

আজকের একটি বার্তা হাজারো বার্তার ভিড়ে হারিয়ে যেতে পারে। কিন্তু বহু বছর আগের একটি চিঠি পুরোনো বইয়ের ভাঁজে কিংবা কাঠের বাক্সে পাওয়া গেলে মুহূর্তেই ফিরিয়ে নিতে পারে কোনো নির্দিষ্ট সময়, মানুষ কিংবা সম্পর্কের কাছে।

তাই চিঠি শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, অনেকের কাছে এটি স্মৃতিরও একটি অংশ।

ইতিহাসও সংরক্ষিত হয়েছে চিঠির পাতায়

চিঠির গুরুত্ব শুধু ব্যক্তিগত আবেগে সীমাবদ্ধ নয়। ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও চিঠির পাতায় সংরক্ষিত হয়েছে।

ব্যক্তিগত চিঠি, রাজনৈতিক চিঠিপত্র, যুদ্ধকালীন চিঠি কিংবা সাহিত্যিকদের পারস্পরিক যোগাযোগ—এসব অনেক সময় অতীতের মানুষ ও সময়কে বোঝার গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে উঠেছে।

অর্থাৎ ডাকব্যবস্থা শুধু চিঠি বহন করেনি। এটি সমাজ, সংস্কৃতি ও মানুষের সম্পর্ক বদলে যাওয়ার ইতিহাসেরও অংশ।

মুঠোফোনের যুগে বদলে গেছে অপেক্ষা

প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে চিঠি লেখার অভ্যাস কমেছে। জরুরি খবরের জন্য মুঠোফোন, দীর্ঘ বার্তার জন্য বিভিন্ন বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম, আর অফিসের যোগাযোগে বৈদ্যুতিন ডাক—সবই এখন হাতের নাগালে।

অপেক্ষার জায়গা অনেকটাই দখল করেছে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ। ডাকপিয়নের পায়ের শব্দের বদলে এখন মানুষ অপেক্ষা করে মুঠোফোনের বার্তার সংকেতের জন্য।

তবু চিঠির আবেদন আলাদা। কারণ একটি চিঠি লিখতে কাউকে সময় দিতে হয়। ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় আলাদা করে কাগজ-কলম হাতে বসতে হয়। প্রাপককে মনে করতে হয়। নিজের কথাগুলো গুছিয়ে লিখতে হয়।

আর এই সময়টুকুই হয়তো চিঠির সবচেয়ে বড় উপহার।

হারিয়ে যেতে বসা অভ্যাসটি ফিরুক

বিশ্ব চিঠি দিবসের মূল বার্তা প্রযুক্তিকে বাদ দেওয়া নয়। বরং দ্রুত যোগাযোগের এই সময়ে ধীর, ব্যক্তিগত ও অর্থবহ যোগাযোগের জায়গাটুকু ধরে রাখা।

দিবসটির প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড সিম্পকিন এখনো বিদ্যালয়ে চিঠি লেখার কর্মশালা করেন। শিশু-কিশোর ও বড়দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে কাউকে চিঠি লেখার উৎসাহ দেন।

চিঠি_বক্স_4

আজ হয়তো ডাকবাক্সের দিকে তাকালে আগের মতো চিঠির স্তূপ দেখা যায় না। অনেক ডাকবাক্স নীরব দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু সেই নীরবতার মধ্যেও লুকিয়ে আছে এক সময়ের গল্প—কেউ লিখেছে, কেউ অপেক্ষা করেছে, কেউ উত্তর পেয়েছে, কেউ আবার উত্তর না পেয়েও চিঠিটি যত্ন করে রেখে দিয়েছে।

মুঠোফোনের পর্দায় ‘ভালো থেকো’ লেখা যায় কয়েক সেকেন্ডে। কিন্তু কাগজে ‘ভালো থেকো’ লিখতে গেলে হাত থামে, মন ভাবে, শব্দ বেছে নিতে হয়। আর সেই কারণেই হাতে লেখা একটি চিঠি শুধু কয়েকটি শব্দ নয়—এটি একজন মানুষের আরেকজন মানুষের জন্য রেখে যাওয়া সময়, স্মৃতি ও ভালোবাসার ছোট্ট দলিল।

আজ একটি চিঠি লিখবেন?

বিশ্ব চিঠি দিবসে পুরোনো ডাকবাক্সের কথা মনে করার পাশাপাশি একটি কাজ করা যায়—কাগজ-কলম হাতে নিয়ে এমন কাউকে চিঠি লেখা, যাকে অনেক দিন কিছু বলা হয়নি।

কারণ সব যোগাযোগ দ্রুত হতে হয় না। কিছু কথা একটু দেরিতে পৌঁছালেই তার মূল্য আরও বেড়ে যায়।

হয়তো আপনার লেখা কয়েকটি হাতে লেখা লাইন কারও কাছে হয়ে উঠতে পারে বহু বছর পরও যত্ন করে রেখে দেওয়ার মতো একটি স্মৃতি।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্য ফেরাতে রাবিতে চিঠি উৎসব 
নওগাঁয় ব্যতিক্রমী ‘চিঠি উৎসব’: কাগজের ভাঁজে আবেগের রঙিন প্রকাশ
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পাঠানো শুভেচ্ছা চিঠিটি পরম যত্নে রেখেছেন ছাইফুল্লাহ